চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ সরকারি কলোনি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কর্তৃক ম্যানেজিং কমিটির গত ৩১/০৮/২০২৪ খ্রি. তারিখের সভার কার্যবিবরণীর ১ম ও শেষ পাতা সঠিক রেখে ২য় পাতায় আলোচ্যসূচি-০৩-এ "এমপিওভুক্ত কয়েকজন শিক্ষক-কর্মচারীর এমপিও শীটে নাম, বয়স, জন্ম তারিখ, ব্যাংক হিসাব নম্বর, পদবি ও বিষয় সংশোধন প্রসঙ্গে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত” শিরোনামে জালিয়াতির মাধ্যমে কার্যবিবরণী সৃজন করেন। এবং গত ২৩/০২/২০২৫ খ্রি. তারিখের ভুয়া কার্যবিবরণী তৈরি করে অ্যাডহক কমিটির সভাপতি জনাব মোহাম্মদ শাহজাহান, সিনিয়র সহকারী কমিশনার (হিসাব ও নেজারত), বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়, চট্টগ্রাম এর স্বাক্ষর জাল করে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ইএমআইএস সেলে প্রেরণ করার অভিযোগ বিভাগীয় কমিশনার, চট্টগ্রাম এর তদন্ত এবং অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক জনাব মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, এর ০৪/০৬/২০২৫ খ্রিঃ এর দাখিলকৃত লিখিত স্বীকারোক্তি মোতাবেক তার বিরূদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় গত ১৯/১০/২০২৫ খ্রিঃ বিভাগীয় কমিশনার, কার্যালয়ের সিনিয়য় সহকারী কমিশনার(উন্নয়ন) জনাব মোঃ রিদুয়ানুল ইসলাম স্বাক্ষরিত পত্রে তাঁর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের বিষয়ে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এডহক কমিটির সভাপতিকে অনুরোধ করেন। 
মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমের তথ্য গোপন, স্বহস্থে লেখা ভুয়া অভিজ্ঞতা সনদ দিয়ে চাকুরী গ্রহন, একই সময়ে একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চাকুরী ও শিক্ষা জীবন পরিচালনা  এবং লক্ষীপুর জেলার স্থায়ী বাসিন্দা হওয়া সত্বেও তথ্য গোপন করে চট্টগ্রাম মহানগরীর ২৮ নং ওয়ার্ডের ‘মাতব্বর নিবাস, কমার্স কলেজ রোড, চট্টগ্রাম এর ঠিকানার জাল জাতীয়তা সনদ সৃজন করে চট্টগ্রাম মহানগরীতে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক পদে চাকুরী করেন। ২০০৬ খ্রিষ্টাব্দে ইউজিসি কর্তৃক বন্ধ ঘোষিত আমেরিকা বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের এম.এ (ইংরেজি)পাশের জাল সনদ দাখিল করে এমপিওভুক্ত সহকারী প্রধান শিক্ষক, প্রধান শিক্ষক এবং অধ্যক্ষ পদে চাকুরী করার বিষয়টি সন্দেহাতীত ভাবে প্রমাণিত হওয়ায় মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, চট্টগ্রাম এ বিষয়ে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নিতে গত ১৮ সেপ্টেম্বর বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতিকে চিঠি দিয়েছেন শিক্ষা বোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শক প্রফেসর মোঃ আবুল কাশেম।
মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সমূহ প্রমাণিত হলেও তিনি এখনো বহাল তবিয়তে আছেন। তার কৃত অপরাধ ধামা চাপা দেয়ার চেস্টার কোন ত্রুটি তিনি করছেন না।তার এসব জাল-জালিয়াতির বিষয়টি শিক্ষা প্রশাসন, অভিভাবক মহল, ছাত্র/ছাত্রী এবং এলাকার সচেতন মহলে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। আগ্রাবাদ সি জি এস কলোনী, আগ্রাবাদ হাজিপাড়া, দাইয়া পাড়া, বেপারী পাড়া, আগ্রাবাদ সিডিএ এলাকার বাসিন্দারা তার এইসব কার্যক্রমে অনেকটা বাকরুদ্ধ, তাঁরা মনে করেন এই ধরনের মুখোশধারী ব্যক্তিদের দ্রুত বিচারের আওতায় এনে সমাজে দৃষ্টান্ত স্থাপন করা উচিত।
যত অভিযোগ
ক্যাপ্টেন শামসুলহুদা উচ্চ বিদ্যালয়
জনাব মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, ক্যান্টেন শামছুল হুদা উচ্চ বিদ্যালয়, সীতাকুন্ড, চট্টগ্রামে সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে আবেদন/যোগদান/এমপিওভুক্তির তথ্য ফরমে ০৫/০১/১৯৯৩ খ্রিঃ ৩০/১১/১৯৯৪ খ্রিঃ পর্যন্ত লক্ষীপুর জেলার রামগঞ্জ থানাধীন কাওয়ালীডাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ে ১বছর ৬মাস, ১/১২/১৯৯৪ হইতে ৩১/০৫/১৯৯৬ খ্রিঃ লক্ষীপুর জেলার লামনগর একাডেমী, রামগঞ্জ, ১বছর ৬মাস, ১/৬/১৯৯৬ খ্রিঃ হইতে ৩১/০১/২০০২ খ্রিঃ পর্যন্ত ফরেস্ট কলোনী উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রামে ৫ বছর ৮ মাস সহ সর্বমোট ৯ বছর ১ মাসের ভুয়া অভিজ্ঞতা সনদ দাখিল করে ০১/০৫/২০০২ খ্রিঃ সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে ১ম এমপিওভুক্ত হন। অথচ তিনি এডহক কমিটির সভাপতির কারণ দর্শানোর দাখিলকৃত জবাব অনুযায়ী তিনি ০১/০১/১৯৯০ খ্রিঃ ৩০/১১/১৯৯৪ খ্রিঃ পর্যন্ত লক্ষীপুর জেলার রামগঞ্জ থানাধীন ‘টিওরি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে ৪ বছর ১১মাস জুনিয়র শিক্ষক হিসেবে চাকুরীরত থাকার বিষয় উল্লেখ করেছেন।