অর্থদন্ড  চার কোটি টাকা প্রদানের আদেশ  সম্পূর্ণ উদ্দেশ্য প্রনোদিত, আইনানুগ সাংঘর্ষিক ও বিধিবদ্ধ আইন পরিপন্থি ।

 

আজ সকালে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে চট্টগ্রাম কাগজ ও সেলোফিন ব্যবসায়ী গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক  মোঃ বেলাল এই অভিযোগ করেন।

 

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম কাস্টমস্, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, কমিশনার কোন প্রকার কারণ দর্শানো নোটিশ না দিয়ে গত ৭ই সেপ্টেম্বর  দাবীকৃত কর বে-আইনিভাবে একতরফাভাবে বহুগুন বৃদ্ধি করে   ছয় কোটি ঊনপঞ্চাশ লক্ষ ঊনপঞ্চাশ হাজার সাতশত আঠাশ  টাকা এবং অর্থদন্ড  চার কোটি টাকা আদেশ প্রদান করেন। যা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্য প্রনোদিত, আইনানুগ সাংঘর্ষিক ও বিধিবদ্ধ আইন পরিপন্থি ।

 

তিনি আরো বলেন, যেহেতু মূসক আইনের ৯ ধারা মোতাবেক রেয়াত গ্রহণ করা হয়নি এবং মূসক আইনের অধীনে অর্থদন্ড প্রদানের আদেশ কাস্টমস্, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারের এর এখতিয়ার বহির্ভূত এবং ৩৭ নং ধারার সুষ্পষ্ট লংঘন।  করদাবী আদেশের পর দ্বিতীয়বার একই কর দাবী করার অর্থ হলো বে-আইনিভাবে ও উদ্দেশ্যমূলকভাবে ডবল ট্যাক্স  দাবী করা।

 

সাধারণ ব্যবসায়ীরা চট্টগ্রাম কাস্টমস্, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, কমিশনারের অনৈতিক সুবিধা আদায়ে সীমাহীন ক্ষমতার অপব্যবহারে অ্যার্থিক ক্ষতি, মানসিক ও সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করা হতে রক্ষা করে তা তদন্তের সাপেক্ষে ব্যবসা বান্ধব পরিবেশে ব্যবসা পরিচালনা করে দেশের উন্নয়নে অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে ভূমিকা রাখতে পারে তার জন্য সরকারের উচ্চমহলের হস্তক্ষেপ চান।