ইট প্রস্তুত  ভাটা নিয়ন্ত্রণ আইন শীতল করে ২০২৫ সাল পর্যন্ত পরিচালনা ও কয়লা সংকট নিরসনের দাবিতে চট্টগ্রাম জেলা প্রস্তুতকারী মালিক সমিতির উদ্যোগে গতকাল রবিবার দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব চত্বরে মানববন্ধন  অনুষ্ঠিত হয়।

বক্তারা অভিযোগ করেন,  ২০১০ সালের পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী জিগজ্যাগ ভাটা রুপান্তর  কার্যক্রম পরিচালনা করতে ২ কোটি টাকা খরচ হয়। ২০১৩ সালের জিগজ্যাগ ভাটা বৈধ পদ্ধতি উল্লেখ থাকলেও “দূরত্ব নির্দিষ্ট ” করনের কারণে দেশে অধিকাংশ জিগজ্যাগ অবৈধ হয়ে পড়ে। দেশের কোথাও ইটভাটা স্থাপনের জায়গাও পাওয়া যাবে না ।২০১৩ সালের পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রজ্ঞাপনের কিছু ধারা ২০১৯ সালের কিছু সংশোধন করলেও উক্ত আইনের কিছু ধারা সংশোধন না করাই অধিকাংশ মালিক লাইসেন্স ও পরিবেশ ছাড়পত্র না পাওয়ায় হয়রানি শিকার হচ্ছে।

 সারা দেশে আট হাজার ও অধিক জিগজ্যাগ ইট ভাটা রয়েছে ,এতে ৪০ লক্ষ দক্ষ শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে, ৫০০ কোটি টাকা ভ্যাট  আয়কর ,স্থানীয় ভূমিকর প্রদানসহ সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখছে। ইটভাটা বন্ধ হয়ে গেলে ৮০ লক্ষ লোক বেকার হয়ে পড়বে সরকার ঘোষিত ২০৪১ ঘোষিত  ভিশন ব্যাহত হবে ।
ইটভাটার মালিকগণ এখন সবচেয়ে বড় সমস্যায় আছে ইট পোড়ানোর প্রধান উপাদান জ্বালানী কয়লা নিয়ে । যাহা সম্পূর্ণ আমদানী নির্ভর , প্রতিটন কয়লা আমদানীতে কয়লার মূল্য , ট্যাক্স , ভ্যাট সহ সর্বাধিক ১৮ থেকে ২০ হাজার টাকা ব্যয় হয় কিন্তু অতি মুনাফা লোভী আমদানী কারকরা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ২৮ থেকে ৩০ হাজার টাকা বিক্রয় করছেন ।

নিষিদ্ধ এলাকার  দুরত্ব ৪০০ মিটার ও বনের দুরত্ব ৪০০ মিটার করে আগামী ২০৩০ ইংরেজী সাল পর্যন্ত লাইসেন্স ও ছাড়পত্র প্রদান করে বৈধ জিগজ্যাগ ইটভাটা গুলিকে পরিচালনা করার সুযোগ প্রদানে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা ইট প্রস্তুতকারক মালিক সমিতির নতুন কমিটির সভাপতি  রাউজান পৌরসভার মেয়র জমির উদ্দিন পারভেজ, সাধারণ সম্পাদক রাঙ্গুনিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার সামশুল আলম তালুকদার ,সিনিয়র সহ সভাপতি  ফটিকছড়ির মেয়র, উত্তরজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আলহাজ ইসমাঈল হোসাইন. এস.এম শাহেদ উল্লাহ  আমীনুল হক চৌধুরী , ফরিদুল আলম, আবদুর রহিম বাদশা, সিরাজ উদ্দিন চৌধুরী, আবিদ হোসেন মানু, সাইফুল ইসলাম খোকা, আনোয়ার কোং মোহাম্মদ আলী, ইকবাল হোসেন চৌধুরী মিল্টন, শফিউল আজম, সৈয়দ হোসেন কোম্পানী,  কামাল উদ্দিন চৌধুরী, মোঃ সেকান্দর হোসেন চৌধুরী,  মো. রাশেদুল ইসলাম মো. সরোয়ার, এস এম ইকবাল তালুকদার।