যা কাওয়ালীডাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয় এবং লামনগর একাডেমী লক্ষীপুরের চাকুরীর অভিজ্ঞতার সাথে সাংঘর্ষিক। এবং ১৯৯০-৯১ শিক্ষাবর্ষে চট্টগ্রাম সরকারী কলেজে বি.এসসি(পাস)কোর্সে অধ্যয়ন করেন। ১৯৯৩ সালের এপ্রিল-জুন মাসে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ২৫/০৪/১৯৯৪ ইং তারিখ ফল প্রকাশিত হয়। ১৯৯৫-৯৬ শিক্ষাবর্ষে চট্টগ্রাম সরকারী শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজে বি.এড কোর্সে অধ্যয়ন করেন। ২৩/১১/১৯৯৬ইং বি.এড পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়। সুতরাং ১৯৯০ সাল থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত তিনি চট্টগ্রাম শহরে অবস্থান করে টিউশন করে বি.এসসি ও বি.এড ডিগ্রী অর্জন করেন, সেহেতু তিনি কোন ভাবেই লক্ষীপুর জেলার বর্নিত বিদ্যালয় সমূহে শিক্ষক হিসেবে নিয়োজিত থাকার বিষয়টি যথাযথ নয়।
ফরেস্ট কলোনী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, চটগ্রামে ০১/০৬/১৯৯৬ হইতে ৩১/০১/২০০২ খ্রিঃ পর্যন্ত ৫ বছর ৮ মাস বেতনভুক্ত অস্থায়ী শিক্ষক হিসেবে চাকুরী করলেও অজ্ঞাত কারণে তিনি তার দাখিলকৃত অভিজ্ঞতা সনদে অনারারি শিক্ষক হিসেবে কর্মরত থাকার বিষয় উল্লেখ করেন। শৃংখলা ভঙ্গ ও শিক্ষক কর্মচারীদের মধ্যে গ্রুপিং সৃষ্টির দায়ে ম্যানেজিং কমিটি ফরেস্ট কলোনী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিতাড়িত করেন।   
পাহাড়তলী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
ক্যান্টেন শামছুল হুদা উচ্চ বিদ্যালয়, সীতাকুন্ড, চট্টগ্রামে সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে ৯ মাস চাকুরী করে তিনি ৯বছর ১মাসের ভুয়া অভিজ্ঞতা সনদ এবং ক্যান্টেন শামছুল হুদা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ মাসের এমপিও শিক্ষকতার অভিজ্ঞতার সনদ দিয়ে আবেদনের যোগ্যতা না থাকা সত্বেও ০৮/০১/২০০৩খ্রিঃ হইতে ৩০/০৮/২০১৪ খ্রিঃ পর্যন্ত ১১বছর ৮মাস পাহাড়তলী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রামে সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন জালিয়াতির মাধ্যমে ৯ম গ্রেডে এমপিওভুক্ত হন। পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের ২৭/০৩/২০১২ খ্রি. এর পরিদর্শন প্রতিবেদনের ১৫(ঠ)(ড)এর মন্তব্য অনুসারে অবৈধ ভাবে এমপিওভুক্ত হয়ে সরকারী অর্থ আত্মসাৎ এর বিষয়টি প্রমাণিত হয়। বিধি মোতাবেক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের সুপারিশ করা হয়। অভিযুক্ত তার জালিয়াতির তথ্য লুকানোর জন্য বারবার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিবর্তনের মাধ্যমে সরকারী অর্থ আত্মসাতের চেস্টা চালান। পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের ২৭/০৩/২০১২ খ্রি. এর পরিদর্শন প্রতিবেদনের ১৫(ঠ)(ড)এর নির্দেশনা অমান্য করে একই প্রতিষ্ঠানে (০১/০৯/২০১৪-১৩/১২/২০১৬)পর্যন্ত ২ বছর ৪ মাস প্রধান শিক্ষক ছিলে্ন এবং (১৫/১২/২০১৬-৩১/১২/২০১৮) পর্যন্ত মাস্টার্সের ভূয়া সনদ সৃজন করে ২ বছর ১৫ দিন অধ্যক্ষ পদে কর্মরত থেকে সরকারী অর্থ আত্মসাৎ করেন। পাহাড়তলী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম এ প্রধান শিক্ষক পদে কর্মরত থাকা অবস্থায় 'আমেরিকা বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি, ঢাকা থেকে সান্ধ্যকালিন ক্লাশ ও পরীক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণপূর্বক এম এ ডিগ্রি অর্জন করা কোনক্রমেই সম্ভব নয়। সনদটি তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে কৃত্রিমভাবে জালিয়াতির মাধ্যমে সৃজিত। যা শিক্ষা বোর্ডের তদন্তে প্রমাণিত হয়।
তার বিরুদ্ধে ২৬/০৫/২০২৫ খ্রিঃ শিক্ষা বোর্ডে অভিযোগ দাখিল করার পর তিনি গত ১৯ জুন ২০২৫ খ্রিঃ চালানের ট্র্যাকিং নং ২৪২৫-০০৩৪৫৮৪৬২১ মূলে ৫৯২৫/-টাকা এবং ট্র্যাকিং নং ২৪২৫-০০৩৪৫৭৭৬৪৩ মূলে ১,৪৯,৮৩৮/ টাকা সরকারী কোষাগারে জমা দিয়ে একযুগের বেশী সময় পর দায়মুক্তির অপচেস্টা চালান। 
উত্তর মোহরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়
