চট্টগ্রামের চান্দগাঁও থানার কাপ্তাই রাস্তার মাথায় দায়ের হওয়া একটি চাঁদাবাজির মামলায় সঙ্গবদ্ধ একটি চক্রের বিরুদ্ধে অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। মামলার বাদী রাঙ্গুনিয়ার সিএনজি চালক লোকমান জানান, তিনি অনেক আসামিকে চেনেন না, এমনকি কিছু নাম তার অজানা।
মামলা নম্বর ২৬/২০২৫-এ ১১ জনের নাম ও অজ্ঞাত আরও ১০-১২ জনকে আসামি করা হয়েছে। এজাহারে কিছু আসামির ঠিকানা ও পরিচয় না থাকায় নিরীহ শ্রমজীবী মানুষকে হয়রানি করছে একটি চক্র। এমনকি টাকার বিনিময়ে মামলায় নাম বাদ দিতে বা যোগ করতে চাপ দেওয়া হচ্ছে।
মামলার ৯নং আসামি বশর নামে এক টেম্পু চালককে গ্রেফতার করে পুলিশ। তবে বশরের পরিচয় ও ঠিকানা মামলার তথ্যের সঙ্গে মিল না থাকায় প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। সহকর্মীরা জানান, বশরের বিরুদ্ধে কোনো চাঁদাবাজির অভিযোগ নেই। বাদী লোকমানও বলেন, তিনি বশরের নাম দেননি, প্রয়োজনে তার জামিনের জন্য আদালতে যাবেন।
সাধারণ মানুষ ও চালকরা এ ধরনের হয়রানিমূলক মামলার বিরুদ্ধে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। পুলিশের আইজিপিও সম্প্রতি বলেছেন, তদন্ত ছাড়া কাউকে গ্রেফতার করা যাবে না—যা মানুষকে স্বস্তি দিয়েছে।
চান্দগাঁওয়ের এই মামলা ঘিরে প্রশ্ন উঠেছে, আসলেই কি এটি চাঁদাবাজি রোধ, না কি নিরীহ মানুষকে ফাঁসিয়ে অর্থ আদায়ের ফাঁদ?