চট্টগ্রাম নগরীতে দিন দিন বেড়েই চলেছে অনটেস্ট, নাম্বারবিহীন ও গ্রামাঞ্চলের সিএনজি অটোরিকশার অবাধ চলাচল।
অভিযোগ রয়েছে, এসব যানবাহনের অনেকগুলোতেই সাংবাদিক, পুলিশ পরিচয় ব্যবহার করে হচ্ছে।
কোথাও সাংবাদিকদের ভিজিটিং কার্ড, আবার কোথাও পুলিশ সদস্যদের নাম ও মোবাইল নম্বর প্রদর্শন করে বিশেষ সুবিধা নেওয়া হচ্ছে। নগরীর বিভিন্ন প্রবেশপথ দিয়ে প্রতিদিন শত শত এমন সিএনজি শহরে প্রবেশ করছে।
ট্রাফিক পুলিশের চেকপোস্টে আটক হলেও রহস্যজনক কারণে অনেক গাড়িকেই ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে ট্রাফিক বিভাগের একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা হলে তারা জানান, কিছু ক্ষেত্রে সাংবাদিক পরিচয় ব্যবহারকারীরা আইন প্রয়োগে বাধা সৃষ্টি করেন এবং বিভিন্ন ধরনের চাপ প্রয়োগের চেষ্টা করেন। ফলে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে অনেক সময় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয় না।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এভাবে পরিচয়ের অপব্যবহার শুধু আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করছে না, বরং সড়ক নিরাপত্তার জন্যও বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াচ্ছে। কারণ এসব গাড়ির অনেকগুলোরই বৈধ কাগজপত্র নেই, নেই প্রয়োজনীয় ফিটনেস বা অনুমোদন।
অন্যদিকে, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ—বিআরটিএ সূত্র জানিয়েছে, নতুন করে সিএনজি অটোরিকশার নিবন্ধন বা নম্বর প্রদান সংক্রান্ত কোনো নতুন সিদ্ধান্ত এখনো নেওয়া ধধ। ফলে নাম্বারবিহীন বা অননুমোদিত যানবাহনের চলাচল নিয়ে জনমনে বাড়ছে উদ্বেগ।
প্রশ্ন উঠেছে—আইনের চোখ ফাঁকি দিয়ে পরিচয়ের আড়ালে চলা এসব সিএনজির বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা কবে নেওয়া হবে? আর নগরবাসী কবে পাবে নিরাপদ ও শৃঙ্খল সড়কব্যবস্থা?
"পরিচয়ের স্টিকার নয়, সড়কে চাই আইনের সমান প্রয়োগ—এটাই এখন নগরবাসীর প্রত্যাশা।"
অনটেস্ট ও গ্রাম সিএনজি নগরীর বিভিন্ন প্রবেশ পথে প্রবেশ নিয়ে ধারাবাহিক কয়েক পর্বের আজ প্রথম পর্ব ।