১৫ ই জুলাই এর মধ্যে  গণ ও পণ্য পরিবহনের লাইফ টাইম প্রজ্ঞাপনটি বাতিলের দাবী জানান। বাতিল করা না হলে ১৫ ই জুলাই থেকে  বৃহত্তর চট্টগ্রাম বিভাগ, চট্টগ্রাম উত্তর, দক্ষিণ ও পুর্বাঞ্চল সহ মেট্রো এলাকার সকল প্রকার গণ ও পণ্য পরিবহনের মালিকরা দাবী আদায়ের লক্ষ্যে কঠোর কর্মসূচি দেবে।

আজ শনিবার বিকালে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান বৃহত্তর চট্টগ্রামে গণ ও পণ্য পরিবহণ মালিক ফোরামে আহবায়ক মো: আবদুল মান্নান ।

লিখিত বক্তব্যে বৃহত্তর চট্টগ্রামে গণ ও পণ্য পরিবহণ মালিক ফোরামে সদস্য সচিব গোলাম রসুল বাবুল অভিযোগ করেন, গণ পরিবহণে ২০বৎসর পণ্য পরিবহনে ২৫ বছর লাইফ টাইম ঘোষণা “মরার উপর খাড়ার ঘা” ।আমদানীকৃত গাড়ীর যন্ত্রপাতি দিয়ে সকল যন্ত্রাংশ  সংযোজনের মাধ্যমে পরিবতর্ন ও পরিবর্ধণ করা হয় বিধায় লাইফ টাইম নির্ধারণে সাংঘষিক ও অযৌত্তিক। এই নীতিমালা কার্যকর হলে গণ ও পণ্য পরিবহন ধ্বংশ হয়ে যাবে ও বর্তমান দেশের বিরাজমান স্থিতিশীল নষ্ট হয়ে পড়বে।

তিনি বলেন, পরিবহনের মালিক শ্রমিক দেশের সাধারণ জনগণের পরিসেবায় নিয়োজিত।সরকার পরিবহন সেক্টরকে  শিল্প ঘোষনা করলেও তার সুযোগ সুবিধার আজো পায়নি।সরকার শিল্প –কারখানাকে ভূতকি দিয়ে বাঁচিয়ে রাখলেও পরিবহন সেক্টর সরকারকে অগ্রিম আয়করসহ অন্যান্য কর পরিশোধ করার পরও সরকারে  এই শিল্পের মুল্যায়ন হয়না। থেকে  আকস্মিক ভাবে পরিবহনের লাইফ টাইম নির্ধারণের ঘোষণা আসায় গণ ও পণ্য পরিবহনের সাধারণ মালিক ও শ্রমিকগণের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। ফলে অচিরেই দেশে গণ ও পণ্য পরিবহনে অপ্রত্যাশিত সংকট সৃষ্টি হওয়ার সমুহ সম্ভাবনা রয়েছে।

সরকারের কাছে কয়েকটি দাবী পেশ করেন, গণ -পণ্য পরিবহনে গাড়ীর যন্ত্রাংশ আমদানীর মাধ্যমে গাড়ী পরিবর্তন ও পরিবর্ধন করা হচ্ছে। তা গণ পরিবহন ও পণ্য পরিবহনে চলাচলরত গাড়ীর ইকোনোমিক লাইফটাইম নির্ধারণ সাংঘর্ষিক তাই বাতিল করতে হবে ।

ইকোনোমিক লাইফ টাইমের বিষয়ে গৃহিত সিদ্ধান্ত পূণঃ বিবেচনা পূর্বক সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত বিআরটিএ কর্তৃক ফিটনেস ও পারমিট নবায়ন কার্যক্রম অব্যাহত রাখা ।

প্রাইম মুভার টেইলার পণ্য পরিবহনে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবহন সেহেতু প্রাইম মুভারে সরকারের নির্দেশনা মোতাবেক এক্সএল সংযোজন করার ফলে বিআরটিএ কর্তৃক সে এক্সএল অনুমোদন পূর্বক ডকুমেন্ট প্রদান,  যে যে ধরণের গাড়ী চালায় তাকে সে ধরণের ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান করা ।

পস মেশিনে মামলা দেওয়ার ক্ষেত্রে ঢাকা মহানগরীর সাথে চট্টগ্রাম মহানগরীর কোন মিল নেই। তাই ডি.এম.পির আদলে সি.এম.পিতেও একই নিয়মে ফাইন কার্যক্রম বাস্তবায়ন ।

ঢাকা, চট্টগ্রাম মহাসড়কে স্থাপিত ওয়ে স্কেল দুটি পরিচালনার দায়িত্ব বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে দিতে হবে। সারাদেশে একই নিয়মে ওরে স্কেল স্থাপন করতে হবে। পণ্যের উৎসস্থলে ওজন স্লিপ প্রদান ।

সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন, প্রাইম মুভার অনার্স অ্যাসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক, পণ্য পরিবহনের উপদেষ্টা আব্দুল নবী লেদু, চট্টগ্রাম বন্দর ট্রাক কর্ভারভ্যান মালিক সমিতির যুগ্নসাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির সোহেল, চট্টগ্রাম জেলা ট্রাক কার্ভাট ভ্যান মিনি ট্রাক মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক কে এম মহিউদ্দীন, চট্টগ্রাম পিকআপ সিএনজি অটোরিক্সা পণ্য পরিবহন মালিক চালক ঐক্য পরিষদ সভাপতি ও পণ্য পরিবহন  ফেডারেশন যুগ্ম সম্পাদক অলি উদ্দিন হাওলাদারসহ প্রমুখ।