হালিশহর থানাধীন ফইল্যাতলী বাজারস্থ হেলথ কেয়ার ডায়াগনস্টিক এন্ড কনসালটেশন সেন্টারে রাবেয়া খাতুন নামের একজন মহিলার গলায় আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে মারা যায়। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে হালিশহর থানা পুলিশ বর্ণিত ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যায় এবং ভিকটিমে বাবাকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ভিকটিমকে তার মা ( ২৮) হালিশহর থানাধীন এ-ব্লক, কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ রোড নং-০৪ পেইন-০১, বাসা নং-১১ তে ছবি দ্বারা গলায় পোচ মেরে হত্যা করেছে। থানা পুলিশ লাশের সুরতহাল রিপোর্ট সম্পন্ন করে বিধি মোতাবেক ময়না তদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। উক্ত বিষয়ে ভিকটিমের বাবা মোঃ আব্দুল মালেক (৫৮) গত ১৫ ই জানুয়ারী বাদী হয়ে এজাহার দায়ের করলে হালিশহর থানার মামলা নং-১২, ১৫ই জানুয়ারী , ধারা-৩০২ পেনাল কোড ক্যু করে মামলা তদন্তের দায়িত্ব  সুফল কুমার দাশকে দেওয়া হয়।

ঘটনার সংবাদ প্রাপ্তির পর হতে হালিশহর থানা পুলিশ গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনার সহিত জড়িতদের গ্রেফতার এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধারের চেষ্টা অব্যাহত রাখে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে হালিশহর থানার টিম কিশোরগঞ্জ জেলার নিকলী থানা হতে ঘটনার সহিত জড়িত মূল আসামী মোঃ জামিন (২৪), পিতা-শাহ আমিন, মাতা- হাসিনা বেগম, স্থায়ী সাং- দক্ষিণ হাটি, করপাশা, সুলু বাড়ী, থানা-নিকলী, জেলা-কিশোরগঞ্জ, বর্তমানে এ-ব্লক, কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ, রোড নং-৮, লেইন-০১, বাসা নং-১১, থানা- হালিশহর, জেলা-চট্টগ্রামকে গ্রেফতার করা হয়। আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকান্ডের ঘটনায় জড়িত অপর আসামী মোঃ মোস্তফা (২২), পিতা-মোঃ শফিকুল ইসলাম, মাতা-রাবেয়া বেগম, সাং- দামপাড়া, সুন্দরবনের মোড়ে রফিকের বাড়ী, থানা-শিবলী, জেলা-কিশোরগঞ্জ, বর্তমানে-বি-ব্লক, লেইন নং-০৫, খালপাড়ের পাশে, থানা-হালিশহর, জেলা-চট্টগ্রাম'কে হালিশহর থানা এলাকা হতে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়কে পৃথক পৃথকভাবে জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ছবি হালিশহর থানাধীন এ-ব্লকস্থ JSA ফ্যাশন এর পিছনে মাল হতে উদ্ধার করে।