এই ওসি আলমগীরের জন্য সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসান মাহমুদ ২০২২ সালে "সকালের চট্টগ্রাম" পত্রিকার রিপোর্টারকে হুমকি দিয়েছিলেন, "সকালের চট্টগ্রাম" পত্রিকার রেজিস্ট্রেশন বাতিল করে দিবেন বলে । ওসি আলমগীর হাসান মাহমুদ এর আত্মীয় ছিলেন, তবে মাসিক টাকার আত্মীয়।
চট্টগ্রাম নগরের চকবাজার থানার সাবেক ওসি মুহাম্মদ আলমগীর ২০১৮-২০১৯ করবর্ষের সম্পদ বিবরণীতে মৎস্য প্রকল্প খাতে আয় দেখিয়েছেন ৭৬ লাখ ৪৮ হাজার ৩০০ টাকা। একই খাতে তার স্ত্রী তাসলিমা আক্তার আয় দেখিয়েছেন ৯০ লাখ ৪৫ হাজার ৮২০ টাকা। বাস্তবে স্বামী-স্ত্রী দুজনেরই এরকম কোন মৎস্য প্রকল্পের অস্তিত্ব নেই। সম্প্রতি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের তদন্তে এ অনিয়ম ধরা পড়েছে। চট্টগ্রাম আয়কর বিভাগ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। কর কর্মকর্তারা বলছেন, গেল দুই করবর্ষে স্বামী-স্ত্রী দুজনের সম্পদ বিবরণীতে মৎস্য প্রকল্প খাতে প্রায় চার কোটি টাকা আয় দেখিয়েছেন। যার পুরোটাই অবৈধ উপায়ে অর্জিত। বিপুল পরিমাণ এ টাকা সাধারণ আয় হিসেবে গণ্য করে কালো টাকা সাদা করার অপকৌশলকে নস্যাৎ করে দেন। দাবি এনবিআর কর্মকর্তাদের। এখানেই শেষ নয়, পুলিশ কর্মকর্তা আলমগীর এবং তার স্ত্রীর সম্পদ বিরবণীতে আছে অঢেল সম্পদের পিলে চমকানো তথ্য।
সম্পদ বিবরণী অনুযায়ী- ন্যাশনাল ব্যাংক, ব্রাক ব্যাংকসহ বিভিন্ন ব্যাংকে ওসি আলমগীরের আছে প্রায় দেড়কোটি টাকার ৯টি এফডিআর একাউন্ট। তার আছে ৩০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র। করেছেন ২০ লাখ টাকার বীমা। স্ত্রী তাসলিমার আছে ২০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র। ওসি আলমগীর ২০১৮-২০১৯ করবর্ষে তার মোট সম্পদের পরিমাণ দেখান ২ কোটি ২৪ লাখ ৯৩ হাজার ৩১৬ টাকা। এর আগের করবর্ষে তার মোট সম্পদের পরিমাণ ছিল ১ কোটি ১৪ লাখ ৯৬ হাজার ৩০২ টাকা। এ হিসেবে এক বছরেই তার সম্পদের পরিমাণ বেড়ে হয়েছে দ্বিগুণের বেশি।
২০১৮-২০১৯ করবর্ষে তার স্ত্রী তাসলিমা মোট সম্পদের পরিমাণ দেখান ১ কোটি ৫২ লাখ ৩৩ হাজার ১৬৯ টাকা। এর আগের (২০১৭-২০১৮) করবর্ষে তার মোট সম্পদের পরিমাণ ছিল ১ কোটি ২৩ লাখ ৫৫ হাজার ৭০৮ টাকা। এক বছরে তার সম্পদ বেড়েছে প্রায় ৩০ লাখ টাকার। তাসলিমা আক্তার ২০১৯-২০২০ করবর্ষে মৎস্য বিক্রি খাতে আয় দেখিয়েছেন ১ কোটি ৮ লাখ ১৭ হাজার ৫৮০টাকা।