- নিজস্ব প্রতিবেদক -


বাংলাদেশের একমাত্র সামুদ্রিক বন্দর ও দেশের রাজস্বখাতের মূল চালিকাশক্তি চট্টগ্রাম বন্দরের উৎপাদনশীলতা ও গতিশীলতা নষ্ট করার লক্ষ্য নিয়ে এক কতিপয় ব্যক্তি যিনি বর্তমানে সালমান এফ রহমান ও শেখ হাফিজের শেয়ারকৃত প্রতিষ্ঠান বন্দরের পিসিটি খেকো আরএসজেটিতে কর্মরত, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান হতে বিতাড়িত মেজর (অবঃ) মুনিরউদ্দিন হাসান বন্দরের টার্মিনাল অপারেটরকে নিয়ে কয়েকদিন সোস্যাল মিডিয়া (ফেসবুকে) বাজে মন্তব্য করে যাচ্ছেন।


 যাতে বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাঘাত ঘটে। উনি যে প্রতিষ্ঠান  নিয়ে লিখছেন, সেই প্রতিষ্ঠানে উনি অনেকদিন চাকুরি করেছেন। 

এই প্রতিষ্ঠানের চাকুরীর পূর্বে উনি কিউএনএস অফডকে চাকুরী করেছেন। সেই অফডক হতে উনাকে বিতাড়িত করার পর, উনি বিভিন্ন তদবির করে সাইফ পাওয়ারটেক লিমিটেডে যোগদান করেন উঁচ্চ বেতন নিয়ে। সেখান হতে উনাকে বের করে দেয়া হয়। এরপর উনি একটি শিপিং প্রতিষ্ঠানে যোগদান করেন, সেখানেও উনি বেশীদিন থাকতে পারলেন না। 

পরবর্তীতে উনি ভারটেক্স অফডকে যোগদান করেন। শোনা গিয়েছে, সেখানে উনার মেন্টাল সমস্যার কারনে ১০দিনের মধ্যে চলে আসতে হলো। এরপর উনি আরএসজেটিতে চাকুরীর জন্য আবেদন করেন। উনাকে তারা নিতে অপারগতা প্রকাশ করে। পরবর্তীতে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্ধর্তন কর্মকর্তার সহযোগীতায় উনি সেখানে চাকুরী নেন। এখন উনি সামাজিক যোগাযোগ (ফেইসবুক) সাইফ পাওয়ারটেক লিমিটেডের নামে যে মিথ্যা বানোয়াট তথ্য দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্তি করার চেষ্টা করছেন তা কোনো ভদ্র মানুষের আচরন নয়। উনি মনে হয় উনার ব্যক্তিগত আক্রোশ বা স্বার্থে অথবা বন্দর ধ্বংস করার পরিকল্পনা করার কারো এজেন্ডা বাস্তবায়ন করার জন্য এমন নিকৃষ্ট ও ঘৃণ্য কাজ করে যাচ্ছেন। উনি বর্তমানে যে প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন, ঐ প্রতিষ্ঠান ততকালীন সরকারের দরবেশ খ্যাত সালমান এফ রহমান এবং শেখ হাসিনার চাচা শেখ হাফিজের শেয়ারকৃত প্রতিষ্ঠান। ততকালীন সরকারের এইসব মানুষদের ক্ষমতা ব্যবহার করে আরএসজেটি (উনার বর্তমান কর্মস্থল) চট্টগ্রাম বন্দরে এসেছে।

এই বিষয়ে জানতে মেজর (অবঃ) মুনিরউদ্দিন হাসানকে কয়েকবার মুঠোফোনে ফোন করা হলে তিনি ফোন ধরেননি।