আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯২, চট্টগ্রাম -১৫ (সাতকানিয়া - লোহাগাড়া) সংসদীয় আসন থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থীতা চেয়ে দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করে জমা দিয়েছেন আব্দুল মোতালেব সিআইপি।


 কৈশোর থেকে তিনি মুজিব আদর্শে উদ্বুদ্ধ । ছাত্রলীগের মাধ্যমে রাজনীতিতে তার হাতেখড়ি। তারপর থেকে কোন বিরতি না দিয়ে আওয়ামী লীগের জেলা ও উপজেলা কমিটিতে বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন কালে আন্দোলন সংগ্রামে রাজপথে ভূমিকা রাখেন। জামাত শিবিরের সন্ত্রাস নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে তিনি সম্মুখ সারিতে ছিলেন।


 ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৮ সালে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। মনোনয়ন না পেলেও দলের প্রার্থীর বিজয়ে মূখ্য ভূমিকা রাখেন।


২০১৯ সালে ইভি.এম এর মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হওয়া উপজেলা নির্বাচনে তিনি
বি.এন.পি-জামাতের মনোনীত প্রার্থী সাথে লড়াই করে সবগুলো কেন্দ্রে বিপুল ভোটে বিজয় হন। এরপর সমগ্র সাতকানিয়াতে অবকাঠামোগত উন্নয়ন করে জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।

বাংলাদেশে করোনা মহামারীকালীন সময়ে কর্মহীন মানুষের পাশে খাদ্য সামগ্রী নিয়ে পাশে দাড়ান এম এ মোতালেব সিআইপি। লক-ডাউনের পুরো সময় তিনি ত্রাণকার্যে প্রায় ২ কোটি টাকা নগদ ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

সম্প্রতিক চট্টগ্রামে ঘটে যাওয়া স্মরণকালের সর্ববৃহৎ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের মাঝে ব্যাপক ত্রাণ ও নগদ অর্থ সহয়তা নিয়ে বন্যার্ত মানুষের পাশে দাড়িয়ে মানবতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

 মুজিববর্ষে ৩৮টি গৃহহীন পরিবারকে নিজ অর্থায়ানে বাড়ী নিমার্ণ করে দিয়েছেন।


চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্সের তিনি সাবেক পরিচালক সহ বহু ব্যবসায়ী সংগঠনের তিনি প্রতিষ্ঠাতা ও পদস্থ কর্ণধার । ব্যবসায়ী হিসেবে দেশজুড়ে তার সুনাম রয়েছে।

তিনি ১৯৮৯ সালে দেশের স্বনামধন্য খাদ্য প্রস্তুতকারী শিল্প প্রতিষ্ঠান বনফুল প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তীতে তিনি কিষোয়ান নামে আরোও একটি শিল্প গ্রুপ প্রতিষ্ঠা করেন । এই দুটি শিল্প গ্রুপে বর্তমানে প্রায় ১২ হাজার লোকের কর্মসংস্থান হয়েছে। দেশের অভ্যন্তরীণ মার্কেটের পাশাপাশি প্রায় ৪২ টি দেশে
তিনি পণ্য রপ্তানি করে থাকেন। রপ্তানি বাণিজ্য অসামান্য অবদান রাখায় তিনি পরপর ৬ বার সি.আই.পি নির্বাচিত হন।


সম্পূর্ণ নিজস্ব তহবিল থেকে আধুনিক সুযোগ সুবিধা সমৃদ্ধ ‘‘চিব্বাড়ী এম.এ মোতালেব কলেজ’’ প্রতিষ্ঠা করেন। এছাড়া স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় শিক্ষা উন্নয়নে ব্যাপক অনুদান দিয়ে যাচ্ছেন। তিনি ১০০টির অধিক মসজিদের উন্নয়নে ব্যক্তিগত অনুদান প্রদান করেন। হাজী অছিয়র রহমান দাতব্য চিকিৎসালয় প্রতিষ্ঠা করেন। ফ্রি এ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস, শিক্ষা উপকরণ বিতরণ, কন্যাদায়গ্রস্থ পিতাকে অর্থ সহয়তা, সাতকানিয়া ডায়বেটিক হাসপাতালে এম.এ মোতালেব চক্ষু বিভাগ প্রতিষ্ঠা করেন।

 তিনি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের রোগীকল্যাণ সমিতির ৪ বছর যাবৎ সহ-সভাপতি থাকাকালে প্রচুর অনুদান প্রদান করেন। তিনি আন্তর্জাতিক লায়ন্স ক্লাবের চট্টগ্রাম জেলার বি- ৩১৫ এর গর্ভনরের উপদেষ্ঠা হিসেবে নিয়োজিত রয়েছেন।


এম.এ. মোতালেব ব্যবসায়িক প্রয়োজনে এবং বিভিন্ন বাণিজ্যিক ফোরামের প্রতিনিধি হিসাবে  যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, কোরিয়া, চীন, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, অষ্ট্রেলিয়া, ইতালী, সৌদি-আরব, দুবাই, ভারত ইত্যাদি বিভিন্ন দেশ সফর করেন। তিনি বেলারুশিয়ান চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রির  আমন্ত্রণে বেলারুশ সফর করেন।

২০১৪ সালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হয়ে বাণিজ্য প্রতিনিধি দলের সদস্য হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফর করেছিলেন।

দলের মনোনয়ন পেলে বিজয়ী হয়ে চট্টগ্রাম- ১৫ নির্বাচনী আসনটি বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনাকে উপহার দিতে পারবেন বলে আশাবাদী তিনি।