কক্সবাজারের চকরিয়ায় তামাক চাষ নিয়ন্ত্রণে বিকল্প ফসল উৎপাদন ও বহুমুখী আয়ের উৎস সৃষ্টি প্রকল্পের আওতায় গ্রীষ্মকালীন তরমুজ চাষে সফলতার উপর মাঠ দিবস অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। পিকেএসএফ এর সমম্বিত কৃষি ইউনিটভুক্ত ইয়ং পাওয়ার ইন সোশ্যাল এ্যাকশন (ইপসা'র) উদ্যোগে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে চকরিয়া উপজেলার কাকারা ইউপির শাহ্ওমরাবাদ এলাকায় এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্থানীয় কয়েক শত কৃষক পরিবার অংশ গ্রহন করেন ।
গ্রীষ্ম কালীন তরমুজ চাষ করে সফল হওয়া কাকারার এলাকার কৃষক মো:রায়হান জানান, তিনি মাত্র ১৮ শতক জমিতে তরমুজ চাষ করে ৩০ হাজার টাকা লাভ করেছেন। ফসল তুলা শেষ হলে আরো কিছু টাকা লাভ করতে পারবেন তিনি।
স্বাগত বক্তব্যে ইপসা'র কৃষি কর্মকর্তা জনাব মোঃ সোহাগ হোসেন বলেন , গ্রীষ্মকালীন তরমুজ বছরে ৩ থেকে ৪ বার চাষ করা যায়। ইপসার পরামর্শে তামাক চাষ ছেড়ে তরমুজ চাষকরে অনেকেই সফল ও লাভবান হয়েছেন।
তিনি আরো বলেন, তরমুজ চাষ করতে প্রথমে মাচা একবার লাগালে এ মাচা দিয়ে তিন চারবার তরমুজ চাষ করা সম্ভব। প্রথমবারে খরচ বেশি হলেও পর্যায়ক্রমে সেটি কমে আসে। তিনি বলেন, তামাক বছরে একবার চাষ করা যায়। কিন্তু বিভিন্ন ফসল তিন থেকে চারবার চাষ করা সম্ভব।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে চকরিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এস এম নাছিম হোসাইন বলেন, ইপসার উদ্যোগে কয়েক বছর ধরে চকরিয়ার বেশকিছু এলাকায় তামাকের পরির্বতে তরমুজসহ বিভিন্ন ফসল উৎপাদনে চাষবাদ করেছেন কৃষকেরা। মাট দিবসের মত গুরুত্বপূর্ণ ইপসা'র এ সুন্দর আয়োজন কে স্বাগত জানাচ্ছি ।
আমার আশা একদিন তামাক চাষিরা তামাক চাষ ছেড়ে ফসল উৎপাদনে চলে আসবে । এ এলাকার একজন কৃষক গ্রীষ্মকালীন তরমুজ চাষ করে ব্যাপক সফলতা পেয়েছেন।
অন্যদিকে উপজেলা কৃষি অধিদপ্তরের পক্ষ থেকেও কৃষকদের তামাক চাষ ছাড়তে ও নানান রকম ফসল উৎপাদনে প্রশিক্ষণসহ যাবতীয় সহযোগীতা দেওয়া হচ্ছে।
এসময় ইস্পাহানি বীজ কোম্পানির প্রতিনিধিগণ, ইপসা'র পদস্থ কর্মকর্তা, সমাজের সচেতন গন্যমান্য ব্যাক্তি বর্গ, শিক্ষক, কৃষক পরিবারের সদস্যসহ বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।