‘সচেতন নাগরিকদের দায়িত্ব হলো মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সাহসী হয়ে প্রতিবাদ করা। প্রতিবাদ, প্রতিরোধের মধ্য দিয়ে অসাম্প্রদায়িকতার বীজ বপন করতে হবে।
আপোষহীন হতে হবে সর্বত্র। ’
মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) বিকেলে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের এস রহমান মিলনায়তনে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি চট্টগ্রাম জেলা আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন বক্তারা।
সংগঠনের জেলা সভাপতি প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদারের সভাপতিত্বে প্রধান আলোচক ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মফিজুর রহমান। প্রধান বক্তা ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমন্বয়ক লেখক-সাংবাদিক শওকত বাঙালি।
বিশেষ অতিথি ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোজাফফর আহমেদ, কবি-গবেষক কমলেশ দাশগুপ্ত।
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এ.কে.এম জাবেদুল আলম সুমনের সঞ্চালনায় অন্যদের মধ্যে আলোচনায় অংশ নেন, জাতীয় মহিলা শ্রমিকলীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও সংগঠনের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক রুবা আহসান, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক দেবাশীষ আচার্য্য, মুক্তিযোদ্ধা ছাত্র কমান্ডের সদস্য সচিব কাজী মুহাম্মদ রাজিশ ইমরান, সংগঠনের জেলা সহ-সাধারণ সম্পাদক আবু সাদাত মো. সায়েম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক চৌধুরী, সুমন চৌধুরী, মিথুন মল্লিক, অ্যাডভোকেট মো. সাহাব উদ্দিন, অসিত বরণ বিশ্বাস, সহ-মহিলা বিষয়ক সম্পাদক সূচিত্রা গুহ টুম্পা, সহ-তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আলাউদ্দিন বাবু, সহ-প্রচার ও গণমাধ্যম সম্পাদক রুবেল চৌধুরী, সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক শাহাদাত নবী খোকা, সাংস্কৃতিক সম্পাদক রাজীব চৌধুরী, কার্যনির্বাহী সদস্য আখতার হোসেন প্রমুখ।
এসময় প্রধান আলোচক মফিজুর রহমান বলেন, ‘৯৪ সালের ২৬ জুলাই গোলাম আযমকে প্রতিরোধের মধ্য দিয়ে চট্টগ্রাম যে সাহসী অধ্যায় রচনা করেছিলো তারই ফলশ্রুতিতে জীবদ্দশায় গোলাম আযম আর কোথাও কোন জনসভায় অংশগ্রহণ করতে পারেনি। চট্টগ্রাম থেকে তাকে বিতারণে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষশক্তি যে ভূমিকা রেখেছিলো জাতীয় রাজনীতিতে এই সাহসী অধ্যায় অনুকরণীয় হয়েছিলো।
সভায় ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির কেন্দ্রীয় যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমন্বয়ক লেখক-সাংবাদিক শওকত বাঙালি বলেন, একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ নির্মাণ না হওয়া পর্যন্ত নির্মূল কমিটির আন্দোলন চলমান থাকবে। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে দীর্ঘ ৩০ বছরের ধারাবাহিক আন্দোলনের ফসল শীর্ষস্থানীয় যুদ্ধাপরাধীদের বিচার।
সভাপতির বক্তব্যে প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদার বলেন, যুদ্ধাপরাধী এবং তাদের শিষ্যদের রাজাকারী চেতনা নিশ্চিহ্ন করার মধ্য দিয়ে একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ নির্মাণে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে আসতে হবে।