চট্টগ্রাম, ৩১ জুলাই ২০২৫: নগরীর মুরাদপুর এলাকায় একটি সম্পত্তি দখল নিয়ে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগকারী জানান, কোনো ধরনের অপরাধে তাকে দোষী সাব্যস্ত করা যায়নি।

উক্ত সম্পত্তি যুগল রানী প্রজাপতি তার স্বামী প্রেমলাল প্রজাপতির মৃত্যুর পর ছাফ কবলা দলিলের মাধ্যমে বিক্রি করেন সন্তানদের ভরণ-পোষণের জন্য। এদিকে রত্না বালা প্রজাপতির পরিচয় ঘিরে প্রশ্ন উঠেছে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তিনি ওয়াসার কর্মচারী হিসেবে ‘রত্নাপ্রভা প্রজাপতি’ নামে পেনশন উত্তোলন করেছেন। তার জাতীয় পরিচয়পত্রে নাম রয়েছে ‘রত্না চৌধুরী’, ঠিকানা তুলা পুকুর লেইন, লালখান বাজার।

অভিযোগে আরও বলা হয়, রত্নাবালা প্রজাপতির আশ্রয়ে থাকা কিছু সন্ত্রাসী একটি আপোষ প্রস্তাব দেয়। এতে ৫ লক্ষ টাকার বিনিময়ে একটি চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর হয় এবং ২৪ জুলাই সকালে সম্পত্তি দখলমুক্ত করা হয়। পরে সিডিএ অনুমোদিত বহুতল ভবন নির্মাণের উদ্দেশ্যে ভাঙার কাজ শুরু করলে সুমন চৌধুরী, মোঃ নবী, ও বেবী চৌধুরী এসে বাধা দিয়ে অতিরিক্ত টাকা দাবি করে।

পরবর্তীতে তারা পুনরায় দখলের চেষ্টা করলে পুলিশকে ফোন করা হয়। পুলিশ ঘরের চাবি হস্তান্তরের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং উভয় পক্ষকে থানায় উপস্থিত হতে বলে। তবে অভিযোগ রয়েছে, থানায় বৈঠকের আগেই প্রতিপক্ষ সুমন চৌধুরী ও বেবী চৌধুরীর সহায়তায় চাবি বুঝে নেয় এবং অন্য একটি স্থাপনার আসবাব এনে মিথ্যা ভাংচুর নাটক সাজিয়ে মামলা দায়ের করে।

অভিযোগকারী জানান, প্রতিপক্ষ অতীতে বহু মিথ্যা মামলা করে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করেছে এবং এবারও একই কৌশল গ্রহণ করেছে।