পাহাড়তলী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়,চট্টগ্রামে সহকারী প্রধান শিক্ষক পদ থেকে পদত্যাগ না করা, তথ্য গোপন করা, জালিয়াতির আশ্রয় গ্রহন করে ০১/০৩/২০০৩ খ্রিঃ হইতে ৩১/০৫/২০০৩খ্রিঃ পর্যন্ত ৩ মাস একই সাথে দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করেন এবং যথারীতি দুটি প্রতিষ্ঠান  থেকে সরকারী বেতন/ভাতা উত্তোলন করেন। তিনি চট্টগ্রাম মহানগর এলাকায় সরকারী প্রাথমিক বি্দ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক  পদে আবেদন কারী হিসেবে যোগ্য ছিলেননা। তিনি তার প্রকৃত স্থায়ী ঠিকানা (গ্রামঃ বিঞ্চুপুর ডাক-লক্ষীধর,থানা-রামগঞ্জ, জেলা-লক্ষীপুর) এর তথ্য গোপন করে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ২৮ নং ওয়ার্ড এর অর্ন্তগত তার লজিংবাড়ির (মাতব্বর নিবাস, কমার্স কলেজ রোড, মোগলটুলী, চট্টগ্রাম) ঠিকানার অনুকুলে ভূয়া জাতীয়তা সনদ সৃজন করে তথ্য গোপন করে চাকুরী গ্রহণ করেন।যা প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা ১৯৯১ এবং প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির পরিপন্থী এবং ফৌজদারী অপরাধ।
আগ্রাবাদ সরকারী কলোনী উচ্চ বিদ্যালয়
তিনি তার পূর্বের জাল-জালিয়াতির ইতিহাস মুছে দেয়ার জন্য পাহাড়তলী স্কুল এন্ড কলেজ এর অধ্যক্ষ পদ থেকে পদত্যাগ করে ০১/০১/২০১৯ খ্রিঃ আগ্রবাদ সরকারী কলোনী উচ্চ বিদ্যালয়ে্র প্রধান শিক্ষক পদে যোগদান করেন। এমপিও আবেদনের তথ্য ফরমে ০৫/০১/১৯৯৩ খ্রিঃ ৩০/১১/১৯৯৪ খ্রিঃ পর্যন্ত লক্ষীপুর জেলার রামগঞ্জ থানাধীন কাওয়ালীডাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ে ১বছর ৬মাস, ১/১২/১৯৯৪ হইতে ৩১/০৫/১৯৯৬ খ্রিঃ লক্ষীপুর জেলার লামনগর একাডেমী, রামগঞ্জ, ১বছর ৬মাস, ১/৬/১৯৯৬ খ্রিঃ হইতে ৩১/০১/২০০২ খ্রিঃ পর্যন্ত ফরেস্ট কলোনী উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রামে ৫ বছর ৮ মাস সহ সর্বমোট ৯ বছর ১ মাসের দাখিলকৃত ভুয়া অভিজ্ঞতার তথ্য গোপন করেন। এমনকি তিনি ক্যান্টেন শামছুল হুদা উচ্চ বিদ্যালয়, সীতাকুন্ডে ৮ মাস কোন পদে চাকুরী করেন সেই তথ্য ও গোপন করেন। আবেদন/নিয়োগ পরীক্ষার সিএস সীট/এমপিওভুক্তির অনলাইন আবেদনে জালিয়াতির মাধ্যমে সৃজনকৃত ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষ ২০১৬ সালের এম.এ(ইংরেজী) সনদ দাখিল করেন। তার বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মধ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে বিদ্যলয়ের অর্থ আত্মসাৎ এর বিস্তর অভিযোগ রয়েছে। প্রধান শিক্ষকের এইসব কর্মকান্ডে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। 
   
“সেই প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ম্যাজিস্ট্রেটের স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগ প্রমাণিত ব্যবস্থা গ্রহনের নির্দেশ”
চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ সরকারি কলোনি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কর্তৃক ম্যানেজিং কমিটির গত ৩১/০৮/২০২৪ খ্রি. তারিখের সভার কার্যবিবরণীর ১ম ও শেষ পাতা সঠিক রেখে ২য় পাতায় আলোচ্যসূচি-০৩-এ "এমপিওভুক্ত কয়েকজন শিক্ষক-কর্মচারীর এমপিও শীটে নাম, বয়স, জন্ম তারিখ, ব্যাংক হিসাব নম্বর, পদবি ও বিষয় সংশোধন প্রসঙ্গে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত” শিরোনামে জালিয়াতির মাধ্যমে কার্যবিবরণী সৃজন করেন। এবং গত ২৩/০২/২০২৫ খ্রি. তারিখের ভুয়া কার্যবিবরণী তৈরি করে অ্যাডহক কমিটির সভাপতি জনাব মোহাম্মদ শাহজাহান, সিনিয়র সহকারী কমিশনার (হিসাব ও নেজারত), বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়, চট্টগ্রাম এর স্বাক্ষর জাল করে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ইএমআইএস সেলে প্রেরণ করার অভিযোগ বিভাগীয় কমিশনার, চট্টগ্রাম এর তদন্ত এবং অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক জনাব মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, এর ০৪/০৬/২০২৫ খ্রিঃ এর দাখিলকৃত লিখিত স্বীকারোক্তি মোতাবেক তার বিরূদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় গত ১৯/১০/২০২৫ খ্রিঃ বিভাগীয় কমিশনার, কার্যালয়ের সিনিয়য় সহকারী কমিশনার(উন্নয়ন) জনাব মোঃ রিদুয়ানুল ইসলাম স্বাক্ষরিত পত্রে তাঁর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের বিষয়ে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এডহক কমিটির সভাপতিকে অনুরোধ করেন। 
মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমের তথ্য গোপন, স্বহস্থে লেখা ভুয়া অভিজ্ঞতা সনদ দিয়ে চাকুরী গ্রহন, একই সময়ে একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চাকুরী ও শিক্ষা জীবন পরিচালনা  এবং লক্ষীপুর জেলার স্থায়ী বাসিন্দা হওয়া সত্বেও তথ্য গোপন করে চট্টগ্রাম মহানগরীর ২৮ নং ওয়ার্ডের ‘মাতব্বর নিবাস, কমার্স কলেজ রোড, চট্টগ্রাম এর ঠিকানার জাল জাতীয়তা সনদ সৃজন করে চট্টগ্রাম মহানগরীতে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক পদে চাকুরী করেন। ২০০৬ খ্রিষ্টাব্দে ইউজিসি কর্তৃক বন্ধ ঘোষিত আমেরিকা বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের এম.এ (ইংরেজি)পাশের জাল সনদ দাখিল করে এমপিওভুক্ত সহকারী প্রধান শিক্ষক, প্রধান শিক্ষক এবং অধ্যক্ষ পদে চাকুরী করার বিষয়টি সন্দেহাতীত ভাবে প্রমাণিত হওয়ায় মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, চট্টগ্রাম এ বিষয়ে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নিতে গত ১৮ সেপ্টেম্বর বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতিকে চিঠি দিয়েছেন শিক্ষা বোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শক প্রফেসর মোঃ আবুল কাশেম।
মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সমূহ প্রমাণিত হলেও তিনি এখনো বহাল তবিয়তে আছেন। তার কৃত অপরাধ ধামা চাপা দেয়ার চেস্টার কোন ত্রুটি তিনি করছেন না।তার এসব জাল-জালিয়াতির বিষয়টি শিক্ষা প্রশাসন, অভিভাবক মহল, ছাত্র/ছাত্রী এবং এলাকার সচেতন মহলে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। আগ্রাবাদ সি জি এস কলোনী, আগ্রাবাদ হাজিপাড়া, দাইয়া পাড়া, বেপারী পাড়া, আগ্রাবাদ সিডিএ এলাকার বাসিন্দারা তার এইসব কার্যক্রমে অনেকটা বাকরুদ্ধ, তাঁরা মনে করেন এই ধরনের মুখোশধারী ব্যক্তিদের দ্রুত বিচারের আওতায় এনে সমাজে দৃষ্টান্ত স্থাপন করা উচিত।
যত অভিযোগ
ক্যাপ্টেন শামসুলহুদা উচ্চ বিদ্যালয়
জনাব মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, ক্যান্টেন শামছুল হুদা উচ্চ বিদ্যালয়, সীতাকুন্ড, চট্টগ্রামে সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে আবেদন/যোগদান/এমপিওভুক্তির তথ্য ফরমে ০৫/০১/১৯৯৩ খ্রিঃ ৩০/১১/১৯৯৪ খ্রিঃ পর্যন্ত লক্ষীপুর জেলার রামগঞ্জ থানাধীন কাওয়ালীডাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ে ১বছর ৬মাস, ১/১২/১৯৯৪ হইতে ৩১/০৫/১৯৯৬ খ্রিঃ লক্ষীপুর জেলার লামনগর একাডেমী, রামগঞ্জ, ১বছর ৬মাস, ১/৬/১৯৯৬ খ্রিঃ হইতে ৩১/০১/২০০২ খ্রিঃ পর্যন্ত ফরেস্ট কলোনী উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রামে ৫ বছর ৮ মাস সহ সর্বমোট ৯ বছর ১ মাসের ভুয়া অভিজ্ঞতা সনদ দাখিল করে ০১/০৫/২০০২ খ্রিঃ সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে ১ম এমপিওভুক্ত হন। অথচ তিনি এডহক কমিটির সভাপতির কারণ দর্শানোর দাখিলকৃত জবাব অনুযায়ী তিনি ০১/০১/১৯৯০ খ্রিঃ ৩০/১১/১৯৯৪ খ্রিঃ পর্যন্ত লক্ষীপুর জেলার রামগঞ্জ থানাধীন ‘টিওরি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে ৪ বছর ১১মাস জুনিয়র শিক্ষক হিসেবে চাকুরীরত থাকার বিষয় উল্লেখ করেছেন।যা কাওয়ালীডাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয় এবং লামনগর একাডেমী লক্ষীপুরের চাকুরীর অভিজ্ঞতার সাথে সাংঘর্ষিক। এবং ১৯৯০-৯১ শিক্ষাবর্ষে চট্টগ্রাম সরকারী কলেজে বি.এসসি(পাস)কোর্সে অধ্যয়ন করেন। ১৯৯৩ সালের এপ্রিল-জুন মাসে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ২৫/০৪/১৯৯৪ ইং তারিখ ফল প্রকাশিত হয়। ১৯৯৫-৯৬ শিক্ষাবর্ষে চট্টগ্রাম সরকারী শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজে বি.এড কোর্সে অধ্যয়ন করেন। ২৩/১১/১৯৯৬ইং বি.এড পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়। সুতরাং ১৯৯০ সাল থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত তিনি চট্টগ্রাম শহরে অবস্থান করে টিউশন করে বি.এসসি ও বি.এড ডিগ্রী অর্জন করেন, সেহেতু তিনি কোন ভাবেই লক্ষীপুর জেলার বর্নিত বিদ্যালয় সমূহে শিক্ষক হিসেবে নিয়োজিত থাকার বিষয়টি যথাযথ নয়।
ফরেস্ট কলোনী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, চটগ্রামে ০১/০৬/১৯৯৬ হইতে ৩১/০১/২০০২ খ্রিঃ পর্যন্ত ৫ বছর ৮ মাস বেতনভুক্ত অস্থায়ী শিক্ষক হিসেবে চাকুরী করলেও অজ্ঞাত কারণে তিনি তার দাখিলকৃত অভিজ্ঞতা সনদে অনারারি শিক্ষক হিসেবে কর্মরত থাকার বিষয় উল্লেখ করেন। শৃংখলা ভঙ্গ ও শিক্ষক কর্মচারীদের মধ্যে গ্রুপিং সৃষ্টির দায়ে ম্যানেজিং কমিটি ফরেস্ট কলোনী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিতাড়িত করেন।   
