চট্টগ্রাম নগরীর পাহাড়তলী ডিটি রোড়ের হাজী ক্যাম্প সংলগ্ন পূর্বপাশের গলিতে করোনা মহামারীর সুযোগ নিয়ে রাতের আধারে সাড়ে ১১গন্ডা পুকুর ভরাট করে জাফর কলোনী নাম দিয়ে কাঁচা ঘর বেধে বেশ কয়েকটি মেটাল ফ্যাক্টরি ভাড়া দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া যায়।
গত মঙ্গলবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পুকুর ভরাট করে ৮/১০টি টিনের ঘেরাও দিয়ে মেটাল ফ্যাক্টরিকে ভাড়া দেওয়া হয়। মেটাল ফ্যাক্টরির একাধিক কর্মচারী স্বীকার করেন পুকুর ভরাট করে এই ঘর গুলি নির্মাণ করেছেন ।এই ঘর গুলি নির্মাণ করেছেন আবদুল মালেক,আবদুল খালেক ও মোবারক মিয়া নামে তিন ব্যক্তি।তারা আমাদের জমিদার।
জাফর কলোনী অন্যতম মালিক মোবারক মিয়া এক সময় এক কথা বলছেন।তিনি একবার বলেন ডুবা পরেক্ষনে বলেন ময়লা ফেলার গত। আর.এস ও বি.এস খতিয়ানে পুকুর উল্লেখ আছে। প্রকৃত পক্ষে এটি ছিল পুকুর।এলাকার আশে পাশের বেশ কয়েকজন ব্যক্তি স্বীকার করেন, প্রায় তিনকিলোমিটার এলাকায় এটি একমাত্র পুকুর।এই পুকুরের আমরা গোসল করতাম ।ছেলের সাতার কাটত।বর্তমানে মেটাল ফ্যাক্টরির টুংটাক শব্দ কারণে আশেপাশে সাধারণ মানুষের জীবন অতিষ্ঠ হয়ে গিয়াছে। দখলদারদের ভয়ে কেউ মুখ খুলে না।এরা আর্থিক রাজনীতি ভাবে এতো শক্তিশালি পুকুরের বাকী ওয়ারিশ গন ও ভয়ে এর আশেপাশে আসে না।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ব্যক্তি বলেন,এই পুকুরটি আমির আহমেদের নিজের সম্পত্তি।মৌরশী সুত্রে তার পাচঁ সন্তান জাফর আহমেদ ,কবির আহমেদ ,সুলতান আহমেদ,অলি আহমেদ ,সাবের আহমেদ এই সম্পত্তির মালিক হলেও জাফর আহমেদ এর ছেলে আবদুল মালেক,আবদুল খালেক ও মোবারক মিয়া জোরজবস্তি দখল পুকুর ভরাট করে টিনের ভেড়া ঘর নির্মাণ করে।তারা ঘরের ভাড়া আদায় করছে। তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে নাশকতাসহ ৪/৫টি করে মামলা আছে বলে জানা গেছে। এরা সবাই বি এন পি জামাত শিবিরের রাজনীতি সাথে জড়িতবলে জানা গেছে।
জাফর কলোনীর ভাড়াটিয়া আবেদিন স্টিলের মালিক জয়নাল আবেদিন বলেন, এক সময় পুকুর ছিল। পুকুর ভরাট করে ঘর নির্মাণ করে।
জাফর কলোনীর মালিক মোবারকের কাছে পুকুর ভরাট করার সময় পরিবেশ অধিদপ্তরে অনুমতি নিয়েছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি এড়িয়ে যান। এক সময় এক কথা বলছেন। তিনি একবার বলেন ডুবা পরেক্ষনে বলেন ময়লা ফেলার গর্ত।
পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম মহানগরের পরিচালক হিল্লোর বিশ্বাস ঠিকানা দেওয়ার অনুরোধ করেন এবং ম্যাজিস্টেট পাঠিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান।