স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে ক্ষুধা-দারিদ্রমুক্ত সুখী সমৃদ্ধ নতুন বাংলা গড়তে পল্লীবন্ধু এরশাদের অনবদ্য ভূমিকা চির অম্লান থাকবে এদেশের মানুষের হৃদয়ে। জাতীয় পার্টির ৯ বছরের শাসনামলে পল্লীবন্ধু এরশাদ এদেশের মানুষের কল্যাণে বিশেষ করে মহাকুমাকে জেলায় রূপান্তর, উপজেলা পদ্ধতি চালু, সিটি কর্পোরেশন চালু, সাপ্তাহিক ছুটি শুক্রবার, সংবিধানে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম প্রতিষ্ঠা, গুচ্ছগ্রাম, পথকলি ট্রাস্ট, নারী নির্যাতন আইন, বিদেশী মিশনে সৈন্য প্রেরণ, ঔষুধনীতিসহ বিভিন্ন কারণে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবেন চিরকাল বাংলাদেশের মানুষের কাছে। কারণ তিনি ছিলেন একাধারে দেশপ্রেমিক সেনা প্রধান, গরীবপ্রেমী রাষ্ট্র প্রধান। তার তুলনা তিনি নিজেই। ৯০ পরবর্তী সময়ে বার বার ষড়যন্ত্র করেও পল্লীবন্ধুর জনপ্রিযতায় ছেদ ধরাতে পারেনি বিএনপি-আওয়ামী লীগ সরকার। আজ ১৫ জুলাই বাদ আসর চট্টগ্রাম মহানগর জাতীয় পার্টির উদ্যোগে দলের প্রয়াত চেয়ারম্যান সাবেক সফল রাষ্ট্রপতি পল্লীবন্ধু এরশাদের ৪র্থ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত মিলাদ মাহফিল পূর্ব আলোচনায় বক্তারা উপরোক্ত কথা বলেন। নগর জাপা আহবায়ক ও কেন্দ্রীয় সদস্য মোঃ কামরুজ্জামান পল্টুর সভাপতিত্বে লালদীঘি শাহী জামে মসজিদে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নগর জাতীয় পার্টির যুগ্ম আহবায়ক কামাল উদ্দিন আহমেদ, জসিম উদ্দিন, রেজাউল করিম রেজা, নরুল আজিজ সওদাগর, সৈয়দ কমরুদ্দীন ফোরকান, ডবলমুরিং থানা সদস্য সচিব আরমান মিয়া, পাহাড়তলী থানা সদস্য সচিব হাজী আলী আকবর, নগর স্বেচ্ছাসেবক পার্টি নেতা বাহাদুর হক শাহ্, জাপা নেতা নাজিম উদ্দিন, আব্দুল মান্নান, শ্রমিক নেতা ওসমান গনি, মোহাম্মদ আলী, নুর মোহাম্মদ বাবুল, শোয়েব আহমদ, মোহাম্মদ সুমন প্রমুখ। মিলাদ শেষে দেশ, জাতি ও বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি সমৃদ্ধি কামনায় মুনাজাত পরিচালনা করেন হাফেজ মুহাম্মদ ইলিয়াছ।
স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে নতুন বাংলা গড়তে পল্লীবন্ধু এরশাদের ভূমিকা চির অম্লান হয়ে থাকবে