চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও থানার ছোট বাকলিয়ার চাঁদার বাড়ী এলাকার ৮০ বছরের বৃদ্ধা আছিয়া খাতুন তাঁর সাজানো সংসারে মিথ্যা মামলা ঠুঁকে দিয়ে ছেলে ও নাতিকে গ্রেফতারে অভিযোগ তুলেছেন ছেলের বউ বিরুদ্ধে। রোববার দুপুরে নিজ বাসায় এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।
আছিয়া খাতুন বলেন, গত ৯ মে রাত ৯টায় ফারিয়া ও তার ভাই আসিফসহ ৮/৯ জনের সন্ত্রাসী বাহিনী আমার ছেলে মোহাম্মদ রফিককে হত্যার হুমকি দেয়। তারা দেড় কোটি টাকা চাঁদা দাবি করে। পরদিন একই কায়দায় সন্ত্রাসী বাহিনী আমাদের বাসায় ঢুকে হামলা ও ভাংচুর করে এবং চাঁদার টাকা দাবি করে।
তিনি বলেন, আমার সুইজারল্যাণ্ড প্রবাসী ছেলে রফিককে হত্যার হুমকি ও মারধর করার পর উল্টো গোপনে পুলিশের সাথে আতাঁত করে আমার ছেলে নেজাম উদ্দিনের স্ত্রী ফারিয়া আলম বাদি হয়ে একটি চাঁদাবাজি মামলা করে। এতে আমার ছেলে রফিক, তার স্ত্রী শারমিন সুলতানা, আমার ছেলে আমিনুল, রাশেদ ও আমার নাতি আরিফকে আসামি করে।
আছিয়া খাতুনের প্রশ্ন, আমার এক ছেলে রফিক সুইজারল্যাণ্ড প্রবাসী। তার মাসিক আয় বাংলাদেশী টাকায় ৫ লাখ। সে দেশে এক মাসের জন্য এসেছেন। সে কি চাঁদাবাজি করতে পারে। তিনি বলেন, পুত্রবধূ ফারিয়া আলমের মিথ্যা মামলায় আমার ছেলে রফিক ও নাতিকে পুলিশ গ্রেফতার করে মানষিক নির্যাতন করে।পুলিশ চাইলে উভয় পক্ষকে ডেকে সমধান করতে পারতো। কিন্তু গোপনে মিথ্যা মামলা নিয়ে আমার দীর্ঘদিনের সাজানো সংসার তছনছ করে দিলো।
সংবাদ সম্মেলনে আছিয়া খাতুনের ছেলে আমিনুল ইসলাম, মো.রফিক, রাশেদ উদ্দিন, আরিফুল ইসলাম, মেয়ে কামরুন নেছা, পুত্রবধু শারমিন সুলতানা, আরফা আকতার উপস্থিত ছিলেন।