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ওসি পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা হিসেবে আলমগীর এবং সাধারণ গৃহিণী হিসেবে তার স্ত্রী তাসলিমার বিগত ৪-৫ বছরে বিপুল সম্পদের মালিক বনে যাওয়ার বিষয়টি নজরে আসে এনবিআর’র। এরপর দুজনেরই দুই কর বর্ষের (২০১৮-২০১৯ এবং ২০১৯-২০২০) আয়কর রিটার্ন অডিটের আওতায় আনে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তদন্তে জানা গিয়েছে, দুজনের সম্পদ বিবরণীতে প্রর্দশিত মৎস্য প্রকল্পের কোন অস্তিত্ব নেই।
পুলিশ কর্তা স্বামী এবং স্ত্রীর সম্পদ বিবরণী বিশ্লেষণ করে এনবিআর কর্মকর্তারা জানান, আয়ের সঙ্গে স্বামী স্ত্রীর জীবনযাপন সংগতিপূর্ণ নয়। তাদের আছে বিপুল পরিমাণ কৃষি-অকৃষি সম্পত্তি, আর্থিক সম্পদ, গাড়ি, গয়না, আসবাবপত্র, বিভিন্ন ব্যাংকে আছে লাখ লাখ টাকার স্থায়ী আমানত। চট্টগ্রাম শহরের নাসিরাবাদ, বায়েজিদ বোস্তামি এলাকা ছাড়াও গ্রামের বাড়ি রাগুনিয়ার ধামাইরহাট এলাকায় তাদের আছে একাধিক প্লট-ফ্ল্যাট, কৃষি-অকৃষি সম্পত্তি, আছে বেসরকারি হাসপাতালের শেয়ারও। বায়েজিদ বোস্তামি থানাধীন রুপনগর আবাসিক এলাকায় ওসি আলমগীর জনৈক বাবুল এর কাছ থেকে কিনেছেন ৫ কাঠা প্লট। দক্ষিণ খুলশি ও নাসিরাবাদ হাউজিং সোসাইটিতে আছে দুই ইউনিট বিশিষ্ট দুটি ৬ তলা ভবন। নাসিরাবাদ প্রোপার্টিজের গলির ভেতরে ৫ নম্বর রোডে অবস্থিত একটি ভবনের চারতলায় আছে ৪০০০ বর্গফুটের দুটি ফ্ল্যাট।
যদিও পুলিশ প্রবিধান ১১২ এর অনু”েছদ ‘খ’ তে বলা আছে, ‘কোন সরকারি কর্মচারী যেই জেলায় নিযুক্ত আছেন সেই জেলায় কর্মরত কোন কোন কোম্পানির শেয়ার ক্রয় করিতে পারিবেন না।’ পুলিশ প্রবিধানের ১১১ অনুছেদে বলা হয়েছে, কোন সরকারি কর্মচারী যদি এমন জেলায় বদলির নির্দেশ পান যেখানে তাহার শেয়ার আছে এমন কোম্পানির কাজ চলিতেছে তাহা হইলে তাৎক্ষণিক তিনি উক্ত শেয়ারের মালিকানা সম্পর্কে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার মারফত ইন্সপেক্টর জেনারেলকে রিপোর্ট করিবেন।কিন্তু মৎস্য চাষ, জমি ও শেয়ার ক্রয়ে পুলিশ সদর দপ্তরের অনুমতি নেওয়ার কথা পুলিশ প্রবিধানে বলা হলেও ওসি আলমগীর তা মানেননি বলে অভিযোগ আছে। এই প্রসঙ্গে পুলিশ সদর দপ্তরের এডিশনাল আইজি বলেন, “ওসি আলমগীর এত সম্পদ অর্জন করে থাকলে তিনি সরকারি কর্মচারী আচরণ বিধি লঙ্ঘন করেছেন। যাইহোক বিষয়টি দুদক ও এনবিআর দেখবে।”
ওসি আলমগীরের বিরুদ্ধে ২০১৮ সালের আগস্ট মাসে উত্তর রাগুনিয়ার দক্ষিণ রাজানগর গ্রামের বাসিন্দা হামিদ উল্লাহ নামে এক ব্যক্তি পুলিশ সদর দপ্তরে অভিযোগ করেন। এতে তিনি উল্লেখ করেন, ওসি আলমগীর দুর্নীতির মাধ্যমে ২৩৫ কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। তিনি উদ্ধার হওয়া মাদক সরকারিভাবে কম দেখিয়ে বাকিগুলো বিক্রি করে দেন। নিরীহ মানুষকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে দেন। তার স্ত্রী’র নামে আছে কোটি কোটি টাকা। বাড়ি-গাড়ি করেছেন। অভিযোগ পেয়ে ওসি আলমগীরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ২০১৮ সালের ৭ আগস্ট স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব খাদিজা তাহেরা ববি সিএমপি কর্তৃপক্ষের কাছে একটি চিঠি (স্মারক-৪২০) দেন।
হামিদ উল্লাহর অভিযোগটি পুলিশের পাশপাশি দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয় ২-ও তদন্ত করছে। ওসি আলমগীরের বিরুদ্ধে উঠা অভিযোগ তদন্ত করেন চলতি বছর জুন মাসে চট্টগ্রাম বদলি হওয়া সংস্থাটির সাবেক উপসহকারী পরিচালক শরীফ উদ্দিনও। আজ বৃহস্পতিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকালে শরীফ উদ্দিন বলেন, ‘আমি চট্টগ্রাম থেকে বদলি হওয়ার আগে ওসি আলমগীরের বিষয়টি তদন্ত করেছি। তবে শেষ করতে পারিনি। তদন্তে ওসি আলমগীর ও তার স্ত্রীর অবৈধ উপায়ে সম্পদ অর্জনের তথ্য-উপাত্ত উঠে আসে। আমি তাদের সম্পদের ডিক্লেরেশন দিয়েছি। এরপরই তো তারা এনবিআর এ সম্পদ বিবরণী জমা দিয়েছে।’
নাম প্রকাশ না করে সিএমপি’র অন্যতম এক শীর্ষ কর্মকর্তা জানান, ১৯৯৯ সালের এসআই হিসেবে পুলিশ বাহিনীতে যোগ দেন ওসি আলমগীর। পরিদর্শক হিসেবে পদোন্নতি পাওয়ার পর তিন বার (ংধঃ সরংংরড়হ) এ যান। তিন বার মিশনে গিয়ে তিনি আয় করেছেন ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা। তার চাকরির বয়স হয়েছে ২১ বছর ৯ মাস। এ ২১ বছরে বেতনভাতা বাবদ প্রাপ্ত টাকার অর্ধেক খরচ করলেও এক বছরে তার সঞ্চয় থাকার কথা দেড় থেকে দুই লাখ টাকা। এ হিসেবে বেতন বাবদ তার সঞ্চয় দাঁড়ায় প্রায় ৪২ লাখ টাকা। মিশনে যাওয়া এবং পুরো চাকরি জীবনের বেতন বাবদ এখন পর্যন্ত সঞ্চয় দাঁড়ায় নগদ ২ কোটি ২২ লাখ টাকা। অথচ ওসি আলমগীর ২০১৮-২০১৯ করবর্ষে তার মোট সম্পদের পরিমাণ দেখান ২ কোটি ২৪ লাখ ৯৩ হাজার ৩১৬ টাকা। বাকি কোটি কোটি টাকা কোত্থেকে এল, প্রশ্ন ওই কর্মকর্তার।
জানা গেছে, চট্টগ্রাম কর সার্কেল ৪১, (ট্যাক্স জোন ২) এ ওসি মুহাম্মদ আলমগীরের দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীর ৩ নং শিডিউলে তার ৩০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র আছে বলে উল্লেখ করেন। সোনালী ব্যাংক লিমিটেড, আগ্রাবাদ কর্পোরেট ব্রাঞ্চ থেকে ২০১৭ সালের ১২ ডিসেম্বর তিনি এ সঞ্চয়পত্র ক্রয় করেন। ( রেজিষ্ট্রেশন নং ০০৯৮২/২০১৭)। ২০১৮-২০১৯ করবর্ষের নথি অনুযায়ী, পলি হসপিটাল লিমিটেড নামে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন খাতে ওসি আলমগীর বিনিয়োগ দেখান ৩২ লাখ ২ হাজার ১৬০ টাকা। ২১ লাখ ৫০ হাজার টাকায় কিনেছেন প্রাইভেট কার (চট্ট মেট্রো-গ-১৩-৩২০০)। একই করবর্ষে স্বর্ণ, ফার্ণিচার, বৈদ্যুতিক সরঞ্জামসহ সব মিলিয়ে তার সম্পদ এবং বিনিয়োগ মোট পরিমাণ দেখিয়েছেন ৯১ লাখ ৯ হাজার ১৪৭ টাকা।
২০১৮ সালের ২৭ ডিসেম্বর বীমা করেছেন ২০ লাখ টাকার (জীবন বীমা কর্পোরেশন)। তার পলিসি নং ০০১৫৬৩৯৪৭৯)। ন্যাশনাল ব্যাংক, চট্টগ্রামের জুবীলি রোড শাখায় আছে প্রায় ৩২ লাখ টাকার এফডিআর। একাউন্ট নং ০০১৬৫৫০৪৭৬৮১। একই ব্যাংকে পৃথক তিনটি হিসাব নম্বর যথাক্রমে ০০১৬৫৫০৪৬৯২৩ নং এ আছে আছে প্রায় ২৪ লাখ টাকা, ০০১৬৫৫০১৫৮৮১ নম্বরে প্রায় ২১ লাখ টাকা, এবং ০০১৬৫৫০৪৫৮০১ নং এ আছে প্রায় ১৪ লাখ টাকার এফডিআর। এছাড়া এফডিআর আছে ৫ লাখ ৯৭ হাজার টাকার, ১৮ লাখ ৯৬ হাজার ৭৭৬ টাকার। এ ব্যাংকে সঞ্চয়ী হিসাব নং (০০১৬৩৪০৭৩৯৪৭) লেনদেনের তথ্যে ২০১৯ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত ব্যাংক ব্যালেন্স ছিল ১৮ লাখ ৯৬ হাজার ৭৭৬ টাকা ৪৮ পয়সা।
২০১৯-২০২০ করবর্ষে সম্পদ বিবরণীতে রাংগুনিয়ার পশ্চিম নিচিন্তাপুর মৌজায় কৃষি সম্পদের পরিমাণ দেখান ৫৭ লাখ ২৬ হাজার টাকা মূল্যের প্রায় ১৪৩ ডেসিমাল জমি। ২০১৮ সালের ১ জুলাই পর্যন্ত ব্যাংক হিসাবে ক্যাশ এন্ড ব্যালেন্স দেখানো হয়েছে ৯১ লাখ ৯ হাজার ১৪৭ টাকা। বেতন, ব্যাংক ইন্টারেস্ট, মৎস্য খামার এবং সঞ্চয়পত্র খাতে লভ্যাংশ বাবদ আয় দেখিয়েছেন ১ কোটি ৩৬ লাখ ৭২ হাজার ৫৫৭ টাকা। ২০১৮-২০১৯ করবর্ষে সম্পদ বিবরণীতে ওসি আলমগীরের স্ত্রী তাসলিমা আক্তার ব্যবসা খাতে বার্ষিক আয় দেখান ৭ লাখ ৬৭ হাজার ৭০০ টাকা। সম্পদ বিবরণীর ৩ নং শিডিউল (ইনভেস্টমেন্ট ট্যাক্স ক্রেডিট) ২০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র ক্রয় করার কথা উল্লেখ করেন তার স্ত্রী তাসলিমা।
