চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষে এক বিতর্কিত পদোন্নতিকে ঘিরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিরাপত্তা পরিদর্শক থেকে পদোন্নতি পেয়ে কর্মকর্তা হওয়া মাহতাবকে ঘিরে বন্দরজুড়ে প্রশ্ন ও অসন্তোষ বাড়ছে।
বন্দর সূত্রে জানা যায়, গত ৪ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে বন্দর থেকে মদ পাচারের সময় মদসহ মাহতাবকে আটক করা হয়। পরে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলেও ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তাকে পুনরায় যোগদানের নির্দেশ দেয় কর্তৃপক্ষ। যোগদানের পরই তিনি পদোন্নতি পেয়ে কর্মকর্তা হন।
এই পদোন্নতিকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা রক্ষী থেকে শুরু করে বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা বলেন, “যেখানে চাকরি হারানোর কথা, সেখানে পদোন্নতি—এ যেন সর্ষের ভেতর ভূত। দুর্নীতি দমন কমিশনে অভিযোগ দিলে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসত।”
একই ঘটনার সঙ্গে জড়িত নিরাপত্তা বিভাগের দুই কর্মচারী—তহিদুল ইসলাম ও শরিফুল ইসলাম—মদের বোতলসহ আটক হওয়ার পর পুলিশে সোপর্দ হন। আদালত তাদের কারাগারে পাঠায়। পরে তারা জামিনে মুক্তি পান এবং বর্তমানে সাময়িক বরখাস্ত রয়েছেন।
এমন প্রেক্ষাপটে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, একই ঘটনায় অভিযুক্তদের ক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন সিদ্ধান্ত কেন? পদোন্নতির সিদ্ধান্ত কতটা স্বচ্ছ ও যৌক্তিক—তা নিয়ে আলোচনা চলছে বন্দরজুড়ে।
এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে সংশ্লিষ্টদের দাবি, ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত ও স্বচ্ছ ব্যাখ্যা এখন সময়ের দাবি।