গতকাল সোমবার বিকালে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে নিবন্ধনবিহীন গরীবুল্লাহ শাহ হাউজিং সোসাইটির প্রধান উপদেষ্টা দিদারুল আলম চৌধুরী ও একই সমিতির সভাপতি মহিউদ্দিন বাবুল ও সাধারণ সম্পাদক মো: কাঊছারের বিরুদ্ধে চাদাবাজি,দখলবাজি,মিথ্যে মামলা দিয়ে হয়রানি ও পরিবারের নারী সদস্যদের শ্লীলতাহানির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী মিনুয়ারা বেগম ।
তিনি অভিযোগ করেন, হামলার ঘটনায় পর উল্লেখিতদের বিরুদ্ধে খুলশী থানায় একটি জিডি ও একটি অভিযোগ করা হয় । উক্ত ঘটনায় খুলশী থানা কর্তৃক তেমন সহযোগিতা করছে না বলে জানান। পরবর্তীতে চট্টগ্রামের ডিসি নর্থের হস্তক্ষেপে নির্মাণ কাজ বন্ধ রয়েছে বলে জানান।


তিনি অভিযোগ করেন, পৈতৃক সূত্রে প্রাপ্ত ২০.০০ শতক সম্পত্তিতে দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করিয়া আসিতেছি। ৪টি দলিল মূলে খরিদা সূত্রে আমার পিতার রেজিষ্ট্রার্ড নামজারী খতিয়ান আছে পরবর্তীতে আমাদের পিতার মৃত্যুর পর ওয়ারিশান সূত্রে আমরা ওয়ারিশগণ তপশীলোক্ত সম্পত্তির মালিক সত্ববান হইয়া সরকারী খাজনাদি পরিশোধ করে ভোগ দখলে স্থিত থাকিলেও বিবাদীগণ নানা উপায়ে আমাদের বসতভিটা সহ জায়গা দখলের পায়তারা করিয়া আসিতেছে।এক ভাই ছাড়া আমাদের পরিবারের সকলেই নারী সদস্য তার সুযোগ নিয়ে আমাদের নানাভাবে হয়রানি করছে এই দিদার ও তার বাহিনী।

তথাকথিত সমিতি কিংবা গরীবুল্লাহ হাউজিং সোসাইটির প্রধান উপদেষ্টা বলিয়া নিজেকে পরিচয় দেয় এবং তাহার নির্দেশে তথাকথিত সভাপতি মহিউদ্দিন বাবুল ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ কাউছার গত ১৬ই জুন জোরপূর্বক বসতভিটায় সাইনবোর্ড লাগানোর চেষ্টা করে এবং আমি ও আমার পরিবারের সদস্যদের গাল-মন্দ করে প্রাণনাশের হুমকি দিয়া যায়। ইতিমধ্যে আমি এ নিয়ে একটি জিডিও করেছি, যাহার নং- খুলশী থানা- ২১৪৪। জিডির ঘটনা জানিতে পারিয়া ১০ দিনের মাথায় এরপর উলটো আমাদের নিজেদের জায়গাতে নিজেরাই চুরি করেছি উল্লেখ করে থানা পুলিশকে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে ক্ষমতার অপব্যবহার করিয়া আমার এক মাত্র ভাই সহ আমাদের বোনেদের নামে মামলা করে,আমি জিডি করেছি জানিতে পারিয়া বিবাদীগণ আরো ক্ষিপ্ত হইয়া উঠে এবং পরবর্তীতে গত ৮ই জুলাই সকাল ৮টায়  ৪০-৫০ জন স্বশস্ত্র অজ্ঞাত লোকজন নিয়া আসিয়া পরিষ্কার করিবার নামে অবস্থান নেয় এবং অবৈধভাবে দখলের চেষ্টায় লিপ্ত থাকিয়া বিভিন্ন ফলজ গাছ কাটিয়া পরিবেশ বিপর্যয় ঘটায় এবং দেয়াল ভাঙ্গিয়া ফেলে ও রাত ১.০০ ঘটিকায় অবৈধভাবে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়া অবস্থান নেয় এবং জোরপূর্বক নির্মাণ কাজ চালাতে থাকে। এ ঘটনাপয় বারংবার ৯৯৯ সহ থানাকে অবহিত করিলে থানা পুলিশ কার্যত কোন ব্যবস্থা নেয় নাই। এরপর একইভাবে ৯জুলাই  পুনরায় নির্মাণ কাজ অব্যাহত রাখিয়া দখলের চেষ্টা করিলে নর্থ জোনের ডিসি মহোদয়কে বিষয়টি অবহিত করিলে থানা পুলিশ উপস্থিত হইলে প্রধান উপদেষ্টা দিদারুল আলম চৌধুরী  নেতৃত্বে অন্যরা অজ্ঞাতনামা ৩০-৪০ জনের দলবল নিয়া পুলিশের উপস্থিতিতেই স্বশস্ত্র হামলা চালিয়ে পরিবারের নারী সদস্যদের শ্লীলতাহানীসহ হত্যার উদ্দেশ্যে বেশ কয়েকজনকে আহত করে। যার ভিডিও ফুটেজ বিদ্যমান। পরবর্তীতে এখনও তাহারা পুলিশ চলিয়া গেলে পুনরায় দখলের উদ্দেশ্যে স্বশস্ত্র মহড়া ও অবস্থান করিতেছে যাহাতে আমি ও আমার পরিবার ভীত সন্ত্রস্ত্র ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগিতেছি।

এমতাবস্থায় ভুক্তভোগী পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী , স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইজিপি, পুলিশ কমিশনার, থানা, জেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চান।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন নিলু পারভীন, মুনমুন ফাতেমা, মনোয়ারা বেগম, ভাই জাহেদ হাসান।