৩ ফেব্রুয়ারী রাতে লোহাগাড়া অরিদার ঘোনার লেকের বাঁধ কেটে দেয়ায় পানিতে ক্ষতিগ্রস্থরা ক্ষতিপূরণ আদায়ে একসপ্তাহের মধ্যে বনবিভাগের বিরুদ্ধে মামলার করার ঘোষনা দেন স্থানীয় আওয়ামীলীগ কর্মী ও কৃষক মোজাফফরসহ বেশ কয়েকজন।
তারা হলেনর মির্জাখীলের আইয়ুব, বাংলা বাজারের কৃষক মজিদ, মঙ্গল চাঁদপাড়ার অহিদ , দ্বীপের কুলের শওকত , সাইরতলী পাড়ার আলমগীর, কুতুব পাড়ার জসিম, আছাড়তলীর কাদের, কালামিয়ার পাড়ার জুবায়ের।
তারা পযায়ক্রমে আদালতে বনবিভাগের বিরুদ্ধে মামলা করবেন জানিয়ে গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
ন্যাচারেল লেকের পানি বনবিভাগ অপরিকল্পিতভাবে তড়িগড়ি করে ছেড়ে দেওয়ায় এইসব এলাকা প্লাবিত হয়ে ফসল,গরু-ছাগল ও দুইশতাধিক কাঁচা ঘরবাড়ী ভেঙ্গে শতকোটি টাকা ক্ষতির হয় বলে স্থানীয় সুত্র নিশ্চিত করেছে।
আওয়ামীলীগ কর্মী ও কৃষক মোজাফফর বলেন,ভূমিদস্যুদের হাত থেকে বনবিভাগের জায়গা উদ্ধার হোক আমরা সকলেই চাই।পরিকল্পিতভাবে পানি অপসারণ করে জায়গা উদ্ধারের উদ্যেগ নেওয়া উচিত ছিল কিন্তু তারা অনবিজ্ঞতার কারণে পানি ছেড়ে দেওয়ায় হঠাৎ করে এলাকা প্লাবিত করে ফসল,গরুছাগল ও ঘরবাড়ি নষ্ট করে। সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্থদের ক্ষতিপূরণ আদায়ে বনবিভাগের বিরুদ্ধে একসপ্তাহের মধ্যে মামলা করব।
৩ ফেব্রুয়ারী রাতে লোহাগাড়া অরিদার ঘোনার লেকের বাঁধ কেটে দেয়ায় পানিতে সাতকানিয়ার সোনাকানিয়া ইউনিয়নের শত শত ঘর বাড়ী, গবাদী পশু, ফসলী জমি পানির নিচে তলিয়ে যায়।
সূত্রে জানা যায়, মির্জাখীল বাংলা বাজার, মঙ্গল চাঁদপাড়া, দ্বীপের কুল, সাইরতলী পাড়া, কুতুব পাড়া, আছাড়তলী, কালামিয়ার পাড়া এলাকার কাঁচা ঘর পানিতে তলিয়ে গেছে, পানির চাপে ছোট হাতিয়ার সুইচ গেইট, সাইরতলীতে দরবার শরীফের পানির গোধা ভেঙ্গে গিয়ে গরু, ছাগল, হাঁস মুরগী পানিতে ভেসে যায়। ঘর বাড়ী, স্কুল, মাদ্রাসা ডুবে গিয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। পুকুরের মাছ, ফসলের ক্ষেত নষ্ট হয়। সবকিছু হারিয়ে সাধারণ মানুষ খোলা আকাশের নিচে মাববেতর জীবন যাপন করছে। রাত্রে মানুষ আহাজারী করছে যাদের দ্বীতল বাড়ী আছে সেখানে রাত্রীযাপণ করছে।