বাকলিয়া কল্পলোক আবাসিকের দক্ষিণ পূর্ব সাইড সংলগ্ন বি এস খতিয়ান নং ৫৯০ দাগ নং ৪৫৪২ দাগের ভুমি এক্সিম ব্যাংকের মর্টগেজ দলিলের তথ্য গোপন করে। ভূয়া অকার্যকর আমমোক্তার দলিল নং ৬৬৫৭ তাং ২১/১২/১৭ ইং উক্ত দলিল বিগত ০১/০৬/২০২১/ইং ২২৩৯ নং দলিল মুলে রেজিস্ট্রি অফিসে বাতিল হয়ে যায় এই বাতিল দলিল ব্যবহার করে সিনিয়র সহকারী জজ আদালতের অপর মামলা নং  ২৬৭৬/২২ ইং মামলায় বিজ্ঞ আদালত নিষেধাজ্ঞা জারি করেন উক্ত নিষেধাজ্ঞায় বিজ্ঞ আদালত ফোরকান ও সাইফুলের আমমোক্তারে মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত আদেশ দিয়ে বারিত করেন এতদসত্ত্বেও সরোয়ার, আজম নামীয়,ব্যাক্তিদ্বয় মহানগর যুব লীগের মহিউদ্দিন রনি, সাবেক ওয়ার্ড কমিশনার হারুন, এবং তার সহযোগী টোকাই মজ্যার বিশাল সিন্ডিকেট তৈরি করিয়া রাতারাতি দখল করে নিচ্ছেন নিরীহ মানুষের ভূমি। তাদের অপকর্মের সহযোগিতার নেপথ্যে আছে পুলিশ।

 ভোক্ত ভোগী সুত্রে জানা যায় গতকাল ভূমিদস্যু সরোয়ার মহানগর বিএনপির  নাম ভাঙিয়ে এবং স্থানীয় চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের ব্যবহার করিয়া।

 আলকরন ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আব্দুল ছালাম মাসুমের ড্রেজার দিয়ে রাতারাতি পাঁচ কানি ভুমি ভরাট করে নিজেদের দখলে নেওয়ার প্রাক্কালে ভোক্তভোগী শাহজাহানের সহিত সংঘর্ষ বাধে।

 এই ব্যাপারে শাহজাহান স্থানীয় বাকলিয়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন এবং বিজ্ঞ আদালতে ১৪৫ ধারার মামলা করেন। ঘটনার বিবরণে জানা গেছে বনিত বি এস ৪৫৪২ ৪৫৪৩ দাগের সম্পত্তির একক মালিক এজাহার মিয়া। তাহার নামে ধারাবাহিক বি এস ৫৯০ খতিয়ান এককভাবে চুড়ান্ত আছে, এমতাবস্থায় তিনি ভোগ দখলে থাকাবস্থায় তাহার পাঁচ পুত্রের নামে বিগত ১৯৯৩ ইং ২৫৯৬ দানপত্র দলিল মূলে বত্রিশ কানি সম্পত্তি দান করেন। দানসুত্রে পাঁচ পূত্রের নামে বি এস নামজারি ১৭২০ নং খতিয়ান পাঁচ পুত্রের নামে চুড়ান্ত আছে।উক্ত পাঁচ পুত্রের মধ্যে জুনায়েদ এর সম্পত্তি ভুমিদশূ্ ওয়ার্ড কাউন্সিলর হারুন আমমোক্তার নিয়ে ইছহাক ডিপুর ইউনুস সাহেব বরাবর বিক্রি করে দেন।

 অথচ তখন জুনায়েদ ছিল শারীরিক প্রতিবন্ধী , পরে ইছহাক ডিপু এই দলিলের সম্পত্তি একসিম ব্যাংকের নিকট বন্ধক দিয়ে দিয়ে দিলে উক্ত বন্ধকি দলিল গোপন করে ভূমি দশূ্ ফোরকান একই ভুমির উপর আরেকটা আমমোক্তার সৃজন করেন। পরে এই পাঁচ কানি ভুমি অবৈধভাবে দখল করে নেয়। যার আনুমানিক মূল্য ত্রিশ কোটি টাকা

বাকলিয়া কল্পলোক আবাসিকের দক্ষিণ পূর্ব সাইড সংলগ্ন বি এস খতিয়ান নং ৫৯০ দাগ নং ৪৫৪২ দাগের ভুমি এক্সিম ব্যাংকের মর্টগেজ দলিলের তথ্য গোপন করে।

