রাউজান উপজেলা বিএনপি'র সভাপতি অধ্যাপক জসিম উদ্দিন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, পৌরসভা বিএনপি'র সভাপতি আবু মোহাম্মদ, সাধারণ সম্পাদক ইফতেখার উদ্দিন খান এক যুক্ত বিবৃতিতে বলেন,অদ্য বিকেল ৪টায় বিএনপি'র চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ও চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপি'র আহ্বায়ক গোলাম আকবর খোন্দকার চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপি'র সাবেক সহসভাপতি ও রাউজান উপজেলা বিএনপি'র সাবেক সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদের কবর জিয়ারত করতে যাওয়ার সময় গিয়াসউদ্দিন কাদের চৌধুরী সমর্থিত ৭০/৮০ জন সন্ত্রাসী বন্দুক, কাটা রাইফেল,রিভলবার,কিরিচ , লাঠি দিয়ে হামলা করলে গোলাম আকবর খোন্দকার গুলিবিদ্ধ হয়,রাউজান উপজেলা বিএনপি'র সভাপতি অধ্যাপক জসিম উদ্দিন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, জাতীয়তাবাদী যুবদল চট্টগ্রাম উত্তর জেলার সভাপতি হাসান মোহাম্মদ জসিম, বিএনপি নেতা মোঃ নাসিম উদ্দিন,গোলাম আকবর খোন্দকারের এ পি এস আশিকুর রহমান, পৌরসভা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আনিস উদ্দিন ইমন, পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ড নেতা মোঃ লিটন, যুবদল নেতা এইচ এম নুরুল হুদা, গোলাম আকবর খোন্দকারের পি এ অর্জুন কুমার নাথ, যুবদল নেতা মোঃ সাজ্জাদ,মোরাদুর রহমান বাবর, নুরুদ্দিন,জি এম মুর্শেদ, মহিউদ্দিন চৌধুরী, আওরঙ্গজেব সম্রাট, সাজ্জাদ সামির, ফয়সাল, কামাল উদ্দিন অসংখ্য নেতাকর্মী আহত হয়। গোলাম আকবর খোন্দকার সহ অনেকে বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিকেলে চিকিৎসাধীন আছেন।তাছাড়া গোলাম আকবর খোন্দকারের ব্যবহৃত পাজেরো জিপ ভাংচুর, ৯/১০ মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দেয় এবং প্রায় ১৫টি মোটরসাইকেল নিয়ে যায়। নেতৃবৃন্দ বলেন,এই সন্ত্রাসী বাহিনী প্রতিনিয়ত রাউজানে খুন, চাঁদাবাজি,লুটপাট, বালুমহাল দখল, মাটি কাটা ও জায়গা জমি দখল করে রাউজানকে বসবাসের অযোগ্য করে তুলেছে। নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্ত্রাসীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান।