নিজস্ব প্রতিবেদক: ৫ই আগষ্ট ভারতে পালিয়ে যাওয়া আওয়ামী লীগের সভাপতি  ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের  আস্থাভাজন চট্টগ্রাম বন্দর কতৃপক্ষের বর্তমান চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামান বহালতবিয়তে আছেন।

চট্টগ্রাম বন্দর কতৃপক্ষের বর্তমান চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামান ২০২২ সালে ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের ব্যবন্থাপনা পরিচালক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। বিএসসির এমডি থাকা কালে রিয়ার অ্যাডমিরাল পদে উন্নীত হওয়া পর্যন্ত সেখানে দায়িত্ব পালন করেন। বাংলাদেশ শিপিংকর্পোরেশনের ব্যবন্থাপনা পরিচালক থাকা অবস্থায় চীনা প্রতিষ্ঠান থেকে বিনা টেন্ডারে  ৪ জাহাজ ক্রয়ে ৪ কোটি ডলার অতিরিক্ত দাম (অর্থাৎ দেশিয় ৫শত কোটি টাকা)দিয়ে জাহাজ কেনার চুক্তির অভিযোগ রয়েছে।এই বিষয়ে বাংলাদেশের জনপ্রিয় গণমাধ্যম প্রথমআলোতে সংবাদ প্রকাশিত হয়। পরবর্তীতে  বাংলাদেশ নৌবাহিনীর নৌ ফ্লিটের (কমব্যান) কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

৫ই আগষ্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখে ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ সরকারের প্রধান শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে গেলেও ১১ই আগষ্ট ২০২৪ বন্দরের চেয়ারম্যান হিসাবে যোগদান করেন।তিনি ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ সরকারের হয়ে কাজ করলেও অদৃশ শক্তির ইঙ্গিতে তাকে চট্টগ্রাম বন্দরের চেয়ারম্যান হিসাবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

ইতি মধ্যে জুলকারনাইন সায়ের নামে এক প্রবাসী সাংবাদিক ”সাখাওয়াত পুত্র'কে বন্দরের ফান্ড থেকে ৩২ হাজার টাকা মূল্যের সুটের কাপড় উপহার” দেওয়া নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দর কতৃপক্ষের বর্তমান চেয়ারম্যানের  বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে স্টাটার্স দেন। স্টাটার্স নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হইচই শুরু হয়। এই নিয়ে পক্ষে –বিপক্ষে কমেন্ট আসতে থাকে। একাধিক বন্দর সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,সরকারের ভিতরে আওয়ামী দোসরা আওয়ামী লীগের এজেন্ডা বাস্তবায়নে তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে, তারই ধারাবাহিকতার বন্দর চেয়ারম্যান বহাল তবিয়তে।