আমাকে সবাই চেনেন। অর্থ আত্মসাৎ, প্রতারনা ও মিথ্যা তথ্য প্রচার করে সামাজিকভাবে আমার মানহানী করেছে মুখোশধারী প্রতারক মনসুরুল হাসান জিয়া।

আজ বিকালে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন ফটিকছড়ি ধর্মপুর নিবাসি মরহুম এবাদুর রহমান এর বড় ‍পুত্র কাতার প্রবাসী ভুক্তভোগি মোহাম্মদ মুছা ।


তিনি লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করেন, ২৪ বছর প্রবাস জীবনের সঞ্চয় ২ কোটি ৩০ লক্ষ টাকা  মুখোশধারী প্রতারক মনসুরুল হাসান জিয়ার প্রলোভনের ফাঁদে পা দিয়ে তার হাতে তুলে দিই। তাকে দেওয়া ক্যাশ, চেক ও ব্যাংক ট্রান্সফার এর মাধ্যমে প্রত্যেকটা লেনদেনের প্রমাণ আছে।


তিনি জানান, জায়গা কেনা নিয়ে তার সাথে আমার ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। যার ফলে আমার মোজাফফর নগর বাসা ও বাড়ীতে  নিয়মিত তার ও তার পরিবারের যাওয়া আসা শুরু হয়। এতে করে আমার গ্রামের বাড়িঘর ও মোজাফফর নগর হাউজিং সোসাইটিতে আমার বাসভবনের উপর তার চোখ পরে। তখন সে উঠে পরে লাগে আমার টাকা পয়সা আত্মসাৎ করতে। ক্যাশ টাকা না থাকাতে তার প্রস্তাবে আমি বিনিয়োগে অসম্মতি জানায়। তার অতিরিক্ত জোরাজোরিতে আমি আশ্বস্ত হয়ে তার সাথে পার্টনারশিপে ব্যবসা করতে সম্মত হই এবং দফাই দফাই ২ কোটি ৩০ লক্ষ টাকা  তার হাতে তুলে দিই। তাকে দেওয়া ক্যাশ, চেক ও ব্যাংক ট্রান্সফার এর মাধ্যমে প্রত্যেকটা লেনদেনের প্রমাণ আছে।


কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন , আমার কষ্টাজিত টাকা ফেরতে স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চাই।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন প্রবাসীর স্ত্রী ,ছেলেমেয়েসহ প্রতিবেশি।