হঠাৎ করে ফুলে পেপে উঠা রাজস্থানের রাজকীয় জালিয়াতি।সাধারণের অভিযোগ থাকলেও  ক্ষোভ প্রকাশ করা ছাড়া কিছু করার ছিল না।এই ভাবে কয়েক বছরে শতকোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে চট্টগ্রাম শহরে একের পর এক আউটলেট চালু করছে।

কাপড়-চোপড়ের মুল্য নিয়ন্ত্রণে জেলা প্রশাসন ও ভুক্তা অধিকার অভিযান পরিচালনা করছে। নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে আজ বুধবার জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে রাজস্থানে অভিযান পরিচালনা করে।অভিযানের মধ্যে দিয়ে  রাজস্থানের রাজকীয় জালিয়াতি ফাঁস হয়ে যায়।

 প্রতি বছর চট্টগ্রামে ঈদের বাজারে কয়েক লক্ষ পাঞ্জাবি বিক্রি হয়। এ সকল পাঞ্জাবির মধ্যে ইন্ডিয়ান পাঞ্জাবির চাহিদা সর্বদাই বেশী। সেই সুযোগটাই কাজে লাগাচ্ছে রাজস্থানসহ বিভিন্ন ব্যান্ড   । চট্টগ্রাম শহরে মোট ১৭ টি আউটলেট রয়েছে রাজস্থানের।

আজ বুধবার দুপুরে  নগরীর প্রবর্তক মোড়ের আউটলেটে অভিযান চালান জেলা প্রশাসন এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রতীক দত্ত।

 অভিযানকালে দেখা যায়, দোকানের অল্প সংখ্যক পাঞ্জাবি  ইন্ডিয়ান। তবে সেগুলোর কোনটিই রাজস্থান আমদানী করেনি। দেখাতে পারেনি কোন এলসি বা কাস্টমস এর ছাড়পত্র। যমুনা ট্রেডার্স নামের একটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তারা আমদানি করে বলে জানায় কর্তৃপক্ষ। কিন্তু যমুনা ট্রেডার্স এর কাগজপত্র পর্যালোচনা করে দেখা যায়, সকল ভ্যাট ট্যাক্স পরিশোধ করার পর পাঞ্জাবির মূল্য পড়ছে দুই হাজার টাকার কাছাকাছি। কিন্তু সেই পাঞ্জাবি রাজস্থানের আউটলেটে বিক্রি হচ্ছে ৭/৮ হাজার টাকা এমনকি কোনটা বিক্রি হচ্ছে ১২/১৩ হাজার টাকা পর্যন্ত। চড়া মূল্যে পণ্য বিক্রি করার দায়ে ঐ আউটলেটের ম্যানেজারকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এরপর দেশী পাঞ্জাবিতে "made in india" লিখে বিক্রি করার দায়ে আফমি প্লাজার দোতলায় অবস্থিত সারতাজ নামের দোকানটিকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

রাজস্থানের রাজকীয় জালিয়াতি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সরব।কিছু স্টার্টাস হুবহু তুলে ধরলাম। ~Nurul Absarঐ সব দোকান বন্ধ করে দেওয়া দরকার ” ‍Majharul Islam Rana “ দুই হাজার টাকার পাঞ্জাবি ১২ হাজার টাকায় বিক্রি, রাজস্থানকে জরিমানা ” “Md Sydul Kabir যে বিক্রেতা, তার শাস্তি শুধু জরিমানা এটা খুবই হাস্যকর।আবার এই ক্রেতাদের আয়ের উৎস খুঁজে দেখা আইনের সঠিক প্রয়োগ হবে।” “Uncommon Boy Jamal এদের মত ব্যবসায়ীদের কে আরো কঠোরভাবে আইনের আওতায় নেওয়া উচিত, ” “M.N. Safa জরিমানার পরিমাণ কত! ২ হাজার, না ৫ হাজার? বাংলাদেশের ম্যাজিস্টার ও ভোক্তা অধিকার মোটা অংকের জরিমানা করতে'তো ভয় পায়।”