সংবাদ সম্মেলনে গতকাল ২৯ জুলাই বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জনাব গোলাম আকবর খোন্দকার এবং রাউজান উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের
নেতাকর্মীদের উপর হামলার বিস্তারিত তথ্য অবহিত করার লক্ষ্যে
আজ ৩০ জুলাই বিকাল: ৪টা ৩০ মিনিট নাসিমান ভবনস্থ দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন রাউজান উপজেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক জসিম উদ্দিন চৌধুরী।
লিখিত বক্তব্যে অধ্যাপক জসিম উদ্দিন চৌধুরী বলেন, গতকাল ২৯ জুলাই আমাদের প্রয়াত নেতা চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপি’র সাবেক সহ-সভাপতি ও
রাউজান উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি মরহুম মহিউদ্দিন আহমদের কবরে জিয়ারত করার
কর্মসূচি ছিল। সে অনুসারে চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা গোলাম আকবর খোন্দকার বিকাল ৪টা ৩০ মিনিটে সর্তারঘাট ক্রস করে রাউজানে যাওয়ার সময় গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী সমর্থিত
আজিজুল হক, সাবের সুলতান কাজল, মোহাম্মদ রিয়াজ, শাহজান সাহিল, লিটন মহাজন, শাহাদত মির্জা, ইউসুফ তালুকদার, মোহাম্মদ সোহেল, মোহাম্মদ একরাম, রাসেল খান, মোহাম্মদ শহিদ প্রমূখ সন্ত্রাসী সহ ৭০/৮০ জন সন্ত্রাসী অস্ত্র শস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বিএনপি’র নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালালে জনাব গোলাম আকবর খোন্দকার সহ প্রায় ৩০ জন নেতাকর্মী আহত হয়। এর মধ্যে গোলাম আকবর খোন্দকার হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করলে তিনি গুলিবিদ্ধ হন। এছাড়া রাউজান উপজেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন চৌধুরী,
সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের সভাপতি হাসান মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, পৌর বিএনপি'র সাধারণ সম্পাদক ইফতেখার উদ্দিন খান, বিএনপি নেতা নাসিম উদ্দিন, জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এইচ এম নুরুল হুদা, গোলাম আকবর খোন্দকারের পিএ অর্জুন কুমার নাথ, এপিএস আশিকুর রহমান, পৌর বিএনপি'র ৯নং ওয়ার্ডের সভাপতি আওররঙ্গজেব সম্রাট, নোয়াজিসপুর বিএনপি'র সভাপতি মুরাদুর রহমান বাবর, বিনাজুরী ইউনিয়ন বিএনপি'র সাধারণ সম্পাদক জিএম মোরশেদ, এনআই বাবুল, মহিউদ্দিন চৌধুরী, ছাত্রনেতা নাঈম উদ্দিন মিনহাজ, আনিছ উদ্দিন ইমন, শাফায়েত হোসেন রাকিব, মোহাম্মদ সাজ্জাত হোসেন, জয়নাল আবেদীন সোহেল, পৌর বিএনপি'র নেতা মোজাম্মেল হক লিটন, মোহাম্মদ সবুজ, মোহাম্মদ হুমায়ুন, মোহাম্মদ শাহজামান সহ ৩০ জন নেতাকর্মী আহত হয়। এই সময় গোলাম আকবর খোন্দকারের ব্যবহৃত পাজেরো জীপ ব্যাপক ভাঙচুর করে, ৯/১০ মোটর সাইকেল পুড়িয়ে ফেলে এবং ২০টি মোটর সাইকেল নিয়ে যায়।
এই সন্ত্রাসী বাহিনী ইতিমধ্যে রাউজানে ১৫জন মানুষ খুন করেছে। তারা চাঁদাবাজী, লুটপাট, বালু মহাল দখল, মাটি কাটা ও জায়গা জমি দখল করে রাউজানে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে এবং বসবাসের অযোগ্য গড়ে তুলেছে। আমরা ঘটনার সাথে জড়িত সন্ত্রাসীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনার দাবী জানান।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন রাউজান উপজেলা সভাপতি অধ্যাপক জসিম উদ্দিন চৌধুরী, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের সভাপতি হাসান মোহাম্মদ জসিম, পৌরসভা বিএনপি'র সভাপতি আবু মোহাম্মদ, শফিউল আলম চৌধুরী,এডঃ ফরিদা বেগম, জিয়াউদ্দিন, মুরাদুল আলম, নাছির উদ্দিন, এইচ এম নুরুল হুদা,জি এম মুর্শেদ,কমলেন্দু শীল, শরাফত উল্লাহ বাবুল, দিদারুল আলম,এড আবু সাঈদ,এন আই বাবুল,আব্দুল মান্নান, মাহবুবুল আলম,জসিম উদ্দিন, হাসান মোহাম্মদ মুর্শেদ, নুরুল আজিম, মোঃ আনোয়ার, শেখ মোঃ জাহাঙ্গীর আলম,মহিউদ্দিন চৌধুরী, ইমরানুল হক সোহেল,শাকিল ইসলাম মন্জুরুল আলম, নাঈম উদ্দিন মিনহাজ,রায়হান উদ্দিন ইরফান, শাফায়েত রাকিব,শাহজামান।