ভূয়া অকার্যকর আমমোক্তার দলিল নং ৬৬৫৭ তাং ২১/১২/১৭ ইং উক্ত দলিল বিগত ০১/০৬/২০২১/ইং ২২৩৯ নং দলিল মুলে রেজিস্ট্রি অফিসে বাতিল হয়ে যায় এই বাতিল দলিল ব্যবহার করে সিনিয়র সহকারী জজ আদালতের অপর মামলা নং  ২৬৭৬/২২ ইং মামলায় বিজ্ঞ আদালত নিষেধাজ্ঞা জারি করেন উক্ত নিষেধাজ্ঞায় বিজ্ঞ আদালত ফোরকান ও সাইফুলের আমমোক্তারে মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত আদেশ দিয়ে বারিত করেন এতদসত্ত্বেও সরোয়ার, আজম নামীয়,ব্যাক্তিদ্বয় মহানগর যুব লীগের মহিউদ্দিন রনি, সাবেক ওয়ার্ড কমিশনার হারুন, এবং তার সহযোগী টোকাই মজ্যার বিশাল সিন্ডিকেট তৈরি করিয়া রাতারাতি দখল করে নিচ্ছেন নিরীহ মানুষের ভূমি।তাদের অপকর্মের সহযোগিতার নেপথ্যে আছে পুলিশ, ভোক্তা ভোগী সুত্রে জানা যায় গতকাল ভূমিদস্যু সরোয়ার মহানগর বিএনপির  নাম ভাঙিয়ে এবং স্থানীয় চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের ব্যবহার করিয়া। আলকরন ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আব্দুল ছালাম মাসুমের ড্রেজার দিয়ে রাতারাতি পাঁচ কানি ভুমি ভরাট করে নিজেদের দখলে নেওয়ার প্রাক্কালে ভোক্তভোগী শাহজাহানের সহিত সংঘর্ষ বাধে।

 এই ব্যাপারে শাহজাহান স্থানীয় বাকলিয়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন এবং বিজ্ঞ আদালতে ১৪৫ ধারার মামলা করেন। ঘটনার বিবরণে জানা গেছে বনিত বি এস ৪৫৪২ ৪৫৪৩ দাগের সম্পত্তির একক মালিক এজাহার মিয়া । তাহার নামে ধারাবাহিক বি এস ৫৯০ খতিয়ান এককভাবে চুড়ান্ত আছে, এমতাবস্থায় তিনি ভোগ দখলে থাকাবস্থায় তাহার পাঁচ পুত্রের নামে বিগত ১৯৯৩ ইং ২৫৯৬ দানপত্র দলিল মূলে বত্রিশ কানি সম্পত্তি দান করেন। দানসুত্রে পাঁচ পূত্রের নামে বি এস নামজারি ১৭২০ নং খতিয়ান পাঁচ পুত্রের নামে চুড়ান্ত আছে। উক্ত পাঁচ পুত্রের মধ্যে জুনায়েদ এর সম্পত্তি ভুমিদশূ্ ওয়ার্ড কাউন্সিলর হারুন আমমোক্তার নিয়ে ইছহাক ডিপুর ইউনুস সাহেব বরাবর বিক্রি করে দেন। অথচ তখন জুনায়েদ ছিল এফ নরমাল, পরে ইছহাক ডিপু এই দলিলের সম্পত্তি একসিম ব্যাংকের নিকট বন্ধক দিয়ে দিয়ে দিলে উক্ত বন্ধকি দলিল গোপন করে ভূমি দশূ্ ফোরকান একই ভুমির উপর আরেকটা আমমোক্তার সৃজন করেন। পরে এই পাঁচ কানি ভুমি অবৈধভাবে দখল করে নেয়। যার আনুমানিক মূল্য ত্রিশ কোটি টাকা।

আদালত থেকে খারিজ যাওয়া অকার্যকর আমোক্তোর ও ইছাক ডিপোর কর্মচারী ফোরকান বলেন, উক্ত সম্পত্তি এক্সিম ব্যাংকের বন্ধকি সম্পত্তি । ব্যাংক থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে তাদের সম্পত্তি দৃশ্যমান বুঝিয়ে দিতে। ইছাক ডিপোর  মালিক ব্যাংকে বন্দক দেওয়া তথ্য গোপন করে আমাকে আমমোক্তারনামা নিয়োগ করে প্রতারণা করেছেন। সরোয়ার ইছাক ডিপু মালিকের আত্মীয়।

 

বিএনপি'র কেন্দ্রীয় ও নগর নেতাদের নাম ভাঙ্গিয়ে  জায়গা দখলের অভিযোগ সরোয়ারের বিরুদ্ধে। এই নিয়ে সরোয়ারের বক্তব্য নিতে চাইলে তিনি বলেন, ইছাক ডিপুর মালিকের অনুরোধ  আমি উক্ত জায়গায় যায় । উক্ত জায়গাটি পালাতক ও বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের করা মামলায় এজহারভুক্ত আসামি যুবলীগের নেতা মহিউদ্দিন রনির নির্দেশে আরেক পলাতক আসামী স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা নেজামের নেতৃত্বে টোকাই মইজ্জ্য দখল করেন। এ নিয়ে থানায় দুই পক্ষকে বৈঠকে ডাকা হয়েছে।