বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপ কমিটির সদস্য ইসরাফিল খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ধানের শীষ উন্নয়ন অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির প্রতীক। এই প্রতীককে বিজয়ী করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকলে ধানের শীষকে কেউ হারাতে পারবে না। বিগত ১৭ বছর বিএনপির কেউ মাঠ ছেড়ে যায়নি। বিএনপি জনগণের অধিকারের জন্য আন্দোলন করেছে। তাই আগামী নির্বাচনে ধানের শীষে ভোট দিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
শনিবার (২২ নভেম্বর) বিকেলে নগরীর আগ্রাবাদ এক্সেস রোড় এলাকায় আসন্ন নির্বাচনে চট্টগ্রাম ১১ সংসদীয় আসনের গণসংযোগ পূর্ববর্তী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, দুর্নীতি, দুঃশাসন ও বৈষম্যমুক্ত রাষ্ট্র গঠনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতে ৩১ দফা কর্মসূচি ঘোষণা দিয়েছেন। এই কর্মসূচি শুধু একটি রাজনৈতিক অঙ্গীকার নয় বরং বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের ভোটাধিকার, নাগরিক অধিকার ও অর্থনৈতিক মুক্তির রূপরেখা। এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীকে বিপুল ভোটে ধানের শীষ প্রতীককে বিজয়ী করতে হবে।
তিনি বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে প্রশাসনে নিরপেক্ষতা ফিরিয়ে আনা হবে, বিচার বিভাগ স্বাধীন করা হবে এবং তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে। তারেক রহমানের ৩১ দফা কেবল রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, এটি জাতির পুনর্জাগরণের নীলনকশা। এই দফাগুলোর মাধ্যমে দেশে সুশাসন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা সম্ভব। এতে রয়েছে জনগণের ন্যায়বিচার, কর্মসংস্থান, শিক্ষা ও কৃষি উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি।
সভাশেষে গণসংযোগ করেন তিনি। গণসংযোগ চলাকালে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ মিয়া ভোলা, যুগ্ম আহ্বায়ক এম এ আজিজ, এস এম সাইফুল আলম, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হাজী মোহাম্মদ সালাউদ্দীন, হাজী হানিফ সওদাগর, সরফরাজ কাদের চৌধুরী রাসেল, বিএনপি নেতা সাবেক কাউন্সিলর মো. সেকান্দর, ডা. নুরুল আবসার, মোহাম্মদ শাহাবুদ্দীন, জাহিদুল হাসান, রোকন উদ্দিন মাহমুদ, সাবেক কাউন্সিলর হাসান মুরাদ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি এইচ এম রাশেদ খান, মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি হাজী মোহাম্মদ হোসেন, ছাত্রদলের আহবায়ক সাইফুল আলম প্রমুখ।