চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগে কর্মরত ডিএফও এস এম কায়চার কর্তৃক সুফল প্রকল্প সহ বিভিন্ন প্রকল্পের টাকা হরিলুট, সংরক্ষিত বনাঞ্চল ধবংস করে কাঠ পাচার এবং সংরক্ষিত বনাঞ্চল আত্মীয়স্বজন দিয়ে দখলসহ নানা অপর্কম করে কোটি কোটি টাকা অনিয়মের অভিযোগ।

 

 বর্তমানে চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের দায়িত্বে থাকা এস এম কায়চারের নিরব ভঙ্গিতে অনিয়মের মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। অভিযোগ রয়েছে গড়ে তুলেছে কোটি কোটি টাকার  সম্পদ। 

 

 ১৯৯৩ সালে সামাজিক বনায়ন প্রকল্পের অধীনে সহকারী বন সংরক্ষক হিসাবে চাকুরিতে যোগদান করেন। সেখান থেকে আংগুল ফুলে কলাগাছ এস এম কায়চারের। আওয়ামী সরকারের সাবেক বন ও পরিবেশপ্রতি মন্ত্রী হাসান মাহমুদ এর একই এলাকায় হওয়ায় তার সাথে গভীর সুসম্পর্ক গড়ে তোলেন।

 

এস এম কায়চার তার গ্রামের বাড়ি রাঙ্গুনিয়াতে ফ্যাসিবাদ সরকারের সাবেক মন্ত্রী ডক্টর হাসান মাহমুদকে খুশি করার জন্য হাসান মাহমুদের ভাই এরশাদ মাহমুদকে রাঙ্গুনিয়া উপজেলাতেই বন বিভাগের ২১২ একর জায়গা দখল করতে সহযোগিতা করেন। দখলের পর এসব জায়গার কোথাও গড়ে তোলা হয় গরু-গয়ালের খামার, কোথাও রেস্তোরাঁ ও পর্যটনকেন্দ্র, কোথাও আবার মাল্টা আর কাজুবাদামের বাগান। অনেকগুলো পুকুর খনন করে করা হয় মাছ চাষ। গড়ে তোলা হয় বাংলোবাড়িও।

 

বন বিভাগের জায়গা দখল করে এসব অবৈধ স্থাপনা করেছেন এরশাদ মাহমুদ, যার অলিখিত পার্টনার ছিলেন ডিএফও এস এম কায়সার। পাঁচই আগস্ট ২০২৪ এর পর বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হওয়ায় বন ও পরিবেশ উপদেষ্টা মহোদয়ের নির্দেশে অভিযান চালিয়ে দখল করা এসব জায়গার ২০০ একর উদ্ধার করেছে বন বিভাগ।

দুদক সহ বিভিন্ন জায়গায় এইসব অভিযোগ করেছেন পরিবেশবাদী একটা সংগঠন।