হাটহাজারী উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ড সৈয়দ পাড়া বাচা মিয়া চৌধুরীর বাড়ি থেকে বৃহস্পতিবার রাতে সুমি আক্তার জিন্নাহ (১৯) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত ওই বাড়ির প্রবাসী তাজুল ইসলাম নয়নের স্ত্রী ও গুমানমর্দ্দন ৪ নং ওয়ার্ডের আশরাফ আলি মুন্সির বাড়ির সিরাজ মিয়ার কন্যা। নিহতের শশুড় বাড়ির লোকজন রুমের সিলিং ফ্যানের সাথে গলায় ওরনা পেচিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে জানালেও নিহতের পরিবারের দাবি কুরবানে গরু না দিয়ে ছাগল দেয়ায় মানসিক ও শারিরীক নির্যাতন করে মেরে ফেলা হয়েছে তাকে। মৃত্যুর দেড় ঘন্টা আগে নিহত মায়ের মুঠোফোনে কল করে নির্যাতনের কথা জানিয়েছেন বলে জানান নিহতের মাসহ অন্যরা। এ ঘটনায় থানায় মামলা রুজু হয়েছে। অপরদিকে হাটহাজারী পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ড পূর্ব দেওয়াননগর শায়েস্তা খাঁ পাড়া সালেহ আহাম্মেদের বাড়ি থেকে শনিবার দুপুরে নুসরাত জাহান মুক্তা (২৩) নামে দুই সন্তানের জননীর ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের মা জানান, গেল মাসের ১৮ তারিখ স্বামীর সাথে ডিভোর্সের পর পিত্রালয়ে দুই সন্তান নিয়ে বসবাস করে আসছিলেন। সম্প্রতি আগের স্বামী বিবাহ করলে সে অতিরিক্তভাবে মানসিক বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে নিজ রুমে ফ্যানের সাথে গলায় ওরনা পেচিয়ে আত্মহত্যা করে। এদিকে এ মৃত্যুর ঠিক ছয় ঘন্টা পর একই ওয়ার্ডের রফিক কলোনি থেকে ফাহিম নামে আঠার বছরের এক অটো চালকের ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রাত সাড়ে নয়টার দিকে এসআই ফরিদ মৃতদেহটি উদ্ধার করেন। তবে ঘটনাস্থলে কাউকে পাওয়া যায়নি। জানা গেছে, পনেরদিন ধরে স্ত্রীকে নিয়ে ওই কলোনিতে বসবাস করছেন নিহত ফাহিম। কি কারণে এ মৃত্যু তা জানেনা কেউ। সকালে সস্ত্রীক ঘর থেকে বের হয়ে সন্ধ্যায় ফিরত বলে পার্শ্ববর্তীরা জানান। সে সিলেট জেলার বাসিন্দা বলে জানা গেছে। তার পিতার নাম মোসলেম উদ্দিন। এছাড়া শুক্রবার রাত সাড়ে বারোটার দিকে নাজিরহাট রেলস্টেশন সংলগ্ন সেলিম জাহাঙ্গীর মেম্বার বাড়ির একটি কলোনি থেকে মোঃ আনোয়ার মাতবর (৫২) নামে এক ফেরিওয়ালার মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সে শরিয়তপুর জেলার জাজিরা উপজেলার পূর্ব মন্ডুয়া গ্রামের বাসিন্দা।
হাটহাজারীতে দুই গৃহবধূ, অটো চালক ও ফেরিওয়ালার লাশ উদ্ধার