পাহাড়তলী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
ক্যান্টেন শামছুল হুদা উচ্চ বিদ্যালয়, সীতাকুন্ড, চট্টগ্রামে সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে ৯ মাস চাকুরী করে তিনি ৯বছর ১মাসের ভুয়া অভিজ্ঞতা সনদ এবং ক্যান্টেন শামছুল হুদা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ মাসের এমপিও শিক্ষকতার অভিজ্ঞতার সনদ দিয়ে আবেদনের যোগ্যতা না থাকা সত্বেও ০৮/০১/২০০৩খ্রিঃ হইতে ৩০/০৮/২০১৪ খ্রিঃ পর্যন্ত ১১বছর ৮মাস পাহাড়তলী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রামে সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন জালিয়াতির মাধ্যমে ৯ম গ্রেডে এমপিওভুক্ত হন। পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের ২৭/০৩/২০১২ খ্রি. এর পরিদর্শন প্রতিবেদনের ১৫(ঠ)(ড)এর মন্তব্য অনুসারে অবৈধ ভাবে এমপিওভুক্ত হয়ে সরকারী অর্থ আত্মসাৎ এর বিষয়টি প্রমাণিত হয়। বিধি মোতাবেক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের সুপারিশ করা হয়। অভিযুক্ত তার জালিয়াতির তথ্য লুকানোর জন্য বারবার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিবর্তনের মাধ্যমে সরকারী অর্থ আত্মসাতের চেস্টা চালান। পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের ২৭/০৩/২০১২ খ্রি. এর পরিদর্শন প্রতিবেদনের ১৫(ঠ)(ড)এর নির্দেশনা অমান্য করে একই প্রতিষ্ঠানে (০১/০৯/২০১৪-১৩/১২/২০১৬)পর্যন্ত ২ বছর ৪ মাস প্রধান শিক্ষক ছিলে্ন এবং (১৫/১২/২০১৬-৩১/১২/২০১৮) পর্যন্ত মাস্টার্সের ভূয়া সনদ সৃজন করে ২ বছর ১৫ দিন অধ্যক্ষ পদে কর্মরত থেকে সরকারী অর্থ আত্মসাৎ করেন। পাহাড়তলী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম এ প্রধান শিক্ষক পদে কর্মরত থাকা অবস্থায় 'আমেরিকা বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি, ঢাকা থেকে সান্ধ্যকালিন ক্লাশ ও পরীক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণপূর্বক এম এ ডিগ্রি অর্জন করা কোনক্রমেই সম্ভব নয়। সনদটি তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে কৃত্রিমভাবে জালিয়াতির মাধ্যমে সৃজিত। যা শিক্ষা বোর্ডের তদন্তে প্রমাণিত হয়।
তার বিরুদ্ধে ২৬/০৫/২০২৫ খ্রিঃ শিক্ষা বোর্ডে অভিযোগ দাখিল করার পর তিনি গত ১৯ জুন ২০২৫ খ্রিঃ চালানের ট্র্যাকিং নং ২৪২৫-০০৩৪৫৮৪৬২১ মূলে ৫৯২৫/-টাকা এবং ট্র্যাকিং নং ২৪২৫-০০৩৪৫৭৭৬৪৩ মূলে ১,৪৯,৮৩৮/ টাকা সরকারী কোষাগারে জমা দিয়ে একযুগের বেশী সময় পর দায়মুক্তির অপচেস্টা চালান। 
উত্তর মোহরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়
পাহাড়তলী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়,চট্টগ্রামে সহকারী প্রধান শিক্ষক পদ থেকে পদত্যাগ না করা, তথ্য গোপন করা, জালিয়াতির আশ্রয় গ্রহন করে ০১/০৩/২০০৩ খ্রিঃ হইতে ৩১/০৫/২০০৩খ্রিঃ পর্যন্ত ৩ মাস একই সাথে দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করেন এবং যথারীতি দুটি প্রতিষ্ঠান  থেকে সরকারী বেতন/ভাতা উত্তোলন করেন। তিনি চট্টগ্রাম মহানগর এলাকায় সরকারী প্রাথমিক বি্দ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক  পদে আবেদন কারী হিসেবে যোগ্য ছিলেননা। তিনি তার প্রকৃত স্থায়ী ঠিকানা (গ্রামঃ বিঞ্চুপুর ডাক-লক্ষীধর,থানা-রামগঞ্জ, জেলা-লক্ষীপুর) এর তথ্য গোপন করে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ২৮ নং ওয়ার্ড এর অর্ন্তগত তার লজিংবাড়ির (মাতব্বর নিবাস, কমার্স কলেজ রোড, মোগলটুলী, চট্টগ্রাম) ঠিকানার অনুকুলে ভূয়া জাতীয়তা সনদ সৃজন করে তথ্য গোপন করে চাকুরী গ্রহণ করেন।যা প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা ১৯৯১ এবং প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির পরিপন্থী এবং ফৌজদারী অপরাধ।
আগ্রাবাদ সরকারী কলোনী উচ্চ বিদ্যালয়
