আজ ১৯ মার্চ  জেলা প্রশাসনের বাজার মনিটরিং কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বেলা ২:৩০ ঘটিকা হতে বিকাল ৪.০০ ঘটিকা পর্যন্ত চট্টগ্রামের বাকলিয়া থানাধীন রাজাখালী এলাকায় নিরাপদ খাদ্য আইন কর্তৃপক্ষের সদস্যদের  গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও এসি (ল্যান্ড), সদর সার্কেল ইমরান-মাহমুদ-ডালিম,। মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকালে লাইসেন্সের শর্তভঙ্গ করে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে জীবন ও স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর পদ্ধতিতে সেমাই তৈরি করায় একটি প্রতিষ্ঠানকে ১০,০০০/- টাকা ও  অপর একটি প্রতিষ্ঠানকে ৫০,০০০ টাকা এবং খাবারে কাপড়ের রঙ ব্যবহারসহ অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে খাদ্য বিক্রি করায় একটি হোটেলকে ১০,০০০ টাকা অর্থদন্ড অর্থাৎ মোট ৩ টি প্রতিষ্ঠানকে ৭০,০০০ (সত্তুর হাজার টাকা) অর্থদন্ড প্রদান করা হয়।

অপরদিকে, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কাট্টলি রাজস্ব সার্কেল এর মোহাম্মদ মেহেদী হাসান, চট্টগ্রাম এর নেতৃত্বে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয় এবং বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন আইন, ২০১৮ এর অধীনে ০১ টি মামলায় ৩০,০০০ ( ত্রিশ হাজার টাকা) অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

 এছাড়াও চট্টগ্রামের কাজীর দেউড়ি  বাজারে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আসিফ জাহান সিকদার ও রাইয়ান ফেরদৌস।

মোবাইল কোর্ট পরিচালনার সময় মূল্য তালিকা প্রদশর্ন না করা, পাকা রশিদ সংরক্ষণ না করা সহ নানা অসংগতি ও অনিয়মের জন্য কৃষি বিপণন আইন,  ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় পৃথক ০৩ টি মামলায় ০৩ জনকে মোট ৩৫০০ অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
অভিযান চলাকালে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী ও বিক্রেতাদের সতর্ক করা হয় এবং ভোক্তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন করা হয়।  জেলা প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান নিয়মিত চলমান থাকবে এবং বাজার ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। মোবাইল কোর্ট কার্যক্রম চলাকালে বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। বাজার মনিটরিং টাস্কফোর্সের নিয়মিত মোবাইল কোর্ট কার্যক্রম পুরো রমজান মাসব্যাপী চলমান থাকবে।