সীতাকুণ্ডে কদমরসুল (কেশবপুর) এলাকায় অবস্থিত সীমা অক্সিজেন প্ল্যান্ট কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণে দায়িত্বে অবহেলা ও বিস্ফোরণ পরবর্তীতে অসহযোগিতার অভিযোগে নিহত শ্রমিকের স্ত্রী রোকেয়া বেগম বাদী হয়ে মামলা করেছে।  
জানা যায়, সোমবার দিবাগত রাত ১২ টার পর নিহত শ্রমিক আব্দুল কাদেরের স্ত্রী রোকেয়া বেগম কারখানার মালিক-কর্মকর্তাসহ ১৬ জনকে আসামি করে।
আসামীরা হলেন, সীমা অক্সিজেন প্ল্যান্টের এমডি মো.মামুন উদ্দিন (৫৫) ,পরিচালক পারভেজ হোসেন সান্টু (৪৮), আশরাফ উদ্দিন বাপ্পি (৪২), কারখানার প্ল্যান্ট ব্যবস্থাপক আব্দুল আলীম (৪৫), প্ল্যান্ট অপারেটর ইনচার্জ সামসুজ্জামান শিকদার (৬২), প্ল্যান্ট অপারেটর খুরশিদ আলম (৫০), সেলিম জাহান (৫৮), নির্বাহী পরিচালক মো. কামাল উদ্দিন, প্রশাসনিক কর্মকর্তা গোলাম কিবরিয়া, সামিউল, শান্তনু রায়, সুপারভাইজার ইদ্রিস আলী, সানা উল্লাহ, সিরাজ উদ-দৌলা, রাকিবুল, রাজিব।এজাহারের বিবরণে উল্লেখ্য করা হয়, কারখানা কর্তৃপক্ষ সেখানে অক্সিজেন সিলিন্ডারের পাশাপাশি অননুমোদিত কার্বন-ডাই-অক্সাইড ও নাইট্রোজেন সিলিন্ডার ব্যাপক পরিমাণে মজুত করে রাখে। অনিয়মের এখানেই শেষ নয়, কারখানাটিতে ছিল না অগ্নি নিরাপত্তা ব্যবস্থা। কারখানা চালুর পর থেকে অগ্নি নির্বাপণ মহড়া দেয়নি। পাশাপাশি কারখানাটির লাইসেন্স আছে কিনা তা  নিয়েও ধোঁয়াশা।তদন্ত কমিটির চট্টগ্রাম জেলা অতিরিক্ত ম্যাজিষ্ট্রেট রাকিব হাসানের নেতৃত্বে কারখানায় প্রাথমিক তদন্ত কাজ চলাকালীন গাফিলতি ও দায়িত্বে অবহেলা পরিলক্ষিত হয়।তাছাড়া মালিকসহ সংশ্লিষ্টরা প্রতিষ্ঠানে যথাযথ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ না করে বিপদ জনকভাবে গ্যাস উৎপাদন, ভর্তিসহ সরবরাহ এবং নিয়মিত পরীক্ষা পূর্বক রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থা না রাখায় এ দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটে।এদিকে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা  পরিদর্শক (তদন্ত) আবু সাঈদ মামলাটি তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন বলে জানান।

এব্যাপারে মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ তোফায়েল আহমদ মামলা রুজ্জুর কথা স্বীকার করে বলেন,যথাযথ ভাবে তদন্ত করে আসামীদেরকে গ্রেফতারের ব্যবস্হা করবো।