- কর্মসংস্থান সৃষ্টি, উৎপাদন বৃদ্ধি, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর লক্ষ্য নিয়ে বেশ কিছু জনমুখী উদ্যোগের প্রতিফলন ঘটেছে বিএনপি সরকারের প্রথম বাজেট প্রস্তাবে। দীর্ঘদিন পর একটি নির্বাচিত সরকারের বাজেটে অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করার পাশাপাশি বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
- কৃষি, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প, স্বাস্থ্যসেবা, তথ্যপ্রযুক্তি, রপ্তানি খাত এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়নে বিভিন্ন প্রণোদনা ও কর-সুবিধার ঘোষণা এসেছে।
- বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
- এটি তার প্রথম বাজেট এবং বর্তমান বিএনপি সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ জাতীয় বাজেট।
- প্রস্তাবিত বাজেটে সরকারের সম্ভাব্য আয় ধরা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা।
- বাকি ২ লাখ ৩৬ হাজার ৮৫০ কোটি টাকা ঘাটতি অর্থায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে বিদেশি উৎস থেকে ১ লাখ ৯ হাজার ৮৫০ কোটি টাকা এবং অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।
- অভ্যন্তরীণ ঋণের মধ্যে ব্যাংক খাত থেকে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা এবং ব্যাংকবহির্ভূত উৎস, বিশেষ করে সঞ্চয়পত্র থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া বিদেশি অনুদান হিসেবে ৬ হাজার ১৫০ কোটি টাকা পাওয়ার আশা করছে সরকার।
- চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের আকার ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা। সে তুলনায় নতুন বাজেটের আকার বেশ খানিকটা বেড়েছে। চলতি অর্থবছরের মূল বাজেট ছিল ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা।
- অর্থমন্ত্রী বাজেট বক্তৃতায় আগামী অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রার কথা বলেছেন। অর্থনীতিতে টেকসই শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
- জাতীয় সংসদে উপস্থিত থেকে বাজেট বক্তব্য শোনেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
কর্মসংস্থান, বিনিয়োগ ও জনকল্যাণে জোর বিএনপি সরকারের প্রথম বাজেটে