স্বাধীনতার মহান স্থপতি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৮ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে গতকাল ১৬ আগষ্ট বুধবার অর্থ উপদেস্টা ও প্রধান হিসাব অধিকর্তা (পূর্ব), বাংলাদেশ রেলওয়ে, চট্টগ্রাম কার্যালয় কর্তৃক এক আলোচনা সভা ও দোআ মাহফিল সিআরবিস্থ সম্মেলন কক্ষে সহকারী অর্থ উপদেস্টা (প্রশাসন)/সার্বিক পূর্ব সুগ্রীব চাকমা এর সভাপতিত্বে ও জনাব অরুন কুমার ভদ্র এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এফএএন্ডসিএও (পূর্ব) এ এইচ এম
শামসুর রহমান মহোদয়।
আবু বকর এর কোরআন তেলোয়াত ও দোআ মোনাজাত এর পর অনুষ্ঠানে ডিএফ এ বুকস। জানার আহমেদ সাইফুল ইসলাম চৌধুরী সহকারী অর্থ উপদেস্টা (বায়) মো: ফয়সাল হোসেন, হিসাব কর্মকর্তা (সংগ্রহ) জনাব মো মামুন হোসেন, হিসাবরক্ষক/সিপিবি দিবাকর বালা ভারাক্রান্ত হৃদয়ে বঙ্গবন্ধু ও স্বাধীনতা নিয়ে তাঁদের অভিব্যক্তি প্রকাশ করেন এবং বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করেন জাতির পিতার প্রতি।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি এ এইচ এম শামসুর রহমান বলেন- যে স্বাধীনতা না। আসলে আজকে আমরা স্বাধীনভাবে অফিস করতে পারতাম না, চেয়ারে বসতে পারতাম না, সেই স্বাধীনতার ডাক দানকারী গোপালগঞ্জের টুগীপাড়ার সেই খোকা পরবর্তীতে বাংলার আপামর জনসাধারণের বঙ্গবন্ধু হয়ে উঠা শেখ মুজিবুর রহমানকে ১৯৭৫ এর ১৫ আগষ্ট কালরাত্রিতে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। ৪৮ তম শাহাদাৎ বার্ষিকীতে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্বরণ করেন শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, শেখ কামাল, শেখ জামাল, শেখ রাসেল সহ পরিবারের সকল সদস্য সহ ঐদিন জীবন দানকারী সকলকে।
প্রধান অতিথি আরো বলেন ৫২ ভাষা আন্দোলন, ৬৬'র ৬ দফা, ৬৯'র গণঅভ্যুত্থান, ৭১ এর ৭ই মার্চের কালজয়ী ভাষণ ও মহান মুক্তিযুদ্ধ একই সূত্রে গাথা। ১৫ই আগষ্ট বঙ্গবন্ধুসহ তার পরিবারের সকলকে নির্মমভাবে হত্যাকাণ্ড বাঙ্গালী জাতিকে শতবছর পিছনে ঠেলে দিয়েছে। বঙ্গবন্ধুকে দৈহিকভাবে হত্যা করা হলেও তিনি বাঙ্গালী হৃদয়ে বেঁচে রয়েছেন। কেননা একটি জাতিরাষ্ট্রের স্বপ্নদ্রষ্টা এবং স্থপতি তিনিই। তারই সুযোগ্য কন্যা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে দেশ আজ উন্নত বিশ্বে মাথা উঁচু করে এপ্রিয়ে যাচ্ছে। অর্থনৈতিকভাবে দেশ হচ্ছে স্বয়ংসম্পূর্ণ। নিজেদের টাকায় হয়েছে পদ্মা সেতু। আমাদের সকলকে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হিসেবে নিজের দায়িত্ব যার যার অবস্থান থেকে সঠিকভাবে পালন করতে হবে। সেই দায়িত্ব পালন করলেই কেবল বঙ্গবন্ধুসহ সকল বীর "যোদ্ধাদের প্রতি আমাদের প্রকৃত সম্মান জানানো হবে। কোন সেবা নিতে এসে কেউ যাতে ভোগান্তিতে না পড়ে সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে। বিশেষকরে সম্মানিত পেনশনারবৃন্দ যাতে কোনভাবেই কষ্ট না পায় সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।
সভার শেষে মোনাজাত ও উপস্থিত সকলের মাঝে তবারুক বিতরণ করা হয়।