সন্দ্বীপ উপজেলার মাইটভাঙ্গা ইউনিয়নের তিন তিন বার নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও তার ভাই উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাকসুদুর রহমানের বিরুদ্ধে গতকাল সোমবার চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে  বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রনোদিত ভাবে সংবাদ সম্মেলন করেন একটি চক্র । আমার প্রতিবন্ধী মায়ের সম্পত্তি দখল করতে না পেরে মিজান চেয়ারম্যান এর বিরুদ্ধে অপপ্রচার করছেন তারা। 

 

তিনি বলেন, আমি রহিমা বেগম। হোছনে আরা বেগমের একমাত্র কন্যা। আমার মা একজন বাক প্রতিবন্ধী। তিনি কথা বলতে পারেন না বিধায় তার পক্ষে আপনাদের সাথে কথা বলতে আজকের এই সংবাদ সম্মেলনে হাজির হয়েছি।
আমার মা বাক প্রতিবন্ধি হওয়ার কারণে আমার নানা  আউিল্লাহ প্রকাশ আজিজ উল্লাহ আমার মা হোছনে আরা বেগমকে মাইটভাঙ্গা ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের দেলোয়ার রাস্তা সংলগ্ন মাইটভাঙ্গা মৌজার এ-৩২ ধানের ৫৯৫ নং দাগের বিএস ১৪৬ নং খতিয়ান হতে আগত ২০২১২ নং দাগের ১৯ শতক ভূমি মৌখিকভাবে দান করে সন্তানদের অছিয়ত করে যান যাতে রেজিস্ট্রি করে আমার মাকে এসব সম্পত্তি বুঝিয়ে দেওয়া হয়। এর কিছুদিন পর আমার নানা মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর পর তাঁর সন্তানরা পিতার অছিয়ত মোতাবেক আমার প্রতিবন্ধি মা হোছনে আরা বেগমকে ০৯/০৯/১৯৮০ইং তারিখে রেজিষ্টি করে দানপত্র করেন।


 আমার মা অসুস্থ হয়ে পড়লে আর্থিক কারণে বাধ্য হয়ে আমরা উক্ত জমি বিক্রির জন্য সিদ্ধান্ত নিই। পরে জায়গা কিনতে আসা একাধিক লোকের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার পর ২০১৬ সালে মিজানুর রহমান ও মাকসুদুর রহমানের কাছে ১৮ শতাংশ জমি সাফ কবলায় আমার মা বিক্রি করেন ।

 

এমতবস্থায় গত ০১ আগস্ট ২০২২ ইং সোমবার আমরা জানতে পারি মাজহারুল ইসলাম, শামসুন নাহার বেগম ও তাদের সঙ্গী মার্শাল, শাহাদাতসহ একটি পক্ষ সংবাদ সম্মেলন করে দাবি করেন, আমার মায়ের বিক্রিত জায়গাটি খরিদদার মিজানুর রহমান ও মাকসুদুর রহমান জোরপূর্বক দখল করেছেন যা পুরোপুরি সাজানো মিথ্যা ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। কারণ আমার মা ওই জমিটি বিক্রির পর মিজানুর রহমান ও মাকসুদুর রহমান ওই জমির খতিয়ান সৃজন পূর্বক নিয়মিত খাজনা প্রদান করে আসছেন।

উল্লেখ্য, এই জমির বিষয়ের তদন্তের স্বাক্ষ্য দেওয়ায় শাহাদাত ও মার্শাল আমাকেও হুমকি ধমকি দিয়ে আসছে। আমরা এ ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য আপনাদের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সংশ্লিষ্ট প্রশাসনসহ সকলের প্রতি জাতির বিবেক সাংবাদিকদের মাধ্যমে আবেদন জানাই।