1. চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) সদরঘাট থানা থেকে সদ্য ক্লোজড হওয়া এবং কর্ণফুলী থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ শরীফের বিরুদ্ধে প্রকাশিত বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে পুলিশ মহাপরিদর্শককে (আইজিপি) নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
  2. গত ৫ জুলাই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-২ শাখার উপসচিব নাসরীন সুলতানা স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
  3. চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর পাঠানো আধা-সরকারি পত্রের পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি পর্যালোচনা করা হয়েছে। এতে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন ও সংশ্লিষ্ট তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে ওসি মুহাম্মদ শরীফের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, অবৈধ আর্থিক লেনদেন, জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পদ অর্জন, প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহার এবং ব্যক্তিগত ও গোষ্ঠীগত স্বার্থ হাসিলের মতো গুরুতর অভিযোগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
  4. এসব অভিযোগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অবহিত করতে আইজিপিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চিঠির অনুলিপি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছেও পাঠানো হয়েছে।
  5. এদিকে, মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার পর সদরঘাট থানায় যোগদানের মাত্র ১৭ দিনের মাথায় ওসি মুহাম্মদ শরীফকে সিএমপির লাইনওয়ারে ক্লোজড করা হয়েছে।
  6. উল্লেখ্য, গত ১৮ জুন সিএমপির এস্টেট অ্যান্ড বিল্ডিং শাখার পরিদর্শক মুহাম্মদ শরীফকে সদরঘাট থানার ওসি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছিল। এর আগে তিনি সিটিএসবি, গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) এবং কর্ণফুলী থানায় দায়িত্ব পালন করেন।
  7. এর আগেও তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, অবৈধ আর্থিক লেনদেন, জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পদ অর্জন এবং প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছিল। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য বা তদন্তের চূড়ান্ত ফলাফল তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
  8. উল্লেখ্য, ওসি শরীফ ফোন রিসিভ করে দশ মিনিট পর ফোন করবেন বলে কেটে দেন, এরপর বেশ কয়েকবার ফোন করা হলো উনি ফোন ধরেননি।