তিনি তার পূর্বের জাল-জালিয়াতির ইতিহাস মুছে দেয়ার জন্য পাহাড়তলী স্কুল এন্ড কলেজ এর অধ্যক্ষ পদ থেকে পদত্যাগ করে ০১/০১/২০১৯ খ্রিঃ আগ্রবাদ সরকারী কলোনী উচ্চ বিদ্যালয়ে্র প্রধান শিক্ষক পদে যোগদান করেন। এমপিও আবেদনের তথ্য ফরমে ০৫/০১/১৯৯৩ খ্রিঃ ৩০/১১/১৯৯৪ খ্রিঃ পর্যন্ত লক্ষীপুর জেলার রামগঞ্জ থানাধীন কাওয়ালীডাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ে ১বছর ৬মাস, ১/১২/১৯৯৪ হইতে ৩১/০৫/১৯৯৬ খ্রিঃ লক্ষীপুর জেলার লামনগর একাডেমী, রামগঞ্জ, ১বছর ৬মাস, ১/৬/১৯৯৬ খ্রিঃ হইতে ৩১/০১/২০০২ খ্রিঃ পর্যন্ত ফরেস্ট কলোনী উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রামে ৫ বছর ৮ মাস সহ সর্বমোট ৯ বছর ১ মাসের দাখিলকৃত ভুয়া অভিজ্ঞতার তথ্য গোপন করেন। এমনকি তিনি ক্যান্টেন শামছুল হুদা উচ্চ বিদ্যালয়, সীতাকুন্ডে ৮ মাস কোন পদে চাকুরী করেন সেই তথ্য ও গোপন করেন। আবেদন/নিয়োগ পরীক্ষার সিএস সীট/এমপিওভুক্তির অনলাইন আবেদনে জালিয়াতির মাধ্যমে সৃজনকৃত ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষ ২০১৬ সালের এম.এ(ইংরেজী) সনদ দাখিল করেন। তার বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মধ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে বিদ্যলয়ের অর্থ আত্মসাৎ এর বিস্তর অভিযোগ রয়েছে। প্রধান শিক্ষকের এইসব কর্মকান্ডে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। 
   
“সেই প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ম্যাজিস্ট্রেটের স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগ প্রমাণিত ব্যবস্থা গ্রহনের নির্দেশ”
চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ সরকারি কলোনি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কর্তৃক ম্যানেজিং কমিটির গত ৩১/০৮/২০২৪ খ্রি. তারিখের সভার কার্যবিবরণীর ১ম ও শেষ পাতা সঠিক রেখে ২য় পাতায় আলোচ্যসূচি-০৩-এ "এমপিওভুক্ত কয়েকজন শিক্ষক-কর্মচারীর এমপিও শীটে নাম, বয়স, জন্ম তারিখ, ব্যাংক হিসাব নম্বর, পদবি ও বিষয় সংশোধন প্রসঙ্গে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত” শিরোনামে জালিয়াতির মাধ্যমে কার্যবিবরণী সৃজন করেন। এবং গত ২৩/০২/২০২৫ খ্রি. তারিখের ভুয়া কার্যবিবরণী তৈরি করে অ্যাডহক কমিটির সভাপতি জনাব মোহাম্মদ শাহজাহান, সিনিয়র সহকারী কমিশনার (হিসাব ও নেজারত), বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়, চট্টগ্রাম এর স্বাক্ষর জাল করে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ইএমআইএস সেলে প্রেরণ করার অভিযোগ বিভাগীয় কমিশনার, চট্টগ্রাম এর তদন্ত এবং অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক জনাব মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, এর ০৪/০৬/২০২৫ খ্রিঃ এর দাখিলকৃত লিখিত স্বীকারোক্তি মোতাবেক তার বিরূদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় গত ১৯/১০/২০২৫ খ্রিঃ বিভাগীয় কমিশনার, কার্যালয়ের সিনিয়য় সহকারী কমিশনার(উন্নয়ন) জনাব মোঃ রিদুয়ানুল ইসলাম স্বাক্ষরিত পত্রে তাঁর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের বিষয়ে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এডহক কমিটির সভাপতিকে অনুরোধ করেন। 
মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমের তথ্য গোপন, স্বহস্থে লেখা ভুয়া অভিজ্ঞতা সনদ দিয়ে চাকুরী গ্রহন, একই সময়ে একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চাকুরী ও শিক্ষা জীবন পরিচালনা  এবং লক্ষীপুর জেলার স্থায়ী বাসিন্দা হওয়া সত্বেও তথ্য গোপন করে চট্টগ্রাম মহানগরীর ২৮ নং ওয়ার্ডের ‘মাতব্বর নিবাস, কমার্স কলেজ রোড, চট্টগ্রাম এর ঠিকানার জাল জাতীয়তা সনদ সৃজন করে চট্টগ্রাম মহানগরীতে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক পদে চাকুরী করেন। ২০০৬ খ্রিষ্টাব্দে ইউজিসি কর্তৃক বন্ধ ঘোষিত আমেরিকা বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের এম.এ (ইংরেজি)পাশের জাল সনদ দাখিল করে এমপিওভুক্ত সহকারী প্রধান শিক্ষক, প্রধান শিক্ষক এবং অধ্যক্ষ পদে চাকুরী করার বিষয়টি সন্দেহাতীত ভাবে প্রমাণিত হওয়ায় মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, চট্টগ্রাম এ বিষয়ে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নিতে গত ১৮ সেপ্টেম্বর বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতিকে চিঠি দিয়েছেন শিক্ষা বোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শক প্রফেসর মোঃ আবুল কাশেম।
মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সমূহ প্রমাণিত হলেও তিনি এখনো বহাল তবিয়তে আছেন। তার কৃত অপরাধ ধামা চাপা দেয়ার চেস্টার কোন ত্রুটি তিনি করছেন না।তার এসব জাল-জালিয়াতির বিষয়টি শিক্ষা প্রশাসন, অভিভাবক মহল, ছাত্র/ছাত্রী এবং এলাকার সচেতন মহলে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। আগ্রাবাদ সি জি এস কলোনী, আগ্রাবাদ হাজিপাড়া, দাইয়া পাড়া, বেপারী পাড়া, আগ্রাবাদ সিডিএ এলাকার বাসিন্দারা তার এইসব কার্যক্রমে অনেকটা বাকরুদ্ধ, তাঁরা মনে করেন এই ধরনের মুখোশধারী ব্যক্তিদের দ্রুত বিচারের আওতায় এনে সমাজে দৃষ্টান্ত স্থাপন করা উচিত।
