সংবর্ধিত হলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস ছয় অধ্যাপক। তারা হলেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, প্রাচ্যকলা বিভাগের অধ্যাপক হাশেম খান, চারুকলা ইনস্টিটিউটের অঙ্কন ও চিত্রায়ন বিভাগের অধ্যাপক রফিকুন নবী, আন্তর্জাতিক ব্যবসায় বিভাগের অধ্যাপক খন্দকার বজলুল হক, ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম ও উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক আতিউর রহমান। জাতির বুদ্ধিবৃত্তিক জাগরণে অনন্য অবদান রাখায় সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় অবসরপ্রাপ্ত যশস্বী এই ছয় শিক্ষককে ‘ইমেরিটাস অধ্যাপক’ ঘোষণা করা হয়।
বাংলাদেশ-ভারত ইতিহাস ও ঐতিহ্য পরিষদ এর সহযোগিতায় অনুষ্ঠান আয়োজন করে অনলাইন গণমাধ্যম বহুমাত্রিক ডটকম। ২৮ জুলাই শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর বিজয় স্মরণীর বঙ্গবন্ধু সামরিক জাদুঘরের মাল্টিপারপাস হলে (অ্যানেক্স ব্লকে) এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।  অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ইমেরিটাস অধ্যাপক এ কে আজাদ চৌধুরী।
আলোচনায় পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্বাধীন বাংলাদেশের এক গৌরবময় প্রতিষ্ঠান। এদেশের স্বাধিকার আদায় থেকে শুরু করে প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অন্যতম কেন্দ্র হয়ে উঠা এই বিশ্ববিদ্যালয় সৃষ্টি করেছে বিপুল সংখ্যক দক্ষ মানবসম্পদ। জাতির গৌরবের প্রতীক এই বিদ্যাপীঠ দেশবরেণ্য এই ছয় সাবেক শিক্ষককে ইমেরিটাস অধ্যাপক ঘোষণা করেছে; যা দেশের উচ্চ শিক্ষাঙ্গনে এটি এক বিরল ঘটনা। গুণী ও খ্যাতিমান সাবেক শিক্ষকদের সম্মানিত করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তার গৌরবময় ঐতিহ্যের ধারা বহাল রেখেছে।
অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন আয়োজক বাংলাদেশ-ভারত ইতিহাস ও ঐতিহ্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও বহুমাত্রিক ডটকম এর প্রধান সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম। সভাপতিত্ব করেন যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং  বাংলাদেশ-ভারত ইতিহাস ও ঐতিহ্য পরিষদের সহ-সভাপতি আনোয়ার হোসেন পাহাড়ী বীরপ্রতীক।সর্বশেষে ধন্যবাদ বক্তব্য দেন বাংলাদেশ-ভারত ইতিহাস ও ঐতিহ্য পরিষদের সভাপতি তাপস হোড়। শিক্ষাবিদদের সম্মানিত করার এই আয়োজনে রাজনীতিক, শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, গণমাধ্যম সম্পাদকসহ সমাজের বিশিষ্টজনরা উপস্থিত ছিলেন।