নগরীর আকবরশাহ বেলতলী এলাকায় বিনা নোটিশে বসতবাড়ি উচ্ছেদের অভিযোগ করেছেন তফসিল ভুক্ত সম্পত্তির মালিক "আকবর শাহ বেলতলী ঘোনা ভূমির মালিক কল্যাণ সমিতি"
আজ বিকালে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন "আকবর শাহ বেলতলী ঘোনা ভূমির মালিক কল্যাণ সমিতি"নামে ভুক্তভোগি একটি সমিতির সভাপতি এম এম ইউসুফ।
তিনি লিখিত বক্তব্যে জানান, গত ৬ ও ৯ জুলাই বিনা নোটিশে উত্তর পাহাড়তলী মৌজা বি. এস দাগ নং ৩৪২১, ০৪২৩, ১৫৯০ ১৫৯৩ দাগে বসতবাড়ি উচ্ছেদ এর কার্যক্রম পরিচালনা করেন। তখন আমরা নিরুপায় হয়ে সকল ভাড়াটিয়াসহ প্রায় ১০০০/১৫০০ পরিবার উচ্ছেদের কারণে এদিক সেদিক ছোটাছুটি করে প্রাণ রক্ষার্থে জানমাল নিয়ে পালাতে থাকি, যেমন ১৯৭১ সালে পাক হানাদার বাহিনী আমাদের নিরস্ত্র বাঙালি জাতীর উপর বর্বচিত হামলায় ঘরবাড়ি জ্বালিয়েছিল ঠিক তেমনি বিভিশিখাময় অবস্থা তৈরি হয় আমাদের উপর।
তিনি বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশে পাহাড়ী পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণ ঘরবাড়ি ও খাস জমির বস্তিবাসি উচ্ছেদ কথা জানালেও বাড়াবাড়ি করলে পরিবেশের মামলা দিয়া জড়ানোর ভয় দেথান চট্টগ্রাম কাট্টলী সার্কেলের এসি লাভ ওমর ফারুক সাহেব।
তিনি বলেন, ভূমি মন্ত্ৰী আমাদের কথা শুনিয়া তাহার একান্ত সচিব সাহেবের মাধ্যমে চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) কে ফোন করে বলেন ব্যক্তি মালিকানা এক ইঞ্চি জমি দেওয়ালের ভিতরে যেন না আসে এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও সচিব বরাবরে আবেদন করিলে বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশ সচিবালয় জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয় যুগ্ম সচিব মোঃ হামিদুল হক সাহেব মোবাইল করে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক চট্টগ্রাম (রাজস্ব) কে মালিকানা জমিতে দেওয়ালের কাজ না করার জন্য অবহিত করেন। এই নির্দেশনা না মেনে তিনি আমাদের সাথে আলাপ আলোচনা না করে রাতের অন্ধকারে আনসার পাহারায় দেওয়ালের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম মামুন , সাংগঠনিক সম্পাদক মো: মাহবুবুল আলম, অর্থ সম্পাদক আব্দুল আলিম, জমির মালিক মোঃ জলিল চৌধুরী, মোঃ নাসির ,শুক্কুর আহমেদ, ডাঃ মো কামাল, মোঃ মাইলুল ইসলাম, হাসিনা বেগম, পারভিন আক্তার ।