যত অভিযোগ
ক্যাপ্টেন শামসুলহুদা উচ্চ বিদ্যালয়
জনাব মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, ক্যান্টেন শামছুল হুদা উচ্চ বিদ্যালয়, সীতাকুন্ড, চট্টগ্রামে সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে আবেদন/যোগদান/এমপিওভুক্তির তথ্য ফরমে ০৫/০১/১৯৯৩ খ্রিঃ ৩০/১১/১৯৯৪ খ্রিঃ পর্যন্ত লক্ষীপুর জেলার রামগঞ্জ থানাধীন কাওয়ালীডাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ে ১বছর ৬মাস, ১/১২/১৯৯৪ হইতে ৩১/০৫/১৯৯৬ খ্রিঃ লক্ষীপুর জেলার লামনগর একাডেমী, রামগঞ্জ, ১বছর ৬মাস, ১/৬/১৯৯৬ খ্রিঃ হইতে ৩১/০১/২০০২ খ্রিঃ পর্যন্ত ফরেস্ট কলোনী উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রামে ৫ বছর ৮ মাস সহ সর্বমোট ৯ বছর ১ মাসের ভুয়া অভিজ্ঞতা সনদ দাখিল করে ০১/০৫/২০০২ খ্রিঃ সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে ১ম এমপিওভুক্ত হন। অথচ তিনি এডহক কমিটির সভাপতির কারণ দর্শানোর দাখিলকৃত জবাব অনুযায়ী তিনি ০১/০১/১৯৯০ খ্রিঃ ৩০/১১/১৯৯৪ খ্রিঃ পর্যন্ত লক্ষীপুর জেলার রামগঞ্জ থানাধীন ‘টিওরি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে ৪ বছর ১১মাস জুনিয়র শিক্ষক হিসেবে চাকুরীরত থাকার বিষয় উল্লেখ করেছেন।যা কাওয়ালীডাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয় এবং লামনগর একাডেমী লক্ষীপুরের চাকুরীর অভিজ্ঞতার সাথে সাংঘর্ষিক। এবং ১৯৯০-৯১ শিক্ষাবর্ষে চট্টগ্রাম সরকারী কলেজে বি.এসসি(পাস)কোর্সে অধ্যয়ন করেন। ১৯৯৩ সালের এপ্রিল-জুন মাসে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ২৫/০৪/১৯৯৪ ইং তারিখ ফল প্রকাশিত হয়। ১৯৯৫-৯৬ শিক্ষাবর্ষে চট্টগ্রাম সরকারী শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজে বি.এড কোর্সে অধ্যয়ন করেন। ২৩/১১/১৯৯৬ইং বি.এড পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়। সুতরাং ১৯৯০ সাল থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত তিনি চট্টগ্রাম শহরে অবস্থান করে টিউশন করে বি.এসসি ও বি.এড ডিগ্রী অর্জন করেন, সেহেতু তিনি কোন ভাবেই লক্ষীপুর জেলার বর্নিত বিদ্যালয় সমূহে শিক্ষক হিসেবে নিয়োজিত থাকার বিষয়টি যথাযথ নয়।
ফরেস্ট কলোনী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, চটগ্রামে ০১/০৬/১৯৯৬ হইতে ৩১/০১/২০০২ খ্রিঃ পর্যন্ত ৫ বছর ৮ মাস বেতনভুক্ত অস্থায়ী শিক্ষক হিসেবে চাকুরী করলেও অজ্ঞাত কারণে তিনি তার দাখিলকৃত অভিজ্ঞতা সনদে অনারারি শিক্ষক হিসেবে কর্মরত থাকার বিষয় উল্লেখ করেন। শৃংখলা ভঙ্গ ও শিক্ষক কর্মচারীদের মধ্যে গ্রুপিং সৃষ্টির দায়ে ম্যানেজিং কমিটি ফরেস্ট কলোনী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিতাড়িত করেন।   
পাহাড়তলী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
ক্যান্টেন শামছুল হুদা উচ্চ বিদ্যালয়, সীতাকুন্ড, চট্টগ্রামে সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে ৯ মাস চাকুরী করে তিনি ৯বছর ১মাসের ভুয়া অভিজ্ঞতা সনদ এবং ক্যান্টেন শামছুল হুদা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ মাসের এমপিও শিক্ষকতার অভিজ্ঞতার সনদ দিয়ে আবেদনের যোগ্যতা না থাকা সত্বেও ০৮/০১/২০০৩খ্রিঃ হইতে ৩০/০৮/২০১৪ খ্রিঃ পর্যন্ত ১১বছর ৮মাস পাহাড়তলী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রামে সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন জালিয়াতির মাধ্যমে ৯ম গ্রেডে এমপিওভুক্ত হন। পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের ২৭/০৩/২০১২ খ্রি. এর পরিদর্শন প্রতিবেদনের ১৫(ঠ)(ড)এর মন্তব্য অনুসারে অবৈধ ভাবে এমপিওভুক্ত হয়ে সরকারী অর্থ আত্মসাৎ এর বিষয়টি প্রমাণিত হয়। বিধি মোতাবেক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের সুপারিশ করা হয়। অভিযুক্ত তার জালিয়াতির তথ্য লুকানোর জন্য বারবার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিবর্তনের মাধ্যমে সরকারী অর্থ আত্মসাতের চেস্টা চালান। পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের ২৭/০৩/২০১২ খ্রি. এর পরিদর্শন প্রতিবেদনের ১৫(ঠ)(ড)এর নির্দেশনা অমান্য করে একই প্রতিষ্ঠানে (০১/০৯/২০১৪-১৩/১২/২০১৬)পর্যন্ত ২ বছর ৪ মাস প্রধান শিক্ষক ছিলে্ন এবং (১৫/১২/২০১৬-৩১/১২/২০১৮) পর্যন্ত মাস্টার্সের ভূয়া সনদ সৃজন করে ২ বছর ১৫ দিন অধ্যক্ষ পদে কর্মরত থেকে সরকারী অর্থ আত্মসাৎ করেন। পাহাড়তলী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম এ প্রধান শিক্ষক পদে কর্মরত থাকা অবস্থায় 'আমেরিকা বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি, ঢাকা থেকে সান্ধ্যকালিন ক্লাশ ও পরীক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণপূর্বক এম এ ডিগ্রি অর্জন করা কোনক্রমেই সম্ভব নয়। সনদটি তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে কৃত্রিমভাবে জালিয়াতির মাধ্যমে সৃজিত। যা শিক্ষা বোর্ডের তদন্তে প্রমাণিত হয়।
