চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ডে জনসমুদ্রে পরিনত হওয়া স্মরণাতীত কালের সর্ববৃহৎ জনসভায় হাজার হাজার নেতাকর্মী নিয়ে অংশ নেন চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সাবেক চেয়ারম্যান ও মহানগর আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ আবদুচ ছালাম।
এক দশক পর নগরীতে আওয়ামী লীগ প্রধান জননেত্রী শেখ হাসিনার জনসভাকে ঘিরে মাসখানেক ধরে চট্টগ্রামের মানুষের মাঝে ব্যাপক উৎসুক্য ও চাঞ্চল্য বিরাজ করছিল। ৪ ডিসেম্বর, রবিবার দুপুরে জনসভা শুরুর কথা থাকলেও জেলা ও মহানগরীর বিভিন্ন উপজেলা, থানা ও ওয়ার্ড হতে রঙিন সাজে মিছিলে মিছিলে ছুটে আসা লাখো লাখ্ েনেতাকর্মী ও জনতায় কানায় কানায় পরিপূর্ণ হয় পলোগ্রাউন্ড। আবদুচ ছালামের ছবি সম্বলিত হলুদ টি শার্ট ও টুপি পরিহিত হাজার হাজার মানুষ জয় বাংলা শ্লোগানে রাজপথ মুখরিত করে জনসভাস্থলে প্রবেশ করে সভা শুরুর অনেক আগেই।
নেতা কর্মী ও চট্টগ্রামবাসীকে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আবদুচ ছালাম বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামকে তাঁর দ্বিতীয় বাড়ী মনে করেন। চট্টগ্রামের প্রতি তাঁর বিশেষ আকর্ষনের কথা তিনি বরাবরই বলে থাকেন। ২০০৮সালে লালদীঘির জনসভায় ঘোষনা দিয়ে চট্টগ্রামের উন্নয়নের দায়িত্ব নিজ কাঁধে নিয়ে ১৪ বছরে চট্টগ্রামে অভাবনীয় উন্নয়ন করে তাঁর আন্তরিকতার প্রমান রেখেছেন। চট্টগ্রাম তথা গোটা দেশের জন্য শেখ হাসিনা সরকারে এ সময়টা উন্নয়নের ইতিহাসে স্বর্ণযুগ হিসেবে পরিগণিত হবে। এখন আমরাও দেখাতে চাই, চট্টলদরদী প্রধানমন্ত্রীকে আমরা কতটা ভালবাসি। দেখাতে চাই কতটুকু কৃতজ্ঞ চট্টগ্রামের মানুষ। চট্টগ্রামে শেখ হাসিনার উন্নয়ন কর্মকান্ডের সিংহভাগ তিনি সিডিএ চেয়ারম্যান হিসেবে আমার মাধ্যমে পরিচালনা করেছেন। তাই চট্টগ্রামের মানুষের অকুন্ঠ ভালবাসা আমিও পেয়েছি। আজ কেবল জনসভায় স্বতস্ফুর্ত অংশ গ্রহন করে নয়, আমার চট্টগ্রামের মানুষ উন্নয়নের নেত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যাকে বারবার প্রধানমন্ত্রী করতে চায়। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বীর চট্টলার মানুষ নৌকায় ভোট দিয়ে চট্টগ্রামের সবকয়টি আসন জননেত্রী শেখ হাসিনাকে উপহার দিতে চট্টগ্রামবাসীকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
উন্নয়নে স্বর্ণযুগের নেত্রী চট্টলদরদী শেখ হাসিনা