চট্টগ্রামের রাউজানে ফখরুল ইসলাম নামে এক প্রবাসীকে গলাকেটে হত্যার ঘটনায় আরও এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। গ্রেপ্তার আসামি হলেন— মো. নজরুল ইসলাম ওরফে কালন। তিনি সাবেক ইউপি সদস্য।

মঙ্গলবার দুপুরে তাকে চট্টগ্রাম আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় পুলিশ। এর আগে গত সোমবার সন্ধ্যায়  উপজেলার চিকদাই ইউনিয়নের দক্ষিণ সর্ত্তা এলাকা থেকে র‌্যাবের একটি দল গ্রেপ্তার করে থানায় হস্তান্তর করে। 

রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল্লাহ আল হারুন বলেন, ফখরুল হত্যা মামলার পরোয়ানাভুক্ত পলাতক এক আসামিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে। মঙ্গলবার সকালে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

২০১৮ সালের ১৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় গহিরা চৌমুহনীর উত্তর পাশে জনতা ব্যাংকের পেছনের চারতলা বিশিষ্ট  প্রবাসী আবু তাহেরের বাসার তৃতীয় তলার ভাড়াটিয়া ঘর থেকে আগুনের ধোঁয়া বের হতে দেখলে স্থানীয়রা দ্রুত আগুন নেভাতে যান। তারা আগুন নেভাতে গিয়ে বাসাটির সিঁড়িসহ ফ্লোরে রক্তের দাগ দেখে বাসার ছাদে উঠে দেখেন, গলাকাটা অবস্থায় পড়ে ছিল উম্মে হাবিবা মায়ার স্বামী ফখরুল ইসলামের রক্তাক্ত দেহ। সঙ্গে সঙ্গে সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে গহিরা জে কে মেমোরিয়াল হাসপাতালে, পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তিনদিন হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে ২০ অক্টোবর মারা যান ফখরুল। ঘটনায় পুলিশ ফখরুলের স্ত্রী উম্মে হাবিবা মায়া ও শাশুড়ি রাশেদা আকতারকে গ্রেপ্তার করে। এ ঘটনায় ফখরুল ইসলামের ছোট ভাই নুরুল ইসলাম বাদী হয়ে রাউজান থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় ফখরুলের স্ত্রী উম্মে হাবিবা মায়া, মা রাশেদা আকতার, খালাতো ভাই খোরশেদ (৩১), বাসার দারোয়ান মো. হালিম (৩৬) (অজ্ঞাত) চিহ্নিত এবং আরও ৫-৬ জনকে অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়।