উপজেলা  নির্বাচনের ফলাফল ঘোষনার পর কালাপানিয়া ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি কাদের মেম্বার ও তার সহোদর ভাই ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পারভেজ এর উপর হামলা।

কালাপানিয়া ২নং ওয়ার্ডের ২নং কেন্দ্রের সন্দ্বীপ উপজেলা পরিষদের উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ ও গণনা শেষে  মাগরিবের পরে কালাপানিয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান টিটুর নেতৃত্বে হোন্ডা এবং  সিএনজি টেক্সি যোগে ৫০ জনের সন্ত্রাসী গ্রুপ  কালাপানিয়া ২নং ওয়ার্ডের দ্বীপবন্ধু সংসদে অবস্থানরত কালাপানিয়া আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি মো আবদ্দুল কাদের মেম্বারের উপর অতর্কিত বন্দুকের গুলি চালায়। সাথে কিরিচের কোপ ও লাঠির হামলা চালানো হয়। সংসদে থাকা চেয়ার, টেবিল, টেলভিশন ও বঙ্গবন্ধু এবং প্রধানমন্ত্রী শেখহাসিনার ছবিও ভাঙচুর করা হয়। চেয়ারম্যানের হাতে পরপর দু রাউন্ড গুলি চালালে কাদের মেম্বারের বড় ভাই ২নং ওয়ার্ডের আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মো পারভেজসহ সাধারণ পথযাত্রী আহত হয়।গুরুতর এ হামলার নেতৃত্বে ছিলেন বন্ধুক হাতে চেয়ারম্যান আলিমুর রাজি টিটু। চেয়ারম্যানের ছোটো ভাই সন্ত্রাসি মিঠু, চেয়ারম্যানের ভাতিজা খুশবুর ছেলে জয়, ৯নং ওয়ার্ডের মেম্বার জনাব বাহার উদ্দীন, এক নং ওয়ার্ডের নিজাম উদ্দীন, মারুফ আহমেদ শুভ, ২নং ওয়ার্ডের বেলাল উদ্দীন, দিলদার, সাহেদ, মো রাসেল, সুমন(ভান্ডারির ছেলে), রিপাত(পিতা বোরহান), রিপাত (পিতা রিদোয়ান)আরাফাত হোসেন, মোং হোসেন, মাহফুজুর রহমান সুমন (সন্দ্বীপ ছাত্রলীগ সভাপতি) মো তাজুল ইসলাম(ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সেক্রেটারি) বাত্তি রুবেল, কালা রবি, নবীন হাসান, সিরাজ(ইউনিয়ন পরিষদের উদ্দোক্তা) বাবলু মেম্বার, জাকের মেম্বার, মামুন (ইউনিয়ন ট্যাক্সগ্রহণকারী),সাজিদ, আবু তালিব ওরফে আবোল তাবোল, সন্ত্রাসি দেলোয়ার, সন্ত্রাসি কামাল, আবদুস সামাদ আজাদ(উপজেলা ছাত্রলীগ সাংগঠনিক সম্পাদক) রাসেল ও নজরুল(জামসেদ নেতার ছেলে), জাহিদ হাসান ছোট্টন,ছোট্রনের বড় ভাই মো জাবেদ, হাবিব উল্যাহ বাহার, মো রাকিব সহ শতাধিক।
হামলার কারণ হিসেবে জানা যায়, পূর্বের জের ধরে অতর্কিত এ হামলা চালায় ক্লাবে বসা সবার উপর। আরো জানা যায়, কাদের মেম্বার আসন্ন কালাপানিয়া ইউপির চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্যপ্রার্থী।

একই দিন গাছুয়া হক সাহেবের বাজার এলাকায় গাছুয়ার চেয়ারম্যান আবু হেনা ও তার ছোট ভাই সুমনের নেতৃত্বে ২০/২৫ জন সন্ত্রাসী সোহেল মেম্বারের বাড়িতে হামলা করে এবং সেখানে কয়েক রাউন্ড গুলিবর্ষণ করে।

তারা আজ গাছুয়া এ কে একডেমি স্কুলের সামনে কামরুল নামের এক যবলীগ নেতার দোকানে হামলা করে এবং তাকে না পেয়ে তার ভাইকে অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ করে।

আনারস প্রতীকের পক্ষে নির্বাচন করায় আজ সেনের হাটে পৌরসভা আওয়ামী লীগ নেতা মহিউদ্দিন পাটোয়ারী দুটি মোটর চালিত অটো রিক্সা ভাংচুর করে।

আজ ধোপারহাটে উপজেলা যুবলীগ সভাপতি ছিদ্দিকের নেতৃত্বে ধোপারহাটে সন্ত্রাসী মহড়া দিয়ে আনারস প্রতীকে নির্বাচন করা নেতা কর্মিদের মারধর করার জন্য খোঁজতে থাকে এবং আনারস প্রতীকের প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট রাজিবুল আহসান সুমনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অশ্লীল ভাষায় শ্লোগান দিয়ে নেতা কর্মিদের মারার জন্য খোঁজতে থাকে।

আজ পৌরসভার কাউন্সিলর সুমির স্বামী কাউসার মাহমুদ দিদার ও তার ছোট ভাই সাইফুলের নেতৃত্বে ১০/১২ জন সন্ত্রাসী আনারসের মাইক প্রচারের দায়িত্বে থাকা হরিশপুরের যুবলীগ কর্মী মান্নাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায়।  পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে।