দ্বিতীয় পর্বে থাকছে....

 

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সহকারী নগর পরিকল্পনাবিদ (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো আবিদুর রহমান খানের নগরীতে ভূমি ব্যবহার ছাড়পত্র প্রদান, ভবন নির্মাণ, নকশা অনুমোদন, আবাসিক এলাকার লে-আউট অনুমোদনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সিন্ডিকেট বাণিজ্য নিয়ে।

লাগামহীন ঘুষ বানিজ্যের মাধ্যমে অবৈধ ভূমিব্যবহার ছাড়পত্র সহ প্ল্যান অনুমোদনে অথরাজেশন ও পরিকল্পনা শাখায় বিশৃঙ্খলা অস্থিরতা এবং চেইন অব কমান্ড সম্পূর্ন বিধস্ত করছেন বলে একাধিক সূত্র জানিয়েছে। সেবাগ্রগীতাসহ ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এই বিভাগে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই টাকা ছাড়া কোনো কাজ হয় না। বহুতল ভবনের নকশা অনুমোদনেও গড়ে উঠেছে চক্র। যার কারণে সেবাগ্রহীতারা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।  নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক আবেদনকারী অভিযোগ করেছেন, ‘ভূমি ব্যবহার ছাড়পত্রের (এলইউসি) জন্য তারা আবেদন করলেও দুই-তিন বছর পরও তারা এলইউসি পাননি। আবাসিক এলাকার অনুমোদন নেই-এমন অভিযোগে তাদের এলইউসি দেওয়া হচ্ছে না। আবার একই আবাসিক এলাকায় অনেককে এলইউসি দিয়েছে চউক। মূলত টাকাপয়সা না দেওয়ার কারণেই একই এলাকায় দুই আইন বাস্তবায়ন করছে চউকের পরিকল্পনা বিভাগ।