মানহানিকর প্রচারণা, ফেসবুকের মাধ্যমে কম্পানির বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও হুমকিসহ বিভিন্ন অভিযোগে ইনোভেটিভ ফার্মার মালিক কাজী মোহাম্মদ শহিদুল হাসানসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে তথ্য-প্রযুক্তি আইনে মামলা করেছে এলবিয়ন গ্রুপ।
সোমবার (১৬ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম সাইবার ট্রাইব্যুনাল সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর মোহাম্মদ আবু মনছুরেরর আদালতে (জেলা ও দায়রা জজ) এই মামলা দায়ের করেন এলবিয়ন ল্যাবরেটরিজ লিমিটেডের জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপক মো. রফিক আহমদ।
মামলায় অভিযুক্তরা হলেন- ইনোভেটিভ ফার্মার স্বত্ত্বাধীকারী কাজী মোহাম্মদ শহিদুল হাসান (৪২), মো. জাহিদুল করিম ওরফে রিমন (৩০), মো. শওকত আলী ওরফে রিফাত (২৯), কাজী মোহাম্মদ রুবাইদুল হাসান (৩৫) ও কামাল হোসাইন (৩৮)।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ইনোভেটিভ ফার্মার স্বত্ত্বাধীকারী কাজী মোহাম্মদ শহিদুল হাসান এলবিয়ন ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড থেকে নগদ টাকা ও বাকিতে ওষুধ ক্রয় করতেন। লেনদেনের ধারাবাহিকতায় ওষুধ ক্রয়বাবদ পাওনা হলে এলবিয়ান ল্যাবরেটরিজ লিমিটেডকে তিন কোটি পঞ্চান্ন লাখ টাকার পাঁচটি চেক দেন শহিদুল হাসান। কিন্তু সেই চেকের টাকা সময়মতো পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলে এলবিয়ন ল্যাবরেটরিজ লিমিটেডের ম্যানেজার মো. রফিক আহমদ চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে শহিদুল হাসানের বিরুদ্ধে পৃথক পাঁচটি মামলা করেন।
এলবিয়ন ল্যাবরেটরিজ লিমিটেডের জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপক মো. রফিক আহমদ বলেন, পাওনা টাকা পরিশোধ এড়াতে এসব কূটকৌশলের আশ্রয় নিয়েছে শহীদুল হাসান চক্রটি। আমাদের কম্পানির চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। মূলত তারা নিজেদের প্রতারণা ঢাকতে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছেন।
এ বিষয়ে জানতে কাজী শহীদুল হাসানের মোবাইলে ফোন দিলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।