মোল্লা রেজাউল করিম প্রধান বন সংরক্ষক চট্টগ্রাম। চট্টগ্রাম বিভাগীয় অঞ্চলের স্বঘোষিত রাজা।
মোল্লা রেজাউল করিমের আওতাধীন চট্টগ্রামের বনাঞ্চলে ফরেস্টারসহ বিভিন্ন কর্মকর্তাদের মাঝে চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে, যার জন্য দায়ী করা হচ্ছে রেজাউল করিমের বদলি বাণিজ্য এবং কাছের জনদের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় পদায়ন করা।
দ্বিতীয় পর্বে থাকছে..
মোল্লা রেজাউলের দুর্নীতি, চাঁদা আদায়কারী ডিএফও এবং ৪ ফরেস্টারের দুর্নীতি নিয়ে বিস্তারিত.....
ফরেস্টারদের সাথে আলোচনা করে জানা যায় তারা রেজাউল করিমের এ অনিয়মের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামছে।
রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে বদলি বাণিজ্যে ১০ কোটি টাকা লেনদেনের অভিযোগ। একযোগে ৭৭ জন বন কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের তাদের পছন্দমতো জায়গায় বদলি করা হয়। প্রত্যেক বদলির জন্য লেনদেন হয় মোটা অঙ্কের টাকা।
রেজাউল করিমের এই দুর্নীতির তথ্য জানতে দুর্নীতি দমন কমিশনের কর্মকর্তারা আসলে পরবর্তীতে তাদের ম্যানেজ করার জন্য দেড় কোটি টাকা চাঁদা উত্তোলন করেছেন বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বন বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান। এই টাকা উত্তোলনে একজন ডিএফও ও চারজন ফরেস্টার জড়িত ছিলেন এই ধরনের অভিযোগ রয়েছে।
দুর্নীতি দমন কমিশন কার্যালয়ে রেজাউল করিমের প্রতিনিধি একজন ফরেস্টার আপোষ করতে গেলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে রেজাউল করিমকে বাধ্য করা হয়। অবশেষে সে ফরেস্টারকে চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারে বদলি করা হয়।
রেজাউল করিম ঢাকার মিরপুর জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যানের পরিচালকের দায়িত্ব পালনকালে ২০১৭-২০১৮ ও ২০১৮-২০১৯ আর্থিক সালে সিভিল অডিট অধিদফতর অডিটকালে ১২টি সাধারণ অডিট আপত্তি উত্থাপিত হয়। জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যান ও টিকাটুলি বলধা গার্ডেনের পরিচালক থাকাকালীন সময় রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে সর্বমোট ২০ কোটি টাকা উন্নয়ন কাজের বরাদ্দের সীমাহীন দুর্নীতির অভিযোগ উঠে। গভীর নলকূপ স্থাপনে ৩০ লাখ টাকা খরচ হলেও দেখানো হয় সাড়ে ৭০ লাখের বেশি। পতিত পুকুর খননের নামে বিপুল অঙ্কের টাকা আত্মসাৎসহ ভুয়া প্যাড কাগজ এবং বিল ভাউচারের মাধ্যমে বিপুল অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে ।
দ্বিতীয় পর্বে থাকছে মোল্লা রেজাউল করিমের দুর্নীতি নিয়ে বিস্তারিত এবং এক কোটি টাকা উত্তোলন কারী সেই ডিএফও ও চারজন ফরেস্টারের দুর্নীতি নিয়ে ।
এই বিষয়ে জানতে চট্টগ্রামের প্রধান বন সংরক্ষক মোল্লা রেজাউল করিমকে ফোন করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।