এন আর বি ব্যাংক এর পাওনা প্রায় ১২কোটি টাকা পরিশোধ না করায় ঋণখেলাপী ব্যবসায়ী মোঃ শাহ আলম ও মোঃ আবুল হাসেম ভূইয়াকে গ্রেফতার ও ৫মাসের সাজা প্রদান করেন অর্থঋণ আদালত চট্টগ্রামের বিচারক যুগ্ম-জেলা জজ মুজাহিদুল ইসলাম।
আজ মঙ্গলবার বিকেলে তিনি এই রায় প্রদান করেন।
এই তথ্যটি নিশ্চিত করেন অর্থঋণ আদালতের বেঞ্চ সহকারী রেজাউল করিম।
দুই ব্যবসায়ী :মোঃ শাহ আলম , পিতা মোঃ আবুল হোসেন , ভাটিয়ারী , ষ্টেশন রোড , সীতাকুন্ড , ৪৩১৫ , চট্টগ্রাম এবং সাং- হাউস নং- হাজী ইশাখের কলোনী , রোড নং- ভাটিয়ারী , পোঃ ভাটিয়ারী , থানা- সীতাকুন্ড , জেলা- চট্টগ্রাম ।
মোঃ আবুল হাসেম ভূইয়া , পিতা- মৃত আব্দুর জব্বার , মালিক মেসার্স এ.জে এন্টারপ্রাইজ , সাং ভাটিয়ারী , ষ্টেশন রোড , সীতাকুন্ড , ৪৩১৫ , চট্টগ্রাম এবং সাং- হাউস নং- হাজী ইশাখের কলোনী , রোড নং- ভাটিয়ারী , পোঃ ভাটিয়ারী , থানা- সীতাকুন্ড , জেলা- চট্টগ্রাম ।
আদালত সুত্রে জানা যায়,১০কোটি ৩১ লক্ষ ৫৩ হাজার ৬৯৬টাকা ৩৭ পয়সা টাকার উপর আদায় না করায় ১২ % হারে সুদের ডিক্রি হয় । ডিক্রিকৃত সমুদয় টাকা ৬০ দিনের মধ্যে ডিক্রিদার বরাবার পরিশোধের জন্য দায়িকগণকে নির্দেশ দেওয়া হলেও দায়িকগণ তা পরিশোধ না করায় ১৬/০৫/২০২২ খ্রিঃ তারিখে ডিক্রিয়ায় ব্যাংক দায়ীকদের বিরুদ্ধে ১১,৭২,৭৭,৫৮৩ , ৬৪ টাকা আদায়ের দাবীতে এই জারি মামলা আনয়ন করে । ব্যাংকের নিকট দায়িকগণের বন্ধকী সম্পত্তি ইতোপূর্বে নিলাম হওয়ার পরেও নিলাম ডাককারী প্রস্তাবিত মূল্য অস্বাভাবিক কম হওয়ার কারণে ডিক্রিদার ব্যাংক কর্তৃক গৃহীত না হওয়ায় উক্ত বন্ধকী সম্পত্তি বিক্রয় করা সম্ভব হয় নাই । তাই অর্থঋণ আদালত আইনের ৩৪ ( ৯ ) ধারা অনুযায়ী দায়িকগণের বিরুদ্ধে দেওয়ানী আটকাদেশ জারি করতে আইনগত বাধা নেই । এই জারি মামলা দায়ের হওয়ার প্রায় ৩ মাস অতিক্রান্ত হলেও দায়িকগণ ডিক্রিসারের কোন পাওনা পরিশোধ না করায় বিপুল পরিমাণ খেলাপী ঋণ আদায়ে বাধ্য করার প্রয়াস হিসেবে ডিক্রিদারের ১১/০৯/২০২২ খ্রিঃ তারিখের দরখাস্ত ক্রমে ১-৪ নং দায়িকগণের প্রত্যেককে ৫ মাস দেওয়ানী আটকাদেশ প্রদান করা হলো । দেওয়ানী আটকাদেশ কার্যকর করার নিমিত্তে আইনের ৩৫ ধারার বিধান মোতাবেক ১-৪ নং দায়িকের বিরুদ্ধে W / A ইস্যু করা হল ।