চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন স্বাস্থ্য বিভাগ পরিচালিত নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডে চলমান ইপিআই কার্যক্রমে কভারেজ শতভাগ সফল করার লক্ষ্যে চসিক স্বাস্থ্য বিভাগ ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার উদ্যোগে স্বাস্থ্য বিভাগে কর্মরত সকল জোনাল মেডিকেল অফিসার, ইপিআই টেশনিশিয়ান, স্বাস্থ্য সহকারী এবং বেসরকারী সংস্থা কর্মকর্র্তদের নিয়ে ‘ইপিআই ত্রৈমাসিক সমন্বয় সভা’ আজ বৃহস্পতিবার সকালে চসিক জেনারেল হাসপাতাল মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ সেলিম আকতার চেীধুরী সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ ইমাম হোসেন রানা, সেইভ দ্যা চিলড্রেন এর কনসালটেন্ট ডাঃ বুশরা তাবাসুম, ইউনিসেফর কনসালটেন্ট ডাঃ প্রসূন রায়, ডেন্টিস্ট ডাঃ শাহনাজ আকতার ও ডাঃ পলাশ দাশ। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন-জোনাল মেডিকেল অফিসার ডাঃ মোঃ রফিকুল ইসলাম, ডাঃ তপন কুমার চক্রবর্তী, ডাঃ মোঃ হাসান মুরাদ চৌধুরী, ডঃ সুমন তালুকদার, ডাঃ আকিল মাহমুদ নাফে ও ডাঃ জুয়েল মহাজন প্রমুখ।
সভাপতির বক্তব্যে প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ সেলিম আকতার চৌধুরী বলেন, সিটি মেয়র মো. রেজাউল করিম চেীধুরীর দিক নির্দেশনা অনুযায়ী স্বাস্থ্য বিভাগের কার্যক্রমকে গতিশীল করার লক্ষ্যে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহন করা হয়েছে। বিশেষ করে দৈনন্দিন রুটিন টিকাদান কর্মসূচী জোরদার ও ওয়ার্ড পর্যায়ে কোভিড-১৯ টিকাদান কার্যক্রম শতভাগ অর্জনের লক্ষে কাজ করা হয়। তিনি বলেন, সম্প্রতি সারাদেশের ন্যায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ডেঙ্গু রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে সাধারণ জনগন আতঙ্কিত
হয়েছেন। আমরা তাদের আস্বস্থ্য করছি আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। বর্তমানে ডেঙ্গু মশার বিস্তার রোধে সকলকে সচেতন হতে হবে এবং মশারি ব্যবহার করতে হবে।
ডা. সেলিম আকতার চৌধুরী দৈনন্দিন রুটিন টিকাদান কর্মসূচীর পাশাপাশি কোভিড-১৯ টিকা প্রদান কার্যক্রম এবং ডেঙ্গু রোগের প্রতিরোধের বিষয়ে গণসচেতনেসতা মূলক বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ জানান। ইহা ছাড়া দৈনন্দিন রুটিন টিকাদান কর্মসূচী জোরদার করার লক্ষ্যে টিকাদানের কভারেজ বৃদ্ধি, ড্রপ আউট, রিপোর্টিং, সুপারভিশন কার্যক্রম জোরদার করার আহŸান জানান।
সভায় বিগত ০৯ (নয়) মাসের ইপিআই কার্যক্রমের উপর পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টশনের মাধ্যমে তথ্য উপাত্ত উপস্থাপন করেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডঐঙ) এসআইএমও ডাঃ সরওয়ার আলম এবং সভা পরিচালনা করেন ভ্যাকসিনেশান ইনচার্জ মোঃ আবু ছালেহ।