তাসলিমা আক্তারের ২০১৯-২০২০ করবর্ষের সম্পদ বিবরণী বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, নগরের পাঁচলাইশ মৌজায় ২৩ লাখ ৯৩ হাজার টাকা মূল্যের ৪ দশমিক ৩৩ ডেসিমাল এবং একই মৌজায় ২৫ লাখ ৯১ হাজার টাকা দামের ৪ ডেসিমাল জায়গা। ২০১৮ সালের ১ জুলাই ব্যাংক ব্যালেন্স দেখানো হয়েছে ২৪ লাখ ২১ হাজার ৭০৮ টাকা। মৎস্য খামার থেকে আয় দেখিয়েছেন ২৮ লাখ ৪৬ হাজার ৬৭০ টাকা। ২০১৯ সালের জুন পর্যন্ত তার ব্যাংক ব্যালেন্স দেখানো হয় ৫০ লাখ ৪৮ হাজার ৫১৯ টাকা। একই কর বর্ষে আয়করসহ েেমাট ব্যয় দেখান ১২ লাখ ৫০ হাজার ৬৫০ টাকা। ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে তাসলিমা মোট সম্পদের পরিমাণ দেখান ১ কোটি ৫২ লাখ ৩৩ হাজার ১৬৯ টাকা।
তাসলিমা তার সম্পদ এবং দায় বিবৃতিতে ব্যবসায় মূলধন দেখান ৩৮ লাখ ৭৭ হাজার ৪৬১ টাকা। এর মধ্যে রিটার্ন আয় দেখান ১০ লাখ ৩০ হাজার ৭৯১ টাকা, মৎস্য চাষ খাতে আয় দেখিয়েছেন ২৮ লাখ ৪৬ হাজার ৬৭০ টাকা। এর আগে ২০১৮-২০১৯ কর বর্ষে তার নেট আয় দেখানো হয়েছিল ১ কোটি ২৩ লাখ ৫৫ হাজার ৭০৮ টাকা। এর মধ্যে তার মৎস্য প্রকল্প খাতে ৯০ লাখ ৪৫ হাজার ৮২০ টাকা, প্রাথমিক ব্যবসায় মূলধন ২৬ লাখ টাকা, ম্যারিজ গিফট খাতে দেখান ২ লাখ ২০ হাজার টাকা। অকৃষি খাতে আয় দেখান ৪৯ লাখ ৮৪ হাজার টাকা। শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ দেখান ২০ লাখ টাকা। ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে মৎস চাষ করে বিক্রি খাতে আয় দেখানো হয়েছে ১কোটি ৮ লাখ ১৭ হাজার ৫৮০ টাকা। মৎস চাষ খাতে ব্যয় দেখান ৭৬ লাখ ৮৮ হাজার ১৭টাকা। মৎস চাষ খাতে নেট ইনকাম দেখান ২৮ লাখ ৪৬ হাজার ৬৭০ টাকা।
জানা গেছে, ওসি আলমগীরের গ্রামের বাড়ি রাংগুনিয়া থানাধীন ধামাইরহাট, দক্ষিণ রাজানগরে। তার বাবার নাম বাদশা মিয়া। বর্তমান ঠিকানা-নগরের কর্ণফুলী থানাধীন চরলক্ষা গ্রামের শামসুল আলম ভবন (প্রথম তলা)। তিনি সিএমপিতে যোগদান করেন ২০১০ সালের ২৩ নভেম্বর। তিনি সিএমপি'র গোয়েন্দা শাখা, আকবর শাহ, কর্ণফুলী এবং চকবাজার থানায় কর্মরত ছিলেন। বর্তমানে চট্টগ্রাম রেঞ্জে কক্সবাজার জেলায় লাইনওআর হিসাবে ওসি নেওয়ার অপেক্ষায় আছেন। তার প্রতিটি থানায় ওসি হিসাবে পদায়নের ক্ষেত্রে সাবেক পররাস্ট্রমন্ত্রী হাসান মাহমুদ ভূামকা পালন করেন,পেশাগত জীবনে পুরস্কার পেয়েছেন ৩৭টি। লঘু দ- পেয়েছেন ১৪টি। চাঁদপুর, রাংগামাটি, গোপালগঞ্জ, গাজীপুর ও কক্সবাজার জেলায়ও চাকরি করেন তিনি। বর্তমানে কক্সবাজার জেলায় লাইনওআর হিসাবে ওসি নেওয়ার অপেক্ষায় আছে।
বর্তমানে পুনরায় দুদক এর চট্টগ্রাম ডিএডি মোসাব্বির হোসেন পুনঃ তদন্ত করতেছে।