চট্টগ্রাম নগরীর কর্ণফুলী নতুন ব্রিজ এলাকায় বাকলিয়া শহীদএন এম জে কলেজের নাম ভাঙ্গিয়ে উক্ত কলেজের ছাত্রলীগ নেতা নামধারী আজমিরের নেতৃত্বে  গ্রুপের  সক্রিয় সদস্য হাসান রানা ,খোকন, ছোট মিনহাজ, মইনুদ্দিন লেদু, সালাউদ্দিনসহ অন্যেরা চাঁদাবাজি করছে । 

 

 কলেজের নাম ভাঙ্গিয়ে আজমিরের গ্রুপটি চাঁদাবাজি, টাকার বিনিময়ে চুক্তিতে জায়গা দখল ও উচ্ছেদ, মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন অপকর্ম  করে বহাল তবিয়াতে । ফুঁসে উঠছে স্থানীয়, ব্যবসায়ী ,হকার ও পরিবহন শ্রমিকরা। এভাবে চলতে থাকলে বড় ধরনের রক্তপাত আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।  প্রশাসনকে শক্ত হাতে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

 

 আজমিরের চাঁদাবাজি নিয়ে পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা অতিষ্ঠ। পরিবহন নেতারা রাজনৈতিক নেতা ও প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করে কোন সুফল পাইনি। অভিযোগ রয়েছে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতার আশ্রয় প্রস্রয়ে আজমির আরো বেপরোয়া। 

 

নতুন ব্রিজ এলাকায় খোকনকে মোবাইল চোর ও চাঁদাবাজ হিসেবে চেনে। সে কয়েকবার মোবাইল ছিনতাই  করতে গিয়ে ধরা পড়ে গণধোলাই খান।

 

আজমির এর সেকেন্ড ইন কমান্ড হাসান রানা ও খোকন। মূলত এই দুইজন ব্যাটারি চালিত রিক্সা, ফুটপাতের হকার ও পরিবহন সেক্টর থেকে চাঁদা সংগ্রহ করে ।

 

আদায়কৃত চাঁদা বাগ বাটোয়ার নিয়ে দুইজনের মধ্যে মনোমালিন্য সৃষ্টি হয় তা প্রকাশ্যে  আসে গত  ১০শে মে সন্ধ্যায় নতুন ব্রীজ ষ্টেডিয়াম এর সামনে।  হাসান রানা ব্যাটারি চালিত রিক্সার থেকে চাঁদা আদায় করতে গেলে তাতে বাধা দেন খোকন। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও  একপর্যায়ে হাতাহাতি হয়। এই নিয়ে হাসান বাকলিয়া থানায় খোকনসহ কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে  সাধারণ ডায়েরি করেন ।

 

এই নিয়ে হাসানের সাথে কথা বললে তিনি জানান তার নিজের তিনটি ব্যাটারি চালিত রিকশা আছে । ওই তিন  রিক্সার ইনকাম তুলতে গেলে খোকন কর্তৃক হামলার শিকার হন বলে ও জানান। 

 

সরজমিনে গিয়ে জানা যায় হাসানের কোন গাড়ি নেই আসলে সে ব্যাটারি চালিত রিকশা থেকে চাঁদা আদায় করতে গিয়েছেন। এবং একই সময় খোকনও ব্যাটারি চালিত রিক্সার থেকে চাঁদা  আদায় করতে গিয়েছিলেন। চাঁদা কে তুলবে এ নিয়ে দুজনের সাথে কথা কাটাকাটি পরবর্তীতে হাতাহাতি হয় । ওখানে উপস্থিত কয়েকজন  দুজনকে দুই দিগে সরিয়ে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে হাসান রানা থানায় গিয়ে সাধারণ ডায়েরি করেন। এ নিয়ে  একই গ্রুপের দুইজনের মধ্যে উত্তেজনা চলছে। যে কোন সময় আবারও তারা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়তে পারে।