বলির হাটে মামলার সাক্ষীকে হত্যার হুমকি

 

চট্টগ্রাম নগরীর বাকলিয়া বলির হাটে স-মিল মালিক ইলিয়াসের পক্ষে সাক্ষী দেওয়াই দোকান কর্মচারী মোঃ আবু বক্করকে জানে মেরে ফেলার হুমকির অভিযোগ।


আজ  শনিবার সকালের চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী মোঃ বক্কর।


লিখিত বক্তব্য অভিযোগ করেন, আমিও ম্যানেজার নুরুদ্দিন দোকান কর স- মিল মাটি ভরাট ও রক্ষণাবেক্ষণ এর কাজ দেখাশোনা করছিলাম। চিহ্নিত কিশোর  গ্যাং লিডার কামাল উদ্দিন ও সাকিনা খাতুনের ওয়ারিশরা আমি সহ লেবারদের ঘাড় ধাক্কা দিয়ে  বের করে দেয় এবং কাজ বন্ধ করে দে।। কিছুদিন যাইতে না যাইতে  উক্ত সন্ত্রাসী কামাল তার বাহিনী ও ছখিনার ছেলে সৈয়দ মিয়া, নাছির মিয়া, জাহাঙ্গীর বখতেয়ার হোসেন (বক্কর) এবং জুয়েল গভীর রাতে কিশোর গ্যাং এর লিডার কামালের নেতৃত্বে মোঃ ইলিয়াছ সাহেবের দোকানের তালা ভাঙ্গিয়া প্রায় পাঁচ লক্ষ টাকার মালামাল এবং ঘরে থাকা সমস্ত মালামাল চুরি করিয়া নিয়া যায়। অবৈধ অন্যায়ভাবে অনুপ্রবেশ করিয়া বেদখল করে।

 

তিনি অভিযোগ করেন , উক্ত ঘটনায়ে মামলায় আমি প্রধান সাক্ষী, তাতে ক্ষিপ্ত হয়ে আমার বাসায় গিয়ে সন্ত্রাসী কামালের নেতৃত্বে ঘুসি লাথি মেরে জামা কাপড় ছিড়ে ফেলে এবং ইলিয়াসের পক্ষে সাক্ষী দিলে বা থানায় অভিযোগ করলে জানে মেরে ফেলার হুমকি দেন।


তিনি অভিযোগ করেন, জাবেদ প্রকাশ র‌্যাব আমার বউকে বলে, ‘এই ছোট ২ ছেলের ভবিষ্যৎ দেখে ইলিয়াছ সাহেবকে ত্যাগ করতে বলো। তোর স্বামী বক্কর আমাদের কাছে কিছুই না । তাকে মেরে ফেললেও কেউ সাক্ষী দিবে না । স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর না দিলে আমরা তাকে ছাড়বো না। এলাকার কোন মানুষ বক্করের পক্ষে ইলিয়াছ সাহেবের পক্ষে সাক্ষী দিবে না।' আর কিশোর গ্যাং এর লিডার ফারুক বলে, ‘এই বেশি কথা বলবি না, স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর দিতে হবে। তারপর সে কোমরে থাকা অস্ত্র জামা তুলে দেখায় এবং ভয় লাগায় । আমার বউকে বলে আগামী কাল আমরা আবার আসব, বক্করকে বাসায় থাকতে বলো এবং স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর দিতে হবে।' না হয় আমি ফারুক বড় কাঙ্কির পুত, জানে মেরে ফেলবো বলে হুমকি দিয়ে কিশোর গ্যাং এর লিডার ফারুক বাহিনী নিয়ে চলে যায়।


তিনি অভিযোগ করেন ,পুলিশ সরজমিনে তদন্ত করে অভিযোগের ঘটনা সত্য প্রমাণিত হইলে প্রতিপক্ষ ছখিনার ওয়ারিশ এবং সন্ত্রাসী লিডার কামাল বাহিনী সহ সবাইকে পুলিশ নির্দেশ দেন, ইলিয়াছ সাহেবের সাথে অন্যায় আচরণ করা হলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। এইকথা শুনে তারা রাগে ক্ষোভে ক্ষিপ্ত হইয়া মোঃ ইলিয়াছ সাহেবের জায়গায় 'স' মিলে এসে ইলিয়াছ সাহেবকে মেরে ফেলবে, হাত-পা কেটে ফেলবে, বাড়ীতে এলাকায় আসিতে দিবে না, তাহার সব জায়গা দখল করে ফেলবে, অকথ্য ভাষায় গালিগালাজের মাধ্যমে হুমকি ধমকি দিয়ে চলে যায়


তিনি আরো অভিযোগ করেন , মহল্লার বেকার ও মাদকাসক্ত ছেলেদের নিয়ে একটি শক্তিশালী কিশোর গ্যাং গড়ে তুলে  কিশোর  গ্যাং লিডার ও সন্ত্রাসী  কামাল উদ্দিন । এই কিশোর অপরাধীরা মহল্লায় চাঁদাবাজি থেকে শুরু করে নারী নির্যাতনসহ বিভিন্ন ধরনের ঘটনা ঘটিয়ে রাজনৈতিক নেতাদের নাম ব্যবহার করছেন। তারা এসব অপরাধের বিরুদ্ধে  এলাকার ভুক্তভোগিরা সাক্ষী দিতে অপরাগতা প্রকাশের কারণে  পুলিশ ব্যবস্থা নিতে না পারায় এরা আরো ব্যাপরোয়া  ও লাগামহীন হয়ে অপরাধকার্য চালিয়ে যাচ্ছে।


সম্মান , পরিবার ও নিজের জীবন রক্ষা পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চান।