চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শহিদুল আলম বলেন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের আওতায় যে সকল অযান্ত্রিক যানবাহন চলমান আছে সেসব যানবাহনকে অটোমেশনের আওতায় আনা হবে। বিগত ৪ বছর কোভিড-১৯ এর কারণে অযান্ত্রিক যানবাহনগুলোর নবায়ন কার্যক্রম বন্ধ ছিল। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে বর্তমানে এই কার্যক্রম পুনরায় চালু করা হচ্ছে। আজ রবিবার সকালে চসিক বাটালিহিলস্থ নগর ভবনের সম্মেলন কক্ষে ওযার্ড সচিবদের কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে চসিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শহিদুল আলম একথা বলেন। প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন রাজস্ব কর্মকর্তা সৈয়দ শামসুল হুদা তাবরীজ, অটোমেশন প্রকল্পের ঠিকাদার কেমিষ্ট সিডিজি কমসোর্টিয়াম লি: এর ম্যানেজিং পাটিনার মো হাসানুজ্জামান, পরিচালক মো. মিনহাজ উদ্দিন ফয়েজ, মনির আহম্মদ, সমন্বয়ক মাহামুদুল হক, ওয়ার্ড সচিবদের পক্ষে তোফায়েল আহমদ প্রমুখ।
কর্মশালায় প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন বর্তমানে ৭০ হাজার প্যাডেল চালিত রিক্সা চলাচল করে। ইতোমধ্যে হয়তো অবৈধভাবে আরো অনেক প্যাডেল চালিত রিক্সা রাস্তায় চলাচল করে। চসিক আপাতত: বৈধ লাইসেন্সধারীদের লাইসেন্স নবায়ন করার সিন্ধান্ত গ্রহন করেছে। নবায়ন করার জন্য নির্ধারিত ৫০ টাকা করে ফি দিয়ে নবায়ন ফরম পূরণ করে সংশ্লিষ্ট এলাকার ওয়ার্ড সচিবদের কাজে জমা দিতে হবে এবং প্রতিটি লাইসেন্স নবায়নের জন্য বকেয়া ফি ও প্লেট বাবদ মোট ৭০০ টাকা প্রদান করতে হবে। অযান্ত্রিক যানবাহন চালকের পরিচয়পত্র সংগ্রহ করার জন্য প্যাডেল চালিত অযান্ত্রিক রিক্সার চালকদের প্রতি আহবান জানান। চালকদের পরিচয়পত্র সংগ্রহ করতে ৫০টাকা মূল্যের ফরম সংগ্রহ পূরণ করে আইডি ফি ৫০টাকা প্রদান করে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড সচিক থেকে আইডি সংগ্রহ করার যাবে। উল্লেখ্য যে, অযান্ত্রিক যানবাহনের লাইসেন্স ২০২৩-২৪ সাল পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। সভাপতির বক্তব্যে প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম বলেন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন একটি সেবামুলক প্রতিষ্ঠান নগরীতে যে অযান্ত্রিক যানবাহন চলে তা অটোমেশনের আওতায় আনা হলে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় শৃংঙ্খলা ফিরে আসতে সহায়ক