নগরীর কালুরঘাট সেতু বন্ধের পর অধিকাংশ সময় ধরে একটি ফেরি চলাচল করায় সাধারণ মানুষ বিপাকে পড়েছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নৌকায় কর্ণফুলী নদী পারাপারে মানুষের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। দুইটি ফেরি চালু থাকার কথা থাকলেও দিনের বেশির ভাগ সময় ফেরি চালু থাকে একটি, অপরটি থাকে বন্ধ। এতে দুই পাড়ে দীর্ঘ লাইন পড়ে গাড়ির।ফেরি চলাচলে নিয়ন্ত্রন করছে রাজনৈতিক চত্রছায়ায় থাকা  শামশুল আলম , মো: আজম ,মিনাহাজুর রহমান (ঝুমন) , নিজাম উদ্দীন মো: বাহাদুর, সুমনসহ এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা। এদের  বিরুদ্ধে থানায় একাধিক  মামলা থাকলে বহাল-তবিয়তে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে।
 

কিশোর গ্যাং সৃষ্টি করে এই চক্রটি নানা অপরাধকর্মে জড়িত । কালোরঘাট ফেরি পারাপারে চাঁদাবাজি, ছিনতাই, জুয়া ,মদ, ইয়াবা, মারামারিসহ বোয়ালখালী থেকে আসা নৌকা ও বোটের মাঝিদের থেকে প্রতি ৩০ টাকা হারে চাঁদা আদায় । ফরেস্ট জায়গা জবর দখল করে তাতে ভাড়া দেওয়া, খেজুরতলার আশে পাশে আরকান রোডের দুই পাশে বালি রেখে চাঁদা আদায়, কি.পি.এম. এর খালি সরকারী সম্পত্তি দখলে ব্যস্ত ।জেল থেকে জামিনে এসে আসামীরা আরো বেপরোয়া ও লাগামহীন । তাদের অবৈধ চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণে ১টি চুরিকাগাতে এক যুবক নিহত । তারা সম্পূর্ণ এলকাকাকে জিম্মি করে রেখেছে কেউ ভয়ে কথা বলে না। কথায় কথায় অস্ত্রের ভয় দেখায়।
 

 মোঃ আবদুল হাকিম  নামে এক ব্যক্তি তার দুই ছোট ভাই মোঃ সালাহ উদ্দিন ও মোঃ মামুনকে হত্যার চেষ্টা ও দোকানে লুটের অভিযোগে গত ২৪শে এপ্রিল ২৩ ইংরেজী    চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। আসামীরা জামীনে এসে  মামলা  ‍তুলে নিতে বাদীকে হুমকি ধমকি দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া যায়।বাদী ভয়ে এই বিষয়ে কথা বলতে নারাজ। তবে তাদের এক আত্মীয় স্বীকার করেন বাদীকে মামলা তুলে নিতে হুমকি দিচ্ছে।

মোহরা ওয়াড আওয়ামী লীগের সভাপতি নাজিম উদ্দীন চৌধুরীর কাছে সন্ত্রসীদের নাম উল্লেখ করে রাজনৈতিক আশ্রয়ে সন্ত্রাসী কাযক্রম পরিচালনা করছেন জানতে  চেয়ে মোবাইলে ফোন করলে , তিনি ব্যস্ত আছেন এবং দুই ঘন্টা পরে ফোন করার কথা বলে মোবাইল সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন, চারটার দিগে পূর্ণরায় ফোন মির্টিং আছে জানিয়ে মোবাইল সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

 চান্দগাঁও  থানা অফিসার ইনর্চাজ খায়রুল ইসলাম বলেন, আপরাধীদের কোন ছাড় দেওয়া হবে না।অপরাধ করলেই আইনের  আওতায় আনা হবে ।