শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর চট্টগ্রাম জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী ৮ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভবন নির্মাণে টেন্ডার আহ্বান করেছেন। এরঁ মধ্যে ৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নতুন বাকি ৫টি অসামপ্ত কাজ সমাপ্ত করণ প্রতিষ্ঠান। ৩টির মধ্যে চান্দগাঁও থানাধীন ওয়াইছিয়া দারুস সুন্নাহ দাখিল মাদ্রাসা এবং বাকলিয়া থানাধীন কামাল ইসকে মুস্তফা (সঃ) আলিম মাদ্রাসা ব্যাপক হরিলুটের আয়োজন করা হয়েছে। উক্ত দুই প্রতিষ্ঠান ২০১৯ সালে টেন্ডার করা হলেও এবার টেন্ডারে কোন রি-টেন্ডার কথা উল্লেখ নেই। সরজমিনে দেখা গেছে, উক্ত প্রতিষ্ঠানে কাজ (পাইলিং)আগেই করা কিন্তু বিল পরিশোধ করা হয়নি। কারণ তখনকার সময়ে রড ও ঢালাই রেইট ছিল যথাক্রমে ৮২টাকা কেজি এবং ১২০০০ টাকা প্রতি ঘনমিটার। কিন্তু বর্তমানে তা পি ডব্লিউ ডি ২২ রেইট সিডিউল অনুযায়ী যথাক্রমে ১২১ টাকা এবং ১৫০০০ টাকা প্রতি ঘনমিটার। যা প্রায় অর্ধকোটি টাকারও বেশি হরিলুট। এ বিষয়ে বর্তমান চান্দগাঁও থানায় দায়িত্ব প্রাপ্ত উপ-সহকারী প্রকৌশলী প্রজেশ বড়ুয়া কে ফোনে জিজ্ঞেস করলে উনি বিষয়টি জানা নাই বলে তৎকালীন সময়ে দায়িত্বে ছিল মোঃ আরমান হোসেনের কথা বললেন। আরমান হোসেনকে ফোনে জিজ্ঞেস করলে উনি বললেন এস্টিমেট আমি স্বাক্ষর করেছি কিন্তু কাজ বাস্তবায়ন (পাইলিং) ও প্রাক্কলনটি প্রস্তুত করেছেন বর্তমান কোতয়ালী থানায় দায়িত্বরত উপ -সহকারী প্রকৌশলী জনাব বিদ্যুৎ দে । এ বিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলীকে জানতে চাইলে উনি বিষয়টি সম্পর্কে জানা নেই বলে কথা শেষ করেন।যে ফার্মের নামে কাজ বাতিল করেছেন সেই ফার্মের মালিককে অন্য লাইসেন্সের মাধ্যমে কাজ পাইয়ে দেওয়ার জন্য উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সুপারিশ রয়েছে। এ বিষয়ে প্রধান প্রকৌশলীকে অবহিত করলে উনি বিষয়টি বিভাগীয় তদন্ত করবেন বলে জানান।