তার বিরুদ্ধে ২৬/০৫/২০২৫ খ্রিঃ শিক্ষা বোর্ডে অভিযোগ দাখিল করার পর তিনি গত ১৯ জুন ২০২৫ খ্রিঃ চালানের ট্র্যাকিং নং ২৪২৫-০০৩৪৫৮৪৬২১ মূলে ৫৯২৫/-টাকা এবং ট্র্যাকিং নং ২৪২৫-০০৩৪৫৭৭৬৪৩ মূলে ১,৪৯,৮৩৮/ টাকা সরকারী কোষাগারে জমা দিয়ে একযুগের বেশী সময় পর দায়মুক্তির অপচেস্টা চালান। 
উত্তর মোহরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়
পাহাড়তলী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়,চট্টগ্রামে সহকারী প্রধান শিক্ষক পদ থেকে পদত্যাগ না করা, তথ্য গোপন করা, জালিয়াতির আশ্রয় গ্রহন করে ০১/০৩/২০০৩ খ্রিঃ হইতে ৩১/০৫/২০০৩খ্রিঃ পর্যন্ত ৩ মাস একই সাথে দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করেন এবং যথারীতি দুটি প্রতিষ্ঠান  থেকে সরকারী বেতন/ভাতা উত্তোলন করেন। তিনি চট্টগ্রাম মহানগর এলাকায় সরকারী প্রাথমিক বি্দ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক  পদে আবেদন কারী হিসেবে যোগ্য ছিলেননা। তিনি তার প্রকৃত স্থায়ী ঠিকানা (গ্রামঃ বিঞ্চুপুর ডাক-লক্ষীধর,থানা-রামগঞ্জ, জেলা-লক্ষীপুর) এর তথ্য গোপন করে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ২৮ নং ওয়ার্ড এর অর্ন্তগত তার লজিংবাড়ির (মাতব্বর নিবাস, কমার্স কলেজ রোড, মোগলটুলী, চট্টগ্রাম) ঠিকানার অনুকুলে ভূয়া জাতীয়তা সনদ সৃজন করে তথ্য গোপন করে চাকুরী গ্রহণ করেন।যা প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা ১৯৯১ এবং প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির পরিপন্থী এবং ফৌজদারী অপরাধ।
আগ্রাবাদ সরকারী কলোনী উচ্চ বিদ্যালয়
তিনি তার পূর্বের জাল-জালিয়াতির ইতিহাস মুছে দেয়ার জন্য পাহাড়তলী স্কুল এন্ড কলেজ এর অধ্যক্ষ পদ থেকে পদত্যাগ করে ০১/০১/২০১৯ খ্রিঃ আগ্রবাদ সরকারী কলোনী উচ্চ বিদ্যালয়ে্র প্রধান শিক্ষক পদে যোগদান করেন। এমপিও আবেদনের তথ্য ফরমে ০৫/০১/১৯৯৩ খ্রিঃ ৩০/১১/১৯৯৪ খ্রিঃ পর্যন্ত লক্ষীপুর জেলার রামগঞ্জ থানাধীন কাওয়ালীডাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ে ১বছর ৬মাস, ১/১২/১৯৯৪ হইতে ৩১/০৫/১৯৯৬ খ্রিঃ লক্ষীপুর জেলার লামনগর একাডেমী, রামগঞ্জ, ১বছর ৬মাস, ১/৬/১৯৯৬ খ্রিঃ হইতে ৩১/০১/২০০২ খ্রিঃ পর্যন্ত ফরেস্ট কলোনী উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রামে ৫ বছর ৮ মাস সহ সর্বমোট ৯ বছর ১ মাসের দাখিলকৃত ভুয়া অভিজ্ঞতার তথ্য গোপন করেন। এমনকি তিনি ক্যান্টেন শামছুল হুদা উচ্চ বিদ্যালয়, সীতাকুন্ডে ৮ মাস কোন পদে চাকুরী করেন সেই তথ্য ও গোপন করেন। আবেদন/নিয়োগ পরীক্ষার সিএস সীট/এমপিওভুক্তির অনলাইন আবেদনে জালিয়াতির মাধ্যমে সৃজনকৃত ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষ ২০১৬ সালের এম.এ(ইংরেজী) সনদ দাখিল করেন। তার বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মধ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে বিদ্যলয়ের অর্থ আত্মসাৎ এর বিস্তর অভিযোগ রয়েছে। প্রধান শিক্ষকের এইসব কর্মকান্ডে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। 
   
“সেই প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ম্যাজিস্ট্রেটের স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগ প্রমাণিত ব্যবস্থা গ্রহনের নির্দেশ”
চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ সরকারি কলোনি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কর্তৃক ম্যানেজিং কমিটির গত ৩১/০৮/২০২৪ খ্রি. তারিখের সভার কার্যবিবরণীর ১ম ও শেষ পাতা সঠিক রেখে ২য় পাতায় আলোচ্যসূচি-০৩-এ "এমপিওভুক্ত কয়েকজন শিক্ষক-কর্মচারীর এমপিও শীটে নাম, বয়স, জন্ম তারিখ, ব্যাংক হিসাব নম্বর, পদবি ও বিষয় সংশোধন প্রসঙ্গে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত” শিরোনামে জালিয়াতির মাধ্যমে কার্যবিবরণী সৃজন করেন। এবং গত ২৩/০২/২০২৫ খ্রি. তারিখের ভুয়া কার্যবিবরণী তৈরি করে অ