আওয়ামী লীগ সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বারবার হস্তক্ষেপ করেছে বলে অভিযোগ করেছেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সদস্যসচিব জাহিদুল করিম কচি। তিনি বলেন, ‘১৯৭৫ সালের ১৬ জুন বাকশাল গঠনের পর শেখ মুজিবুর রহমান সরকারি চারটি মিডিয়া বাদে সব সংবাদপত্র বন্ধ করে দেন। এতে শত শত সংবাদকর্মী বেকার হয়ে পড়েন, আমিও সেসময় চাকরি হারিয়েছিলাম।’
তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ যতবার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এসেছে, ততবারই গণমাধ্যমের ওপর কালো ছায়া নেমে এসেছে। গত ১৬ বছর ধরে হাসিনা সরকার সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমকে নিজেদের সেবাদাসে পরিণত করেছে। কিন্তু ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর দেশে যে গণমাধ্যম স্বাধীনতা ফিরে এসেছে, তা নজিরবিহীন।’
মঙ্গলবার (১৬ জুন) চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন (সিএমইউজে) আয়োজিত সংবাদপত্রের কালো দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে। সভাটি পরিচালনা করেন দিনকালের চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান হাসান মুকুল।
জাহিদুল করিম কচি বলেন, ‘গণমাধ্যমের স্বাধীনতা মানে রাষ্ট্রের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও সামাজিক স্থিতিশীলতা বিঘ্নিত করা নয়। বরং মিডিয়া কর্মীরা এসব রক্ষা এবং মানুষের মতপ্রকাশের অধিকার নিশ্চিত করার জন্যই কাজ করবে।’
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের অন্তর্বর্তীকালীন কমিটির সদস্য মুস্তফা নঈম, সিএমইউজের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহবুবুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক সালেহ নোমান, বাসসের বিশেষ প্রতিনিধি মিয়া মোহাম্মদ আরিফ, সিনিয়র সাংবাদিক ওয়াহিদ জামান, কামরুল হুদা, আমার দেশের ব্যুরো প্রধান সোহাগ কুমার বিশ্বাস, বিজনেস বাংলাদেশ ব্যুরো চিফ জাহাঙ্গীর আলম, বাংলাদেশ প্রতিদিনের স্টাফ রিপোর্টার ইমরান এমি, রূপালি বাংলাদেশের ব্যুরো প্রধান জালাল উদ্দীন সাগর এবং দৈনিক পূর্বদেশের স্টাফ ফটোগ্রাফার তালুকদার প্রমুখ।